কারিগরি ত্রুটি: রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিট বন্ধ

জেলা প্রতিনিধি, বাগেরহাট:
  প্রকাশিত : ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮:৩০
অ- অ+

কারিগরি ত্রুটির কারণে বাগেরহাটের রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিটের বিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধ হয়ে গেছে। আজ রবিবার বেলা ১১টার দিকে ইউনিটটি পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। তবে কেন্দ্রটির প্রথম ইউনিট চালু রয়েছে এবং সেখান থেকে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে।

রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের মানবসম্পদ বিভাগের মহাব্যবস্থাপক আনোয়ারুল আজিম বলেন, কারিগরি ত্রুটির কারণে দ্বিতীয় ইউনিটটি বন্ধ হয়েছে। ইউনিটটি পুনরায় চালু হতে অন্তত চার দিন সময় লাগতে পারে। এ জন্য কাজ চলছে।

তবে ঠিক কী ধরনের কারিগরি ত্রুটি দেখা দিয়েছে, তা নির্দিষ্ট করে বলতে পারেননি এই কর্মকর্তা।

কেন্দ্র সূত্রে জানা যায়, ২০১০ সালে বাংলাদেশ ও ভারতের যৌথ উদ্যোগে রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। ২০১২ সালের ২৯ জানুয়ারি বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) ও ভারতের এনটিপিসি লিমিটেডের মধ্যে এ বিষয়ে চুক্তি সই হয়। পরে বাংলাদেশ-ইন্ডিয়া ফ্রেন্ডশিপ পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড (বিআইএফপিসিএল) গঠন করা হয়।

বিআইএফপিসিএলের অধীনে ১ হাজার ৩২০ মেগাওয়াটের মৈত্রী সুপার থার্মাল পাওয়ার প্রজেক্ট নির্মাণ করা হয়। রামপাল উপজেলার রাজনগর ও গৌরম্ভা ইউনিয়নের সাপমারী ও কৈ-গর্দ্দাশকাঠি মৌজায় ১ হাজার ৩৪ একর জমি অধিগ্রহণ করে প্রায় ১৬ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে প্রকল্পটি নির্মাণ করা হয়।

দীর্ঘ নির্মাণপ্রক্রিয়া শেষে ২০২২ সালের ২৩ ডিসেম্বর কেন্দ্রটির প্রথম ইউনিট বিদ্যুৎ উৎপাদনে যায়। পরের বছর ২৪ অক্টোবর দ্বিতীয় ইউনিট পরীক্ষামূলক উৎপাদনে যায়। এরপর ২০২৪ সালের ১২ মার্চ কেন্দ্রটি আনুষ্ঠানিকভাবে বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু করে।

তবে বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরুর পর থেকে কারিগরি ত্রুটি ও অন্যান্য কারণে কেন্দ্রটির বিভিন্ন ইউনিট একাধিকবার বন্ধ হয়েছে। কেন্দ্র সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, এ পর্যন্ত ৩০ বারের বেশি উৎপাদন বন্ধ হওয়ার ঘটনা ঘটেছে।

google news ঢাকা টাইমস অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন
শীর্ষ খবর সর্বশেষ জনপ্রিয়
সব খবর
মালবাহী ট্রেনের বগি লাইনচ্যুত, ঢাকা-ময়মনসিংহ রুটে ট্রেন চলাচল বন্ধ
আত্রাইয়ে পানিতে পড়ে যুবকের মৃত্যু
সরকারি সার্ভারের নাগরিক তথ্য অনলাইনে বিক্রি, গ্রেপ্তার ৫
পাওয়ারম্যান মালয়েশিয়া ২০২৬-এ বাংলাদেশের প্রথম পারিবারিক অংশগ্রহণ