সাক্ষাৎকারে বায়রার মহাসচিব

মালয়েশিয়ার বাজার নিঃসন্দেহে সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে

হাবিবুল্লাহ ফাহাদ ও সৈয়দ ঋয়াদ
| আপডেট : ২০ নভেম্বর ২০১৯, ১১:৪১ | প্রকাশিত : ২০ নভেম্বর ২০১৯, ০৮:১৫
(বায়রা) মহাসচিব শামীম আহমেদ চৌধুরী নোমান

এক বছরের বেশি সময় ধরে বন্ধ মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার খুলতে যাচ্ছে শিগগিরই। দুই দেশের মন্ত্রী পর্যায়ে এ নিয়ে একাধিক বৈঠক হয়েছে। এ মাসের শেষ দিকে মালয়েশিয়ার প্রতিনিধিদল আসবে ঢাকায়। ওই বৈঠকেই বাজার খোলার সুসংবাদ আসতে পারে, মনে করছেন সংশ্লিষ্ট সব পক্ষ। আগের মতো নির্ধারিত এজেন্সি বা সিন্ডিকেট নয়, এবার সবার জন্য বাজারটি উন্মুক্ত রাখার ব্যাপারে সজাগ জনশক্তি রপ্তানিকারকরা।

সম্প্র্রতি এ নিয়ে ঢাকা টাইমসের সঙ্গে কথা বলেছেন জনশক্তি রপ্তানিকারকদের সংগঠন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ইন্টারন্যাশনাল রিক্রুটিং এজেন্সির (বায়রা) মহাসচিব শামীম আহমেদ চৌধুরী নোমান। বলেছেন, যাদের বৈধ রিক্রুটিং লাইসেন্স আছে, তারা প্রত্যেকেই মালয়েশিয়া লোক পাঠাতে পারবে, এ বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই। প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী বলেছেন, যোগ্য এজেন্সির সবাই লোক পাঠাতে পারবে। তবে স্বল্প অভিবাসন ব্যয়ে পাঠাতে হবে। এ ব্যাপারে তিনি কোনো ছাড় দেবেন না বলে শক্তভাবে বলে দিয়েছেন।

সাক্ষাৎকার নিয়েছেন হাবিবুল্লাহ ফাহাদ ও সৈয়দ ঋয়াদ

বর্তমান বৈদেশিক শ্রমবাজারকে কীভাবে মূল্যায়ন করবেন? বাজার কি সংকুচিত হয়েছে নাকি বেড়েছে?

বর্তমান বৈদেশিক শ্রমবাজারকে আমি সংকুচিত বলব না। প্রসারিতই বলব। দুই ধরনের বাজার আছে। একটি হচ্ছে ট্রাডিশনাল মার্কেট। যেটাকে আমরা মূলত মধ্যপ্রাচ্য বলে থাকি। ফারইস্টের (পূর্ব এশিয়া) দেশগুলোর মধ্যে যেমন মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর ও ব্রুনাই। মূলত এই ১০-১২টি দেশেই আমাদের শ্রমবাজার। যদিও আমরা বলি বিশ্বের ১৬৫টি দেশে আমরা জনশক্তি রপ্তানি করি। কিন্তু আমরা যদি লোকসংখ্যা দেখি, কোন দেশে কত লোক যাচ্ছে, জনশক্তি রপ্তানিতে বড় দেশগুলো বলতে আমরা এ দুটি সাইটকেই বোঝাই।

এর মধ্যে দীর্ঘ সময় ধরে মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি বাজার বন্ধ। কুয়েতের বাজার বন্ধ ছিল। সরকারের প্রচেষ্টায় সেটি খুলেছে। ধাপে ধাপে বাড়ছে। কাতারের বাজার বন্ধ ছিল। এটি আবার খুলেছে। সৌদি আরবের বাজার ৭-৮ বছর বন্ধ থাকার পর ২০১৫-১৬ সাল থেকে আবার চালু হয়েছে। মালয়েশিয়ার বাজারটি ২০০৮ সাল থেকে বন্ধ থাকার পর ২০১৬ সালে এসে খুলেছিল। ২০১৮ সালে এসে সেটি আবার বন্ধ হয়ে যায়। আবার সেটি চালু হওয়ার পথে আছে। সম্প্রসারণের দিক থেকে জাপান একটি নতুন বাজার। দুই দেশের মধ্যে কর্মী পাঠানোর বিষয়ে যে সমঝোতা হলো, সেটি নবম দেশ হিসেবে।

