বগুড়ায় টনসিল অপারেশন করাতে এসে গৃহবধূর মৃত্যু

গলার টনসিল অপারেশন করতে পায়ে হেঁটে হাসপাতালে প্রবেশ করেছিলেন শাপলা আক্তার। তবে ফেরার সময় পায়ে হেঁটে হাসপাতাল থেকে বের হতে পারেননি। তার নিথর শরীরটা অ্যাম্বুলেন্সে করে নেয়া হয়েছে হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগে।
গতকাল সোমবার বগুড়ার বাদুড়তলা এলাকায় সারা হসপিটালে এ মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। স্বজনদের অভিযোগ, টনসিল অপারেশনের জন্য তাকে অজ্ঞান করার পর শাপলার আর জ্ঞান ফেরেনি। শাপলা বগুড়ার সোনাতলা উপজেলার বাইগুনী এলাকার রানু মিয়ার স্ত্রী।
রানু মিয়া বলেন, ‘শিবগঞ্জের বড়িয়ার হাট এলাকার এক চিকিৎসকের পরামর্শে এবং এক দালালের মাধ্যমে এই হাসপাতালে আমার স্ত্রীকে নিয়ে এসেছিলাম। কিন্তু কী থেকে কী হয়ে গেল। আমার বউটা মরে গেছে!’
জানা গেছে, সোমবার বিকেল পাঁচটার দিকে টনসিল অপারেশনের জন্য শাপলাকে সারা হসপিটালে ভর্তি করা হয়। বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর সন্ধ্যা সাতটার দিকে তাকে অপারেশন থিয়েটারে নেওয়া হয়। সেখানে এনেসথেশিয়া প্রয়োগের পরপরই অপারেশন থিয়েটারের ভেতরে চিকিৎসকদের মধ্যে হুড়োহুড়ি শুরু হয়।
পরে রোগীর অবস্থার অবনতি হলে তাকে জরুরি ভিত্তিতে শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। কিন্তু ওই সময় শাপলার শ্বাস-প্রশ্বাস চলছিল না। স্বজনদের চিৎকারে স্থানীয় লোকজন হাসপাতালে জড়ো হন। এ অবস্থায় হাসপাতালটির মূল ফটকে তালা ঝুলিয়ে চিকিৎসক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা কে চলে যান।
বগুড়া সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মাহফুজ আলম বলেন, রোগী নিহতের ঘটনায় হাসপাতালটিতে হট্টগোল হয়েছিল। পুলিশ খবর পেয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের পরিবার থেকে একটি মামলা করা হয়েছে।
(ঢাকাটাইমস/২জুন/মোআ)
ঢাকা টাইমস অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন













































