যোগ্যতার টুঁটি চেপে ধরার অপচেষ্টা: ডিআইজি রেজাউল করিম মল্লিক ও কিছু ধ্রুব সত্য

পুলিশের একজন আলোকিত ও আপসহীন কর্মকর্তা ডিআইজি রেজাউল করিম মল্লিককে নিয়ে সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যে পরিকল্পিত অপপ্রচার চালানো হচ্ছে, তা গভীর উদ্বেগের। আসন্ন পদোন্নতি (অতিরিক্ত আইজিপি পদে) ও গুরুত্বপূর্ণ পদে তাঁর পদায়ন ঠেকাতেই একটি কুচক্রী মহল কোমর বেঁধে নেমেছে, তা সচেতন মহলের কাছে দিবালোকের মতো স্পষ্ট।
কেন এই আক্রোশ-ষড়যন্ত্র?
ডিবিপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালনের সময় রেজাউল করিম মল্লিক যে অসীম সাহসিকতার পরিচয় দিয়েছেন, তা সাম্প্রতিক ইতিহাসে বিরল। বিশেষ করে সমাজের তথাকথিত উচ্চবিত্ত ও প্রভাবশালী ব্যক্তিদের জিম্মি করে রাখা 'হানি ট্র্যাপ' চক্রের সুন্দরী হোতাদের আইনের আওতায় এনে তিনি চমক লাগিয়ে দিয়েছিলেন। যেখানে অনেক রাঘববোয়াল সেই চক্রের ভয়ে তটস্থ ছিল, সেখানে তিনি কোনো রক্তচক্ষু তোয়াক্কা না করে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। এই সাহসী অভিযানের মাধ্যমেই তিনি মূলত স্বার্থান্বেষী মহলের বিষনজরে পড়েন।
ডিবির ভাবমূর্তি পুনরুদ্ধার
ডিবি থেকে ‘ভাতের হোটেল’ সংস্কৃতি চিরতরে বিদায় করে তিনি সংস্থাটিকে একটি আধুনিক ও পেশাদার গোয়েন্দা ইউনিটে রূপান্তর করেছিলেন। ৫ আগস্ট পরবর্তী সংকটের সময় তাঁর গৃহীত পদক্ষেপগুলো পুলিশের হারানো ইমেজ পুনরুদ্ধারে বড় ভূমিকা রেখেছে।
বঞ্চনা ও লড়াইয়ের ইতিহাস
১৭তম বিসিএসের এই কর্মকর্তা বিগত ফ্যাসিবাদের আমলে দীর্ঘ সময় পদোন্নতি বঞ্চিত ছিলেন। মিথ্যা অভিযোগে চাকরিচ্যুত হয়েও তিনি ভেঙে পড়েননি; ৪ বছরের দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ে সগৌরবে বিজয়ী হয়ে ফিরে এসেছেন। তাঁর এই ফিরে আসা অনেকের কাছেই ঈর্ষার কারণ।
বাস্তবতা বনাম অপপ্রচার
আজ ঢাকা রেঞ্জে বদলি বাণিজ্য নিয়ে যে ভিত্তিহীন গল্প ছড়ানো হচ্ছে, তার কোনো ভিত্তি নেই। আমরা জানি, ওসি পদায়নের এখতিয়ার সংশ্লিষ্ট জেলার এসপির। কিন্তু ষড়যন্ত্রকারীরা এই সত্যকে আড়াল করে স্রেফ চরিত্রহনন করে ফায়দা লুটতে চাইছে।
সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করা ডিআইজি রেজাউল করিম মল্লিকের সহকর্মীরা বলছেন, তাঁর মতো পরীক্ষিত ও সাহসী কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে এই নোংরা প্রোপাগান্ডা বন্ধ হওয়া প্রয়োজন। দেশ যখন সংস্কারের পথে, তখন এমন দক্ষ অফিসারদের যোগ্য সম্মান ও পদায়ন নিশ্চিত করাই হবে ন্যায়বিচার।
ঢাকা টাইমস অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন












