ইস্টার্ন ইউরোপের অনেক দেশেই লোক নিচ্ছে। রোমানিয়া, স্লোভাকিয়া, ক্রোয়েশিয়াসহ আরও বেশ কিছু দেশে আমাদের লোক যাওয়া শুরু করেছে। নতুন আরেকটি দেশ যুক্ত হয়েছে যেমন কম্বোডিয়া। এ ছাড়া চীন আছে। কম্বোডিয়াতে আমাদের একটি ব্যাচ গিয়েছে। আরও কিছু কাজ পাইপলাইনে আস্তে আস্তে আসছে। তার মানে আমরা যদি দেখি পূর্ব এশিয়া, মধ্যপ্রাচ্য, পূর্ব ইউরোÑ এখন আমরা বলছি যে, আমাদের আরেকটি সাইট আছে, যেমন লাওস, ভিয়েতনাম ও থ্যাইল্যান্ড মিলিয়ে একটা সাইট আছে। সেখানে আমাদের একটি বড় শ্রমবাজার আছে। এসব দেশে প্রবেশ করা দরকার। কম্বোডিয়া থেকে এটি শুরু হয়েছে। এটি একটি বেল্টের মতো। এভাবে আমাদের শ্রমবাজার বড় হচ্ছে।

জনশক্তি রপ্তানির মন্দা কাটিয়ে চাঙাভাব ধরে রাখতে কী ধরনের পদক্ষেপ প্রয়োজন?

সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে সব কটি বাজার একসঙ্গে খোলা রাখতে হবে। আমাদের যে শ্রমবাজার আছে, এগুলো যদি দীর্ঘস্থায়ী হয়, তাহলে কর্মী পাঠানো বাড়বে। অভিবাসন ব্যয়ও কমে আসবে। যেটি আমাদের বড় আলোচনার বিষয়। কর্মীরা অনেক ব্যয় করে বিদেশে যান। এটি কমে আসবে। এ ক্ষেত্রে আমাদের কর্মীদের দক্ষতা বাড়াতে হবে।

জনশক্তি রপ্তানির ক্ষেত্রে দক্ষ জনশক্তি বলতে কী বোঝানো হয়?

একটি হচ্ছে, হার্ড স্কিল বা কারিগরি দক্ষতা। আরেকটি হচ্ছে সফট স্কিল। এটা হচ্ছে, যোগাযোগ, সচেতনতা, কর্মস্থল বা দেশ সম্পর্কে জ্ঞান থাকা, শারীরিক সক্ষমতা। এটি যদি আমরা নিশ্চিত করতে পারি, তাহলে আমাদের কর্মীদের গুণগত মান বাড়বে। বেতন বাড়বে। অসদ্ব্যবহার বন্ধ হবে। হয়রানি বন্ধ হবে।

জনশক্তি রপ্তানির বিষয়ে সম্প্রতি বায়রা প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রীর সঙ্গে কয়েক দফা বৈঠক করেছে। বৈঠকের আলোচ্য বিষয় কী ছিল?

মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কথা হয়েছে। এর মধ্যে অভিবাসন ব্যয় কী করে নিয়ন্ত্রণ করা যায়, সেটি বেশ গুরুত্ব পেয়েছে। এ বিষয়ে বায়রার একটি প্রস্তাব মন্ত্রণালয় গ্রহণ করেছে। মন্ত্রণালয় একটি সেন্ট্রাল ডেটাবেস তৈরি করেছে। কর্মী পাঠানোর পুরো প্রক্রিয়াটা নিয়ন্ত্রণ করার জন্য। সম্ভবত মালয়েশিয়া দিয়ে এই ডেটাবেসের কাজ শুরু হবে। এতে যে সুবিধাটি হবে, কর্মী প্লেসমেন্টের মাধ্যমে এ কাজটি সম্পন্ন হবে। আর ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে অভিবাসন ব্যয় ও আর্থিক লেনদেন নিয়ন্ত্রিত হবে। স্বচ্ছতার ফলে অভিবাসন ব্যয় কমে আসবে।

কবে নাগাদ মালয়েশিয়ার বাজার খুলতে পারে বলে মনে করেন?

কিছুদিন আগে মালয়েশিয়া ও বাংলাদেশের মন্ত্রী পর্যায়ে একটি বৈঠক হয়েছে। সেখানে কর্মী পাঠানোর বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়েছে। চলতি মাসের শেষ সপ্তাহে মালয়েশিয়ার একটি প্রতিনিধিদল ঢাকায় আসবে। কোন প্রক্রিয়ায় কাজ হবে, সেসব বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে। দ্রুত সময়ের মধ্যে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার বাংলাদেশিদের জন্য খুলে যাবে। সব ঠিক থাকলে হয়তো আগামী মাস অর্থাৎ ডিসেম্বর থেকে কর্মী পাঠানো শুরু হতে পারে।

দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার যে খুলতে যাচ্ছে, এটি কি সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে নাকি নির্ধারিত কিছু এজেন্সি কাজ করবে?

