আগামী ১–২ বছরে
২ হাজার মিনি কোল্ড স্টোরেজ স্থাপনের উদ্যোগ: কৃষিমন্ত্রী

দেশে কৃষিপণ্যের সংরক্ষণ সক্ষমতা বাড়ানো এবং কৃষকের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে আগামী এক থেকে দুই বছরের মধ্যে সারাদেশে ২ হাজার মিনি কোল্ড স্টোরেজ স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ।
সোমবার রাজধানীর একটি হোটেলে ‘রিপারপোজিং অ্যাগ্রিকালচারাল পাবলিক স্পেন্ডিং ফর কোয়ালিটি গ্রোথ অ্যান্ড জবস ইন বাংলাদেশ’স এগ্রিফুড সিস্টেম’ শীর্ষক নীতি সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ তথ্য জানান।
কৃষিমন্ত্রী বলেন, কৃষকের উৎপাদিত পণ্য সংরক্ষণের সুযোগ না থাকায় অনেক সময় ন্যায্যমূল্য পাওয়া যায় না, বিশেষ করে পচনশীল সবজির ক্ষেত্রে মৌসুমে অতিরিক্ত সরবরাহের কারণে দাম কমে যায়। এ সমস্যা সমাধানে কৃষকের দোরগোড়ায় সংরক্ষণ সুবিধা পৌঁছে দিতে সরকার মিনি কোল্ড স্টোরেজ স্থাপনের পরিকল্পনা নিয়েছে।
তিনি জানান, এসব কোল্ড স্টোরেজ সমবায়ভিত্তিক ব্যবস্থাপনায় ১৫ থেকে ২০ জন কৃষক মিলে পরিচালনা করবেন এবং এগুলো সৌরবিদ্যুৎচালিত হবে। ইতোমধ্যে পাইলট পর্যায়ে এ ব্যবস্থার সফলতা পাওয়া গেছে।
মন্ত্রী আরও বলেন, ২ হাজার মিনি কোল্ড স্টোরেজ চালু হলে প্রায় ৪০ হাজার কৃষক সরাসরি উপকৃত হবেন।
কৃষিমন্ত্রী বলেন, দেশের প্রায় ৭০ থেকে ৭৫ শতাংশ মানুষ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির সঙ্গে যুক্ত। অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে কৃষিখাতকে আরও কার্যকরভাবে এগিয়ে নিতে সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে।
তিনি জানান, ডাটাবেসভিত্তিক পরিকল্পনার মাধ্যমে কৃষিপণ্যের উৎপাদন ও বাজার চাহিদার সমন্বয় করা হবে, যাতে কৃষকরা চাহিদা অনুযায়ী উৎপাদন করতে পারেন এবং ভোক্তারা সারা বছর স্থিতিশীল দামে পণ্য পান।
কৃষিমন্ত্রী আরও বলেন, পেঁয়াজ, পেঁয়াজবীজ ও আদা উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনের লক্ষ্যে কাজ চলছে। আগামী এক থেকে দেড় বছরের মধ্যে দেশে পেঁয়াজ আমদানির প্রয়োজন হবে না বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন।
তিনি বলেন, কৃষিতে ডিজেল ও বিদ্যুৎ নির্ভরতা কমাতে সৌরশক্তিচালিত সেচব্যবস্থা সম্প্রসারণ করা হচ্ছে। পাশাপাশি মাটির উর্বরতা বৃদ্ধিতে অম্লতা কমানোর উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে।
অনুষ্ঠানে বিশ্বব্যাংকের বাংলাদেশ ও ভুটান ডিভিশন ডিরেক্টর জ্যঁ পেমসহ বিভিন্ন নীতিনির্ধারক ও গবেষক উপস্থিত ছিলেন।
ঢাকা টাইমস অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন











