ধর্মমন্ত্রীর প্রতি সেই ওমরাযাত্রীর পরিবারের কৃতজ্ঞতা

ঢাকা টাইমস ডেস্ক
  প্রকাশিত : ১৫ জুন ২০২৬, ২১:৫৭
অ- অ+

সৌদি আরবে দীর্ঘ তিন বছরের বেশি সময় অসুস্থ অবস্থায় চিকিৎসাধীন থাকার পর সরকারের উদ্যোগে দেশে ফিরেছিলেন ফেনীর বাসিন্দা ওমরাহযাত্রী হেদায়েতুল ইসলাম (৭৪)। দেশে ফেরার এক মাসের বেশি সময় পর তিনি মৃত্যুবরণ করেছেন। তবে শেষ সময়ে তাকে দেশে ফিরিয়ে আনা, চিকিৎসার ব্যবস্থা করা এবং নিয়মিত খোঁজখবর নেওয়ার জন্য ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে তার পরিবার।

সোমবার সকাল ১০টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের এইচডিইউতে (হাই ডিপেনডেন্সি ইউনিট) চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন হেদায়েতুল ইসলাম। হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. আশরাফ তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

পারিবারিক সূত্র জানায়, দেশে ফেরার পর এক মাসেরও বেশি সময় ধরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি। মৃত্যুর পর তার মরদেহ নিজ জেলা ফেনীতে পাঠানোর ব্যবস্থাও করেছেন ধর্মমন্ত্রী। সোমবার রাত ৯টায় তার জানাজা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

হেদায়েতুল ইসলাম ২০২৩ সালের ১ ফেব্রুয়ারি ওমরাহ পালনের উদ্দেশ্যে সৌদি আরব যান। সেখানে অবস্থানকালে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে দীর্ঘ সময় কিং ফাহাদ হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে হয়। অসুস্থতার কারণে তিনি দেশে ফিরতে পারেননি এবং দীর্ঘ সময় বিদেশে মানবিক ও আর্থিক সংকটের মধ্যে জীবনযাপন করেন।

বিষয়টি জানার পর ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদ ব্যক্তিগত উদ্যোগ নেন। সৌদি সরকারের সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যমে চলতি বছরের ১৩ মে তাকে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়। দেশে ফেরার পর ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তার চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়। পাশাপাশি চিকিৎসা ব্যয়ে আর্থিক সহায়তা এবং চিকিৎসকদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগের মাধ্যমে তার শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর রাখা হয়।

ধর্মমন্ত্রী নিজেও হাসপাতালে গিয়ে হেদায়েতুল ইসলামের খোঁজ নেন এবং চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলে উন্নত চিকিৎসা নিশ্চিত করার নির্দেশনা দেন। পরবর্তীতে পরিবারের সুবিধার কথা বিবেচনা করে তাকে ফেনী সদর হাসপাতালে স্থানান্তরের উদ্যোগও নেওয়া হয়েছিল।

হেদায়েতুল ইসলামের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন ধর্মমন্ত্রী। মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করে তিনি বলেন, ‘একজন বাংলাদেশি নাগরিক হিসেবে তার চিকিৎসা ও দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়টি মানবিক দায়িত্ববোধ থেকেই করা হয়েছিল।’

পরিবারের সদস্যরা জানান, দীর্ঘদিন বিদেশে অসহায় অবস্থায় থাকা একজন মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে ধর্মমন্ত্রী মানবিকতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। দেশে ফিরিয়ে আনা থেকে শুরু করে চিকিৎসার ব্যবস্থা ও নিয়মিত খোঁজখবর নেওয়ার জন্য তারা তার প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

google news ঢাকা টাইমস অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন
শীর্ষ খবর সর্বশেষ জনপ্রিয়
সব খবর
বিবাহ নিবন্ধনে ডিজিটাল জন্মসনদ বাধ্যতামূলক করা হবে
ডিএমপির তিন এডিসি ও দুই এসি নতুন দায়িত্বে
জুলাই শহীদদের কবর পাকাকরণের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ
দায়িত্ব নিলেন নোয়াখালীর নতুন পুলিশ সুপার এন এম নাসিরুদ্দিন
বিশেষ প্রতিবেদন তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা