নির্বাচনের পর আওয়ামী লীগ দেশে গণহত্যা চালাতে পারে : ১২ দলীয় জোট

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা টাইমস
| আপডেট : ০৪ ডিসেম্বর ২০২৩, ১৪:৩৬ | প্রকাশিত : ০৪ ডিসেম্বর ২০২৩, ১৪:০৯

নির্বাচনের আগেই বিএনপি, ১২ দলীয় জোট, জামায়াতসহ সরকারবিরোধী নেতাকর্মীদের বাড়ি বাড়ি আওয়ামী লীগ ও পুলিশ যৌথ হামলা চালাচ্ছে। দলীয় নেতাকর্মীদের না পেয়ে কারও বাবা-মা, কারও ভাই-বোন, কারও স্ত্রীকে তুলে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। সরকার দলীয় ক্যাডাররা বিরোধী দলের নেতাদের আহত করে পুলিশের হাতে তুলে দিচ্ছে। পুলিশ সেই আহত নেতাকর্মীদের আদালতে তুলে রিমান্ড চেয়ে নির্যাতন চালাচ্ছে। আর ভোটাধিকার বিরোধী আগামী নির্বাচন করতে দিলে নির্বাচন পরবর্তীতে সারাদেশে আওয়ামী লীগ যে গণহত্যা চালাবে তাতে সরকার বিরোধীদের বড় জানাজা হতে পারে।

সোমবার দুপুরে বিরোধী নেতাকর্মীদের মুক্তি, শেখ হাসিনার পদত্যাগ ও নির্দলীয় সরকারের অধীনে জাতীয় নির্বাচনের দাবিতে আয়োজিত বিক্ষোভ মিছিল শেষে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশে এসব কথা বলেন ১২ দলের শীর্ষ পর্যায়ের নেতারা। মিছিলটি জাতীয় প্রেসক্লাব থেকে শুরু হয়ে পল্টন, বিজয়নগর মোড় হয়ে আবার প্রেসক্লাবের সামনে এসে সমবেত হয়।

এ সময় জোটের মুখপাত্র ও বাংলাদেশ এলডিপির মহাসচিব শাহাদাত হোসেন সেলিম বলেন, দেশের মানুষের সঙ্গে আওয়ামী লীগ কাপুরুষোচিত আচরণ করে চলেছে। তারা এক দিকে জনগণকে ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত করে রেখেছে, অন্যদিকে নিত্যপণ্যের বাজারে একের পর এক সিন্ডিকেট বাণিজ্য করে নিজের পকেট ভারী করছে। দেশের জনগণের প্রতি তাদের কোনো দায়ভার নেই।

জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সাবেক এমপি নওয়াব আলী আব্বাস খান বলেন, এই সরকার জনগণের সরকার নয়। এই সরকার জুলুমবাজ সরকার। জনগণের ওপর নিপীড়ন চালিয়ে আবারও ক্ষমতায় থাকতে চায়। জনগণ এখন প্রস্তুত এদের বিদায় করার জন্য।

জোটের প্রধান সমন্বয়ক রাশেদ প্রধান বলেন, আওয়ামী লীগের হাতে দেশের শিক্ষাব্যবস্থা এখন শ্রী-মতীর পাঠশালায় পরিণত হয়েছে। শিক্ষা ব্যবস্থার অন্তিম যাত্রা শুরু থেকে এখন ধ্বংসের চূড়ান্ত পর্যায়। তাই দেশবাসী মনে করে আওয়ামী লীগ দেশ ও জনগণের জন্য একটি আগাছা দলে পরিণত হয়েছে। অচিরেই আওয়ামী লীগের পতন ঘটাতে হবে।

এসময় আরও বক্তব্য দেন জমিয়তে উলামায়ে ইসলামী বাংলাদেশের মহাসচিব মাওলানা মুফতি মহিউদ্দিন ইকরাম, বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান লায়ন মো. ফারুক রহমান, বাংলাদেশ জাতীয় দলের ভাইস চেয়ারম্যান শামসুল আহাদ।

এছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন জাতীয় পার্টির হান্নান আহমেদ খান বাবলু, কাজী মো. নজরুল, জাগপার অধ্যাপক ইকবাল হোসেন, আসাদুর রহমান খান, বাংলাদেশ এলডিপির সৈয়দ ইব্রাহিম রনক, এম এ বাশার, আবদুল হাই নোমান, ফরিদ উদ্দিন, বাংলাদেশ জাতীয় দলের বেলায়েত হোসেন শামীম, আবুল মনসুর, জমিয়তের আতাউর রহমান খান, মাওলানা এমএ কাশেম ইসলামাবাদী, বাংলাদেশ লেবার পার্টির হুমায়ুন কবির, শরীফুল ইসলাম, হাবিবুর রহমান, মো. আসাদ, যুব জাগপার নজরুল ইসলাম বাবলু, এলডিপি যুবদলের ফয়সাল আহমেদ, ছাত্র সমাজের কাজী ফয়েজ আহমেদ, মেহেদী হাসান, ফাহিম হোসাইন , ছাত্র জমিয়ত বাংলাদেশের নিজাম উদ্দিন আল আদনান, ছাত্র মিশনের মো. মোসতাকিন বিল্লাহ প্রমুখ।

(ঢাকাটাইমস/০৪ডিসেম্বর/জেবি/এসএম)

সংবাদটি শেয়ার করুন

রাজনীতি বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

রাজনীতি এর সর্বশেষ

মুক্তিযোদ্ধা দলের সভাপতি উলফাত গ্রেপ্তার, মির্জা ফখরুলের নিন্দা

রোজার আগে গ্যাস-বিদ্যুতের দাম বাড়ানো অসহনীয়: সংসদে চুন্নু

বাকস্বাধীনতা না থাকলে ভাষা থেকেও লাভ হয় না: ড. আনোয়ারউল্লাহ চৌধুরী

রাজনীতিতে হতাশার জায়গা নেই: নোমান

আ.লীগ সরকার উন্নয়নের জিকির তুলে বাকস্বাধীনতা হরণ করেছে: মাসুদ

রকেট গতিতে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বেড়েই চলছে: রিজভী

বিএনপি যুক্তরাষ্ট্রের কাছে যা চেয়েছিল তা পায়নি: ওবায়দুল কাদের 

পল্লবীর ঝিলপাড় বস্তিতে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে বিএনপি 

অর্থনীতির সংকটে দ্রব্যমূল্য বাড়া স্বাভাবিক, না খাইয়ে তো রাখিনি: ওবায়দুল কাদের 

‘যা কিছু হারায় গিন্নি বলেন কেস্টা বেটাই চোর’

এই বিভাগের সব খবর

শিরোনাম :