এ বিষয়ে বায়রা সজাগ আছে। যাদের বৈধ রিক্রুটিং লাইসেন্স আছে, তারা প্রত্যেকেই মালয়েশিয়া লোক পাঠাতে পারবে, এ বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই। আমাদের মন্ত্রণালয় ও মালয়েশিয়া প্রতিনিধিদের সঙ্গে কথা হয়েছে। প্রক্রিয়া চূড়ান্ত হলে আরো কথা হবে। যারা যোগ্য আছেন, তারা সবাই কাজ করার সুযোগ পাবেন। মাননীয় মন্ত্রী বলেছেন, যোগ্য এজেন্সির সবাই লোক পাঠাতে পারবেন। তবে স্বল্প অভিবাসন ব্যয়ে পাঠাতে হবে। এ ব্যাপারে তিনি কোনো ছাড় দেবেন না বলে শক্তভাবে বলে দিয়েছেন। আমরা যারা কর্মী পাঠাব, তাদের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে নিতে হবে।

কী পরিমাণ জনশক্তি মালয়েশিয়ায় যেতে পারবে বলে ধারণা করছেন?

সম্প্রতি মালয়েশিয়ায় মানবসম্পদমন্ত্রী তাদের সংসদে একটি বক্তব্য দিয়েছেন। যেখানে তিনি বলেছেন, এ মুহূর্তে তাদের ছয় লাখের বেশি কর্মী দরকার। আমরা যদি সুযোগটা কাজে লাগাতে পারি, তবে ধারাবাহিকভাবে কাজ করতে পারব। সে জন্য আমাদের কর্মীদের আরও বেশি দক্ষ করে গড়ে তুলতে হবে।

স্বল্প অভিবাসন ব্যয় নিশ্চিতের জন্য কী করা প্রয়োজন?

এটি নির্ভর করে সরকারের নিয়ন্ত্রণের ওপর। ভালোভাবে নজরদারি করতে হবে। একটি সুবিধার বিষয় হচ্ছে, সরকারের ডেটাবেসের বাইরে কেউ যেতে পারবে না। অর্থের লেনদেনও হবে সরকারের ব্যাংকিং চ্যানেলে। তাই এ ক্ষেত্রে অতিরিক্ত অর্থ আদায় সম্ভব হবে না। তবে এটিকে নজরদারির মধ্যে রাখতে হবে।

বায়রার পক্ষ থেকে মালয়েশিয়ার সরকারকে একটি চিঠি দেওয়া হয়েছিল। চিঠিতে আপনাদের কী পরামর্শ ছিল?

সেই বিষয়ে মন্ত্রী মহোদয়ের সঙ্গে বায়রার সভাপতি কথা বলেছেন। কর্মী পাঠানোর পদ্ধতি বা প্রক্রিয়া ঠিক করবে দুই দেশের সরকার। আমরা সেটি অনুসরণ করব। আমরা শুধু চিঠি দিয়ে জানিয়েছি যে এর আগে আমরা কর্মী পাঠাতে কী ধরনের অসুবিধার মুখোমুখি হয়েছি। সামনে কীভাবে কাজ হবে, এটা সরকার ঠিক করবে।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের বাজারটি বন্ধ। এটি খোলার বিষয়ে কোনো অগ্রগতি আছে কি না?

হ্যাঁ, আছে। সুসংবাদ সামনে আসছে। আগামী বছরের শুরুতেই দুবাইয়ের শ্রমবাজারটি খুলতে যাচ্ছে। মালয়েশিয়া ও দুবাই একসঙ্গে খুললে খুবই ভালো হবে। এতে কর্মী পাঠানোর ক্ষেত্রে বড় পরিবর্তন আসবে।

বিদেশে পাঠানোর জন্য কর্মীকে যেভাবে গড়ে তুলতে হয়, আমরা কি সেটা পারছি?

কর্মী পাঠানোর ক্ষেত্রে আমাদের দেশ নিয়মকানুন সেভাবে মানা হয় না। বিদেশে যে কর্মী পাঠানো হয়, তাদের প্রশিক্ষণের বিষয়টিকে গুরুত্ব দিতে হবে। শুধু কারিগরি দক্ষতা নয়, সফট স্কিলের বিষয়টিও নিশ্চিত করতে হবে। আপনারা শুনেছেন বৈধ কাগজপত্র থাকার পরও সৌদি আরব থেকে কিছু কর্মী ফেরত আসছে। এ ক্ষেত্রে দেখা গেছে, তাদের কাগজপত্র বৈধ কিন্তু কাজের ক্ষেত্রটি বৈধ নয়। যেখানে কাজ করার কথা, সেখানে না করে অন্যত্র করছে। যেটার অনুমতি নেই। এখানে তার জানার সীমাবদ্ধতা ছিল। সেই দেশের আইনকানুন সম্পর্কে কর্মীরা যদি অবগত থাকতেন, তাহলে তারা এ কাজ করতেন না। বিদেশে পাঠানোর আগে এসব বিষয়ে তাদের প্রশিক্ষণ দেওয়া প্রয়োজন আছে।

