নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ সভা-সমাবেশ করলে কঠোর ব্যবস্থা: রিজভী

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সভা-সমাবেশ করার কোনো অধিকার নেই। তারা এ ধরনের কার্যক্রম করলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কঠোর ব্যবস্থা নেবে বলে জানিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদ।
শনিবার রাতে বিএনপির নতুন স্থায়ী কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
বিএনপির সঙ্গে আঁতাত করেই কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ গুলশানে মিছিল করেছে, জামায়াতে ইসলামীর এমন অভিযোগের কড়া জবাব দিয়ে তিনি বলেন, আমাদের কোনো জাতীয় নেতা তো বলেননি যে, আওয়ামী লীগকে ক্ষমা করে দেব। এটা কারা বলেছিল, সেটা নিশ্চয় দেশবাসী ভুলে যায়নি। সুতরাং কে কার সঙ্গে আঁতাত করছে, সেটা জনগণ জানে। ফলে এসব কথা বলে কোনো লাভ নেই।
তিনি বলেন, যারা বেআইনি সংগঠন, নিষিদ্ধ সংগঠন, আদালত তাদের নিষিদ্ধ করেছে। সুতরাং বেআইনি যে সংগঠন, তারা প্রকাশ্যে কোনো কর্মসূচি পালন করতে পারে না। সরকারের কনসার্ন যে মিনিস্ট্রি, অর্থাৎ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ ব্যাপারে দেখবেন, কারা এর সঙ্গে জড়িত আছে এবং সে অনুযায়ী পদক্ষেপ নেবে। তাৎক্ষণিকভাবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সেখানে ভূমিকা রেখেছে। কিছু গ্রেপ্তারও হয়েছে।
রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের ছেড়ে দেওয়া আসনে উপনির্বাচন নিয়েও সভায় আলোচনা হয়েছে বলে জানান তিনি। বলেন, এই শূন্য আসনে নির্বাচন হচ্ছে আগামী ২৯ অক্টোবর। এই আসনে যারা দলের প্রার্থী হতে চান, তাদেরকে দলীয় মনোনয়নপত্র সংগ্রহের জন্য একটি শিডিউল ঘোষণা করছি। আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করবেন যারা প্রার্থী হতে ইচ্ছুক।
তিনি আরও বলেন, মনোনয়ন ফরম জমা দিতে হবে ১৬ সেপ্টেম্বর এবং প্রার্থীদের সাক্ষাৎকার হবে ১৮ সেপ্টেম্বর। মনোনয়ন বোর্ড ইচ্ছুক প্রার্থীদের সাক্ষাৎকার নেবেন। সেটি হবে গুলশানে চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে। সেখানে চূড়ান্ত প্রার্থী ঘোষণা করা হবে।
এ ছাড়াও বিএনপির স্থায়ী কমিটির বৈঠকে ডেঙ্গু প্রতিরোধে বেশকিছু সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেন, ডেঙ্গু সচেতনতা বৃদ্ধিতে সারা দেশে ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা চালাবে বিএনপি। জেলা-উপজেলা পর্যায়ের হাসপাতালে মশারি সরবরাহ করা হবে। এ ছাড়াও ডেঙ্গু প্রতিরোধে নামকরা চিকিৎসক ও বিশেষজ্ঞদের মাধ্যমে তৈরি করা একটি প্রচারপত্র ঢাকাসহ সারা দেশে বিতরণ করা হবে।
রুহুল কবির রিজভী বলেন, সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ডেঙ্গু প্রতিরোধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও গণমাধ্যমসহ রেডিও-টেলিভিশনে সচেতনতামূলক পদক্ষেপ প্রচার করা হবে। সেই সঙ্গে স্কুল, মাদরাসা ও হাটবাজারে যাতে আবর্জনা রাখার জন্য বিনের ব্যবস্থা করা হয়, সে বিষয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়েছে। এ সময় ডেঙ্গু সচেতনতায় যেসব উদ্যোগ নেয়া প্রয়োজন, বিএনপির পক্ষ থেকে সেসব উদ্যোগ নেয়া হবে বলেও জানান তিনি।
ঢাকা টাইমস অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন













