ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অবদান অনস্বীকার্য: ভূমিমন্ত্রী মিনু

ভূমিমন্ত্রী মো. মিজানুর রহমান মিনু, এমপি বলেছেন, ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলন-সংগ্রামে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) অবদান অনস্বীকার্য।
আজ রাবির ৭৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে র্যালি ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
তিনি বলেন, এই বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করে অনেকেই বিশ্বব্যাপী সেবা দিয়ে যাচ্ছেন। এই বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় সর্বোচ্চ অবদান রাখা মরহুম মাদার বখশের প্রতি আমি শ্রদ্ধা জানাই। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পেছনে যাদের অবদান রয়েছে, তাদের প্রতিও শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।
ভূমিমন্ত্রী মিনু বলেন, উপাচার্য আমার কাছে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন দাবি তুলে ধরেছেন। আমি সবসময় এই বিশ্ববিদ্যালয়ের শুভাকাঙ্ক্ষী। আমাদের সবার প্রিয় প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়া এই বিশ্ববিদ্যালয়ে এসেছেন এবং শিক্ষার্থীদের জন্য অনেক কিছু করেছেন। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও শিক্ষামন্ত্রীও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে আন্তরিক। আশা করি, বিশ্ববিদ্যালয়ের হল, একাডেমিক ভবনসহ সব সংকট দ্রুত নিরসন হবে। আমি খুব শিগগিরই এসব বিষয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে উপস্থাপন করবো।
তিনি বলেন, আর দুই বছর পর বিশ্ববিদ্যালয়ের ৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। আমি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ওই অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার আহ্বান জানাবো। আশা করি, তিনি উপস্থিত থাকবেন। এছাড়া উপাচার্য মহোদয় বড়কুঠি ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নিতে বলেছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের হল ও একাডেমিক ভবনসহ বিভিন্ন সংকট নিরসনে প্রধানমন্ত্রীর কাছে বিষয়গুলো তুলে ধরার।
মন্ত্রী রাবির বৃত্তির জন্য এক সপ্তাহের মধ্যে ১০ লাখ টাকা অনুদানের ঘোষণা দেন। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্মস্থান বড়কুঠিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছেই হস্তান্তর করা হবে বলে আশ্বাস দেন।
সভায় সম্মানীত অতিথি ছিলেন, রাবির সাবেক উপাচার্য প্রফেসর ফাইসুল ইসলাম ফারুকী। মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় কুষ্টিয়ার সাবেক উপাচার্য প্রফেসর রফিকুল ইসলাম।
রাবির উপাচার্য প্রফেসর ড. ফরিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন, রাজশাহী-৩ আসনের এমপি এড. শফিকুল হক মিলন, বিএনপির কেন্দ্রীয় বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক মোহাম্মদ মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল, রাবির উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) প্রফেসর ড. আব্দুল আলিম, রাবির উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) প্রফেসর ড. মামুনুর রশীদ, রাজশাহী সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. মাহফুজুর রহমান রিটন, রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ সুইট।
আলোচনা সভার আগে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি অনুষ্ঠিত হয়। র্যালিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। এতে অতিথি, শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ অন্যান্যরা অংশগ্রহণ করেন।
ঢাকা টাইমস অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন












