সবাইকে আবার একই প্রশিক্ষণ দেওয়া যাবে না। দেশভেদে নিয়মকানুন আলাদা। সেভাবেই তাদের তৈরি করতে হবে। ভিসা আসার আগে কর্মীদের হাতে সময় থাকে। কর্মী যে দেশে যাবেন, সে দেশের ভাষা, খাদ্যাভ্যাস, সব বিষয়ে সম্যক জ্ঞান নিতে হবে।

সৌদি আরবে নারী গৃহকর্মী পাঠানো বন্ধ করতে জাতীয় সংসদে সংসদ সদস্যরা দাবি করেছেন। বায়রা এটিকে কীভাবে দেখছে?

সৌদির মাননীয় রাষ্ট্রদূত একটি টেলিভিশন চ্যানেলে এ নিয়ে কথা বলেছেন। সেখানে তিনি উল্লেখ করেন, ৭ থেকে ৮ পার্সেন্ট নারী বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হয়ে বিদেশ থেকে ফিরে আসেন। তার মানে, আপনি  একটি দেশে মানুষ পাঠানো বন্ধ করে দেবেন? তাতে সমস্যা কি দূর হবে? যে নারীরা মধ্যপ্রাচ্য থেকে চলে আসেন, তারা নানা ধরনের সমস্যার মুখোমুখি হন। আমাদের যে মা-বোনেরা প্রবাসে যাচ্ছেন, আমরা কি তাদের জন্য বিকল্প ব্যবস্থা করতে পেরেছি? আমরা কি জানি তাদের অর্থনৈতিক অবস্থাটা কী? প্রবাসী নারীদের নিয়ে কাজ করেন, এমন একজন কর্মী সেদিন টক শোতে বলছিলেন, নেপাল নারী কর্মী পাঠানো বন্ধ করে দিয়েছে। কিন্তু নারী কর্মী যাওয়া তো বন্ধ হয়নি। তারা বিভিন্নভাবে অন্য দেশ বা রাস্তা হয়ে যাচ্ছে।

তাহলে নারী কর্মীরা কেন ফিরে আসছেন বলে মনে করেন?

অনেক কারণ আছে। এর মধ্যে দেশের বা পরিবারের জন্য তাদের মন কাঁদে, যেটাকে হোমসিকনেস বলে। এ ছাড়া খাদ্যাভ্যাস, ভাষাগত সমস্যা, কাজের প্রেশার, সবকিছু মিলিয়ে পেরে উঠতে না পারলেই চলে আসছেন। এর মধ্যে শারীরিক নির্যাতনের কিছু বিষয় আছে। লাশ হয়ে ফিরে আসা কিংবা সেক্সুয়াল হেরেসমেন্ট হওয়া, এটা আমাদের কারও কাছেই কাম্য নয়। দিন শেষে আমিও একজন মানুষ। আমরা যদি এসব বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে না পারি, তাহলে এ ধরনের অপরাধ রোধ করতে পারব না। কর্মী পাঠানো বন্ধ করে দিলে বিকল্প কী হবে? বরং নারীদের নিরাপত্তার জন্য স্ট্রং মনিটরিংয়ের ব্যবস্থা থাকতে হবে।

নারী কর্মীদের সুরক্ষায় আরও কী ধরনের ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ আছে?

১৪-১৫টি দেশ থেকে সৌদি আরবে নারী কর্মী যাচ্ছে। তারা কীভাবে তাদের নারীদের নিরাপত্তা দিচ্ছে, সে বিষয়গুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করতে হবে। তাদের দূতাবাসগুলো কী করে এসব ঘটনা নিয়ন্ত্রণ করে, তা জানতে হবে। আমাদের দেশের প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রণালয়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। তাহলে কোনো কর্মী বিপদে পড়লে বা অত্যাচারের শিকার হলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে ওই দেশের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া সম্ভব হবে। আর যে চাকরিদাতা নারী নির্যাতন বা যৌন হয়রানি করেন, তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি তাদের কালো তালিকাভুক্ত করতে হবে। আর কাদের মাধ্যমে নারী কর্মীরা কীভাবে যাচ্ছে সেটিও নজরদারির মধ্যে থাকতে হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

সাক্ষাৎকার বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

শিরোনাম :