মেধাবী মুখ

‘ভাল একজন মানুষ হতে চাই’

সাজ্জাদ বাবু, ঢাকাটাইমস
 | প্রকাশিত : ০৪ মে ২০১৭, ১৭:৫৩

ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক উম্মে সালমা তানজিয়া ও গোপালগঞ্জের জেলা প্রশাসক মোকলেসুর রহমান দম্পতির জ্যেষ্ঠ তনয়া কাব্য কনীনিকা রহমান এবারের এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে বিজ্ঞান বিভাগ হতে জিপিএ-৫ (গোল্ডেন এ+) পেয়ে পেয়েছে। তিনি ঢাকা  ভিকারুন্নেসা নুন স্কুল অ্যান্ড কলেজের আজিমপুর শাখার বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্রী।

কাব্য কনীনিকা রহমান ঢাকাটাইমসকে বলেন, ‘আমার মা-বাবা আমার আদর্শ। আমি আমার মা-বাবার মত ভাল একজন মানুষ হতে চাই। দীর্ঘক্ষণ পড়াশোনা না করলেও আমি নিয়মিত রুটিন করে পড়াশোনা করেছি। আমি মনেপ্রাণে বিশ্বাস করি, ভাল ফলাফল করতে হলে নিয়মিত অধ্যাবসায়ের বিকল্প নেই- যা সকলেরই করা উচিত।’   

প্রাচ্যের অক্সফোর্ড খ্যাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের যে কোন ভাল বিষয়ে উচ্চ শিক্ষা নিতে চান কাব্য। তিনি ভবিষ্যতে প্রশাসন ক্যাডারে মা-বাবার মত সৎ একজন কর্মকর্তা হিসেবে চাকরি করার ইচ্ছা করেন। কাব্য পড়াশোনার পাশাপাশি খুব ভাল গান করেন। ঢাকা ছায়ানটের নিয়মিত ছাত্রী ছিলেন তিনি। কাব্য কনীনিকা রহমান নিয়মিত খেলাধুলাও করেন। ব্যাডমিন্টন খেলায়ও বেশ পারদর্শী। বই পড়া, বাংলাদেশ দলের ক্রিকেট খেলা দেখা তার খুবই পছন্দের।  বিভিন্ন দেশের ভাষা শেখা এবং সে ভাষায় গান করতে খুব ভালবাসেন কাব্য।

কাব্য কনীনিকা রহমানের মা ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক উম্মে সালমা তানজিয়া তার কন্যার এ ভাল ফলাফলের ব্যাপারে বলেন, ‘মা হিসেবে আমার মেয়ের এ ফলাফলে আমি আসলেই অত্যন্ত গর্বিত ও আনন্দিত। আমার দুটি কন্যা সন্তান-  কাব্য বড়। আর ছোট প্রজ্ঞা পরমিতা ক্লাস ৮-এ ফরিদপুর সরকারি উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের ছাত্রী। আমি আমার সন্তানদের রবি ঠাকুরের একটি কবিতার ‘ভাল মন্দ যাহাই আসুক, সত্যকে লও সহজে’- এই দুটি লাইনের উদ্ধৃতি সবসময় দেই। আর আমার সন্তানদের কাছে প্রত্যাশা করি, তারা যেন ভাল মানুষ হয়। আমি কখনই পড়াশোনা বা কোন কিছুই বাচ্চাদের উপর চাপিয়ে দেইনি। কাব্য কনীনিকাকে পড়ার কথা কখনই বলতে হয়নি। সে পড়াশোনার ব্যাপারে অত্যন্ত মনোযোগী। সবাই আমার মেয়ের জন্য দোয়া করবেন।’

(ঢাকাটাইমস/৪মে/এলএ)

সংবাদটি শেয়ার করুন

বাংলাদেশ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন ফিচার বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত