করোনার ছুটিতে খোলা ব্যাংকে টাকা তোলার ঝোঁক

অর্থনৈতিক প্রতিবেদক, ঢাকাটাইমস
| আপডেট : ২৯ মার্চ ২০২০, ১৩:০১ | প্রকাশিত : ২৯ মার্চ ২০২০, ১২:৩২
ফাইল ছবি

করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে দেশের সরকারি-বেসরকারি অফিস-আদালত বন্ধ থাকলেও দেশের সাধারণ মানুষের আর্থিক সংকট মোকাবেলায় সীমিত পরিসরে চালু রয়েছে ব্যাংক। আজ রবিবার সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবস সকাল ১০টা থেকে ১২টা পর্যন্ত লেনদেন হয় ব্যাংকে। এই সময়ে যেসব গ্রাহক ব্যাংকে গিয়েছেন তাদের প্রায় সবাই টাকা উত্তোলন করেছেন।

আগামী ২ এপ্রিল পর্যন্ত সকাল ১০টা থেকে বেলা ১২টা পর্যন্ত লেনদেন চালু থাকবে বিভিন্ন ব্যাংকের গুরুত্বপূর্ণ শাখা।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বিশেষ ব্যবস্থার প্রথম দিন আজ ব্যাংকগুলোতে গ্রাহক উপস্থিতি ছিল খুবই কম। ইসলামী ব্যাংকের নবাবপুর শাখায় খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বেলা ১১টা পর্যন্ত ১ ঘণ্টায় এ শাখায় ৮ জন গ্রাহক গেছেন। তাদের মধ্যে কেউ টাকা জমা দেননি, সবাই টাকা তুলেছেন।

সিটি ব্যাংকের উত্তরা শাখায় ১১টা ২০ মিনিট পর্যন্ত ৩০ জন গ্রাহক লেনদেন করেন। এর মধ্যে ৩-৪ জন টাকা জমা দিয়েছেন। বাকি সবাই নগদ উত্তোলন করেন।

সাউথবাংলা এগ্রিকালচার অ্যান্ড কমার্স ব্যাংকের দিলকুশার প্রিন্সিপাল শাখায়ও প্রথম দেড় ঘণ্টায় কেউ টাকা জমা দেননি। বেলা সাড়ে ১১টা পর্যন্ত ব্যাংকে উপস্থিত হওয়া ১০ জন গ্রাহক টাকা তুলেছেন।

এক্সিম ব্যাংক, ডাচ্-বাংলা ব্যাংক, এনআরবিসি, এনসিসি ও মেঘনা ব্যাংকে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে গ্রাহক উপস্থিতি খুবই কম।

গত ২৬ মার্চ থেকে আগামী ৪ এপ্রিল পর্যন্ত দেশে ছুটি চলছে। এর মধ্য ২৯ মার্চ থেকে ২ এপ্রিল পর্যন্ত সাধারণ ছুটি। এর আগে ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবস, ২৭ ও ২৮ মার্চ সাপ্তাহিক ছুটি এবং ৩ ও ৪ এপ্রিল সাপ্তাহিক ছুটি মিলিয়ে টানা ১০ দিনের অবসর সরকারি-বেসরকারি চাকুরেদের।

গ্রাহকের লেনদেনের সুবিধার্থে রবিবার (২৯ মার্চ) থেকে বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) পর্যন্ত সাধারণ ছুটির সময় ৫ দিন সীমিত আকারে ব্যাংক খোলা থাকবে।

গত ২৪ মার্চ (মঙ্গলবার) এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, শুধু নগদ জমা ও উত্তোলনের জন্য অনলাইন সুবিধা থাকা ব্যাংকগুলো গ্রাহকদের লেনদেনের সার্বিক সুবিধা নিশ্চিত করে শাখাগুলোর মধ্যে দূরত্ব বিবেচনায় নিয়ে প্রয়োজনীয় সংখ্যক শাখা খোলা রাখা যাবে। অনলাইন সুবিধা ছাড়া ব্যাংকের শাখাগুলো শুধু নগদ জমা ও উত্তোলনের জন্য খোলা রাখা যাবে। জরুরি বৈদেশিক লেনদেনের জন্য এডি শাখাগুলো খোলা রাখা যাবে। এটিএম ও কার্ডের মাধ্যমে লেনদেন চালু রাখার সুবিধার্থে এটিএম বুথগুলোয় পর্যাপ্ত নোট সরবরাহ রাখতে হবে এবং সার্বক্ষণিক চালু রাখার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।

(ঢাকা টাইমস/২৯মার্চ/আরএ/মোআ)

সংবাদটি শেয়ার করুন

অর্থনীতি বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

শিরোনাম :