বন্ধ বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের ব্যক্তিগত মালামাল!

পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার ধুলিয়া ইউনিয়নের ৫ নম্বর চরচাঁদকাঠি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যেন এখন ঘর-বাড়ি। বিদ্যালয়ের বিভিন্ন কক্ষে কুমড়া, টমেটো, ধান, মরিচ ও খড়কুটো রাখা আছে। এ কারণে কক্ষগুলো অপরিচ্ছন্ন হয়ে পড়েছে। অভিযোগ রয়েছে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নির্মল চন্দ্র পাইক করোনাকালে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকার সুযোগে বিদ্যালয়টি নিজের ব্যক্তিগত এসব কাজে ব্যবহার করছেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ৫ নম্বর চর চাঁদকাঠি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যায়টি ১৯৭২ সালে প্রতিষ্ঠা করা হয়। এরপর ২০১২ সালে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতরে (এলজিইডি) আওতায় দ্বিতল ভবন নির্মাণ করা হয়। ওই বিদ্যালয় বর্তমানে ১৬০ জন শিক্ষার্থী রয়েছেন।
সরেজমিন দেখা গেছে, বিদ্যালয়ের নিচতলায় খড়কুটা রাখা হয়েছে। দ্বিতীয় তলায় শ্রেণি কক্ষগুলোতে ধান, মিষ্টি কুমড়া, টমেটোসহ নানা ধরণের সবজি মজুদ করে রেখেছেন। শ্রেণি কক্ষজুড়ে ধান রেখে শুকানো হচ্ছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিদ্যালয়ের এক শিক্ষক বলেন, পাঠদান বন্ধের সুযোগকে কাজে লাগিয়ে ওই বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক নির্মল চন্দ্র পাইক শ্রেণি কক্ষগুলো তার ঘর বাড়িতে পরিণত করেছেন। এতে করে বিদ্যালয়ের পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে।
নির্মল চন্দ্র পাইক বলেন, বিদ্যালয় বন্ধ থাকায় ব্যবহার করছি। বিদ্যালয় খুললে সব পরিস্কার করে দেব।
এ ব্যাপারে ওই বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি আবদুল সালাম মৌলভী সাংবাদিকদের বলেন, করোনাকালে বিদ্যালয় বন্ধ। তাই ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক শ্রেণি কক্ষগুলো ব্যবহার করছেন।
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা রিয়াজুল ইসলাম বলেন, এ ব্যাপারে খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।
(ঢাকাটাইমস/১৮মে/কেএম)
ঢাকা টাইমস অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন
মন্তব্য করুন













































