সূফি মিজানকে নিয়ে হতে পারে গবেষণা

ঢাকাটাইমস ডেস্ক
| আপডেট : ২৩ নভেম্বর ২০২০, ২২:৫৪ | প্রকাশিত : ২৩ নভেম্বর ২০২০, ২২:১৪

শিক্ষা নয় কেবল, তিনি দীক্ষাও দেন। ৮০০ কোটি টাকার ওপর রাজস্ব দেয় তার প্রতিষ্ঠান। তাও আবার সংখ্যায় ৩০টির ওপরে। এখনো তিনি নিয়মিত অফিস করেন নিয়ম মেনে। এই আশির কাছাকাছি বয়সেও সদ্য তিরিশ পেরোনো যুবকের শক্তিতে এগোন তিনি। তিনি একজন কষ্টিপাথর! শান্তি, সুখ ও সমৃদ্ধির বার্তাবাহক।

পিএইচপি ফ্যামিলি এই তিন নীতিতে প্রতিষ্ঠিত। সূফি মিজানুর রহমানের পিএইচপি। অথবা পিএইচপির সূফী মিজান। দুই শব্দ এখন একে অপরের সমার্থক।

জীবিত অবস্থায় একুশে পদক পাওয়া প্রথম শিল্পপতি সূফি মিজান। যেখানেই গিয়েছেন, সাফল্য করায়ত্ত হয়েছে। মুখে সদা স্মিত হাসি বুঝতে দেয় না, কতটা পথ পেরিয়ে আজকের সূফি মিজান তিনি। কতটা পথ মাড়িয়ে নতুন নতুন পথের জন্ম দিচ্ছেন তিনি।

দশ হাজারের বেশি কর্মী তার পিএইচপি ফ্যামিলিতে কাজ করছেন। কর্মীরা কখনোই তাকে আগে সালাম দিতে পারেননি। সূফি শব্দটা কেবলই একটা উপাধি নয় তার কাছে। চলনে-ভূষণে তিনি আদতেই একজন সূফি।

এক ব্যবসায়ী মিজান সাহেবকেই জানা সম্ভব হয়ে ওঠেনি এখনো। এর বাইরেই তো রয়েছে হাজারো পরিচয়। কখনো মোটিভেটর, কখনো পাবলিক স্পিকার, বা কখনো আপাদমস্তক একজন ওয়ায়েজীন। দখলে রেখেছেন একাধিক ভাষাও। এমন একজন মানুষকে নিয়ে গবেষণা ও তাকে চট্টগ্রামের ব্র্যান্ড ফেস করার দাবি উঠেছে।

ফেসবুক ভিত্তিক গ্রুপ টিম সাঁকোর পেজে এমন দাবি তোলা হয়েছে। যেখানে সহমত প্রকাশ করেছেন শত শত মানুষ।

বহির্বিশ্বের কথা বাদ দেই, পাশের দেশ ভারতেই এমন উদাহরণ অহরহ। টাটা, বিরলা, আম্বানি নিয়ে এখন সেখানে পিএইচডি হচ্ছে। মুকেশ আম্বানি, রতন টাটা বা আজিম প্রেমজিরা বহু আগেই একাডেমিক পাঠ্য হয়ে গিয়েছেন সেখানে। একটা আফসোস তো কাজ করেই; মিজান সাহেবকে নিয়ে এখনো সেই অর্থে তেমন কিছু চোখে পড়েনি। নিজের অনেকগুলো পরিচয়ের একটা কিন্তু শিক্ষা উদ্যোক্তাও তিনি।

চট্টগ্রাম এমনিতেই ব্যবসায়ীদের শহর। খাতুনগঞ্জ, চাক্তাই, রিয়াজুদ্দিন বাজার বা পোর্ট; চাঁটগা মানেই ব্যবসায়ীদের আঁতুড়ঘর। সাধারণে যেমন অসাধারণ তিনি, তেমনি খুব সহজেই তাকে আলাদা করা যায় বাকি ব্যবসায়ীদের থেকে। বহু আগেই একটা প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছেন তিনি।

ব্র্যান্ডিংয়ের দৃষ্টিকোণ থেকে এমন অনেক ব্যাপার কিন্তু আছে যেখানে প্রমিন্যান্ট মানুষগুলোকে প্রপার ওয়েতে কাজে লাগানো যায়। উদাহরণ দিতে গেলে বলতে হয়, ভারতে গুজরাটের ফেস বা অ্যাম্বাসেডর কিন্তু অমিতাভ বচ্চন। পশ্চিমবঙ্গে যেমন শাহরুখ, পাঞ্জাবে সম্প্রতি যেমন সোনু সুদকে নেয়া হয়েছে।

খুব কি অত্যুক্তি হবে মিজান সাহেব যদি চাঁটগার ব্র্যান্ডিং ফেস হন! মনে হয়, বিকল্প খোঁজার চেষ্টাটুকুও করতে হবে না। দেশের উন্নয়নে, সামগ্রিক উন্নয়নে এভাবে ব্র্যান্ডিংয়ের প্রচলন বহু আগে থেকেই হয়ে আসছে।

সবার আশা সূফী মিজানকে নিয়ে সিরিয়াস কিছু একাডেমিক রিসার্চ হবে ও তিনি ব্র্যান্ড হিসেবে সমাদৃত হবেন আরও বড় পরিসরে।

ঢাকাটাইমস/২৩নভেম্বর/ইএস

সংবাদটি শেয়ার করুন

অর্থনীতি বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

শিরোনাম :