এলজি ইলেকট্রনিক্স সিঙ্গাপুর বাংলাদেশ ব্রাঞ্চ এলজি অ্যাম্বাসেডর চ্যালেঞ্জে ২০২৬-এর বিজয়ীদের নাম ঘোষণা

তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক, ঢাকাটাইমস
  প্রকাশিত : ১৯ আগস্ট ২০২৬, ০৯:২০
অ- অ+

এলজি ইলেকট্রনিক্স সিঙ্গাপুর বাংলাদেশ ব্রাঞ্চ (এলজি) ‘এলজি অ্যাম্বাসেডর চ্যালেঞ্জ ২০২৬’-এর বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করেছে। এ বছর বাংলাদেশের সুবিধাবঞ্চিত ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে কাজ করা পাঁচটি সামাজিক উদ্যোগ নির্বাচিত হয়েছে।

২০১৭ সালে বাংলাদেশে কার্যক্রম শুরুর পর থেকে এলজি অ্যাম্বাসেডর চ্যালেঞ্জ সামাজিক সমস্যার টেকসই সমাধানে উদ্ভাবনী উদ্যোগকে উৎসাহিত করে আসছে। আর্থিক সহায়তা, দিকনির্দেশনা ও বাস্তবায়ন পর্যায়ের সহযোগিতার মাধ্যমে সম্ভাবনাময় প্রকল্পগুলোকে কার্যকর সামাজিক উদ্যোগে রূপ দিতে সহায়তা করে প্রতিষ্ঠানটি।

এ বছরের বিজয়ী প্রকল্পগুলো শিক্ষা, দারিদ্র্য বিমোচন, অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন ও সামাজিক উন্নয়নের মতো গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে অবদান রাখবে।

বিজয়ী পাঁচ প্রকল্প

কোস্টাল লাইফলাইন, কক্সবাজার: মিনহাজ উদ্দিনের নেতৃত্বে পরিচালিত প্রকল্পটি উপকূলীয় অঞ্চলের দুর্যোগ-ঝুঁকিতে থাকা ও অসচ্ছল জনগোষ্ঠীর আর্থিক নিরাপত্তা বৃদ্ধি এবং দারিদ্র্য বিমোচনে কাজ করবে।

অ আ ক খ স্কুল, সিরাজগঞ্জ: মো. আবদুল্লাহ রনির নেতৃত্বে পরিচালিত এই উদ্যোগ সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের শিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণ এবং শিক্ষার মানোন্নয়নে কাজ করবে।

উপকূল অঞ্চলের নিরাপত্তা/ভিএএন প্রজেক্ট, সাতক্ষীরা: মো. হাবিবুল্লাহ আল মামুনের নেতৃত্বে পরিচালিত প্রকল্পটি উপকূলীয় জনগোষ্ঠীর জন্য টেকসই জীবিকার সুযোগ সৃষ্টি ও অর্থনৈতিক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে কাজ করবে।

সুন্দরবনের নারীদের সেলাই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে ক্ষমতায়ন, খুলনা: শুভ কুমার ঘোষের নেতৃত্বে পরিচালিত এই উদ্যোগ নারীদের কারিগরি দক্ষতা উন্নয়নের মাধ্যমে টেকসই আয়ের সুযোগ সৃষ্টি ও অর্থনৈতিক স্বাবলম্বিতা অর্জনে সহায়তা করবে।

প্রজেক্ট উদয়, রাজশাহী: সাবরিনা হকের পরিচালনায় প্রকল্পটি স্থানীয় অসচ্ছল পরিবারগুলোর আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নয়ন এবং জীবনমান বৃদ্ধিতে কাজ করবে।

এলজি জানিয়েছে, আর্থিক সহায়তা দেওয়ার পাশাপাশি বিজয়ী অ্যাম্বাসেডরদের সঙ্গে প্রকল্প বাস্তবায়নের পুরো প্রক্রিয়ায় ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করবে প্রতিষ্ঠানটি। প্রকল্পগুলোর অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ, কার্যকর বাস্তবায়ন এবং স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জীবনে সর্বোচ্চ ইতিবাচক প্রভাব নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দেওয়া হবে।

এলজি ইলেকট্রনিক্স সিঙ্গাপুর বাংলাদেশ ব্রাঞ্চের ব্রাঞ্চ লিডার Sungho Chun বলেন, ২০১৭ সালে বাংলাদেশে এলজি অ্যাম্বাসেডর চ্যালেঞ্জ চালুর পর থেকে অসংখ্য সামাজিক উন্নয়নমূলক প্রকল্পকে সহায়তা করা হয়েছে। এসব উদ্যোগ সমাজে অর্থবহ ও দীর্ঘস্থায়ী ইতিবাচক প্রভাব সৃষ্টি করেছে।

তিনি বলেন, ‘Life’s Good’ শুধু একটি ব্র্যান্ড প্রতিশ্রুতি নয়, মানুষের জীবনকে আরও ভালো করার প্রতি এলজির অঙ্গীকারের প্রতিফলন। স্থানীয় পরিবর্তনসাধকদের ক্ষমতায়ন এবং টেকসই সামাজিক উন্নয়নকে এগিয়ে নিতে প্রতিষ্ঠানটি কাজ করে যাবে।

এলজি জানিয়েছে, উদ্ভাবনের মাধ্যমে মানুষের জীবনমান উন্নয়নের পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানটি বিভিন্ন সামাজিক উন্নয়নমূলক কার্যক্রমেও সক্রিয় রয়েছে। এলজি অ্যাম্বাসেডর চ্যালেঞ্জ তাদের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ করপোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা কর্মসূচি। তৃণমূল পর্যায়ের উদ্ভাবনী উদ্যোগে বিনিয়োগের মাধ্যমে আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক, শক্তিশালী ও টেকসই সমাজ গঠনে অবদান রাখার লক্ষ্য রয়েছে প্রতিষ্ঠানটির।

(ঢাকাটাইমস/১৯ আগস্ট/আরজেড)

google news ঢাকা টাইমস অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন
শীর্ষ খবর সর্বশেষ জনপ্রিয়
সব খবর
গন্ধর্ব্যপুর পানি শোধনাগার প্রকল্পে আর্থিক জটিলতা, পরামর্শক নিয়োগ ওয়াসার
বাংলাদেশে যাত্রা শুরু করল ইন্দোনেশিয়ার জনপ্রিয় আইসক্রিম ও বাবল টি ব্র্যান্ড Ai-CHA
কারাবন্দী ডা. দীপু মনি, স্বামীর জানাজায় অংশ নিতে প্যারোলে মুক্তির আবেদন
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনায় আবারও বাড়লো জ্বালানি তেলের দাম
বিশেষ প্রতিবেদন তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা