চাকরি থেকে বরখাস্ত হলেন ডা. সাবরিনা

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকাটাইমস
| আপডেট : ১২ জুলাই ২০২০, ১৯:১৭ | প্রকাশিত : ১২ জুলাই ২০২০, ১৮:৫২

করোনার নমুনা পরীক্ষার ভুল রিপোর্ট দেয়ার অভিযোগে গ্রেপ্তারে পর এবার সরকারি চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হলো ডা. সাবরিনা শারমিন হুসাইনকে। তিনি জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটের কার্ডিয়াক সার্জারি বিভাগের রেজিস্টারের দায়িত্বে ছিলেন।

রবিবার স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ থেকে জারি করা এক অফিস আদেশে সাময়িক বরখাস্তের কথা জানানো হয়।

এর আগে দুপুরে করোনার নমুনা সংগ্রহ করে ফেলে দিয়ে পড়ে মনগড়া রিপোর্ট দেয়ার অভিযোগে কথিত স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন জেকেজির চেয়ারম্যান ডা. সাবরিনাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। যদিও তার দাবি এই প্রতিষ্ঠানের তিনি চেয়ারম্যান নন। জেকেজির প্রতারণার বিষয়টি জানার পর থেকে তিনি তাদের সঙ্গে কোনো সম্পৃক্ততাও নেই। করোনাকালে তিনি এদের কিছু পরামর্শ দিতেন।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আবদুল মান্নান স্বাক্ষরিত অফিস আদেশে বলা হয়, যেহেতু ডা. সাবরিনা শারমিন হুসাইন সরকারি চাকরিতে কর্মরত অবস্থায় বেসরকারি প্রতিষ্ঠান জেকেজির চেয়ারম্যান হিসেবে কর্মরত ছিলেন এবং করোনার টেস্টের ভুয়া রিপোর্ট প্রদান ও অর্থ আত্মসাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ছিলেন বিধায় আজ পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করেছে।

এতে বলা হয়, সরকারি কর্মকর্তা হয়ে সরকারের অনুমতি ছাড়া বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান পদে অধিষ্ঠিত থাকা ও অর্থ আত্মসাত সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা ২০১৮ অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য অপরাধ তাই তাকে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮র বিধি ১২ (১) অনুযায়ী সাময়িক বরখাস্ত করা হলো।

সাময়িক বরখাস্ত থাকাকালে বিধি মোতাবেক তিনি খোরপোষ ভাতা পাবেন বলেও জানানো হয়েছে।

রবিবার দুপুরে তাকে তেজগাঁও বিভাগীয় উপ-পুলিশ (ডিসি) কার্যালয়ে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

এদিকে পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) মোহাম্মদ হারুন অর রশিদ জানিয়েছেন, তদন্তে জেকেজির প্রতারণার সঙ্গে ডা. সাবরিনা আরিফের সংশ্লিষ্টতা পাওয়ায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। আগামীকাল তাকে রিমান্ডে পেতে আদালতে আবেদন করবে পুলিশ।

সম্প্রতি ভুয়া করোনা রিপোর্ট তৈরির অভিযোগে জেকেজির সিইও ও ডা. সাবরিনার স্বামী আরিফ চৌধুরীসহ বেশ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

পুলিশ জানতে পারে, জেকেজি হেলথকেয়ার থেকে ২৭ হাজার রোগীকে করোনার টেস্টের রিপোর্ট দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে ১১ হাজার ৫৪০ জনের করোনার নমুনার আইইডিসিআরের মাধ্যমে সঠিক পরীক্ষা করানো হয়েছিল। বাকি ১৫ হাজার ৪৬০ জনের রিপোর্ট প্রতিষ্ঠানটির ল্যাপটপে তৈরি করা হয়। জব্দ করা ল্যাপটপে তার প্রমাণ মিলেছে।

(ঢাকাটাইমস/১২জুলাই/বিইউ/জেবি)

সংবাদটি শেয়ার করুন

জাতীয় বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

শিরোনাম :