এক্সকেভেটর নষ্ট, আদি বুড়িগঙ্গার উদ্ধারকাজ বিঘ্নিত

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকাটাইমস
 | প্রকাশিত : ২৫ অক্টোবর ২০২১, ১৮:৪৭

আদি বুড়িগঙ্গার জায়গা দখল করে গড়ে তোলা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযানের দ্বিতীয় দিনের শুরুতেই নষ্ট হয়ে যায় এক্সকেভেটর।এতে বিঘ্নিত হয় উচ্ছেদ অভিযান। তবে কোনো রকম হাতুড়ি দিয়েই উদ্ধারকাজ চালিয়ে যান শ্রমিকরা। দিনভর চলে নদী উদ্ধার অভিযান।

রবিবার সকাল ১০টা থেকে কামরাঙ্গীরচরের কালুনগর মৌজার মাহাদীনগরে এই উচ্ছেদ অভিযান শুরু করে বিআইডব্লিউটিএ। অভিযানের নেতৃত্বে দেন বিআইডব্লিউটিএর যুগ্ম পরিচালক এবং ঢাকা নদীবন্দর কর্মকর্তা গুলজার আলী। অভিযানে বিআইডব্লিউটিএ’র সঙ্গে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটও অংশ নেন।

এদিকে এলাকাবাসীর অভিযোগ, অভিযানে প্রভাবশালীদের বড় বড় ভবন বাদ দেওয়া হচ্ছে। ম্যাটাডোর কোম্পানি ও পান্না ব্যাটারি হাউজকে অভিযানে ছাড় দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ তাদের।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে বিআইডব্লিউটিএর যুগ্ম পরিচালক এবং ঢাকা নদীবন্দর কর্মকর্তা গুলজার আলী ঢাকা টাইমসকে বলেন, ভুক্তভোগীরা যাদের কথা বলছেন সেই প্রতিষ্ঠান দুটি রয়েছে কামরাঙ্গীরচর মৌজায়। আমাদের কালুনগর মৌজায় ১৩টি অবৈধ স্থাপনা রয়েছে। আমরা দুই দিনে এই স্থাপনা উচ্ছেদ করবো। পরবর্তী সময়ে আমরা যতদূর সম্ভব খাল খননের জন্য আগামীতে আবারও উচ্ছেদ অভিযান শুরু করবো। তখন ছোট-বড় সেটা আমাদের বিবেচনায় থাকবে না।’

ঢাকা নদীবন্দর কর্মকর্তা বলেন, ‘আপনারা এর আগেও দেখেছেন, জেলা প্রশাসন ও বিআইডব্লিউটিএ উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেছে সেখানে অনেক বড় প্রভাবশালীদের স্থাপনাও ছিল, সবই নদীর স্বার্থে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এখানেও যদি তেমন কিছু থাকে আমরা সেটাও গুঁড়িয়ে দেব এবং সেটা উদ্ধার করবো। হাইকোর্ট থেকে নির্দেশনা দিয়ে যেগুলো চিহ্নিত করে দেওয়া হয়েছে আমরা অবশ্যই সেগুলো উচ্ছেদ করবো।’

গুলজার আলী বলেন, ‘আমাদের প্রত্যাশা আদি বুড়িগঙ্গার পুরো খালটা উদ্ধার করা। আজকে আমাদের এখনো আরও কিছু কাজ বাকি রয়েছে। এখনো এখানে যে অভিযানটি বাকি রয়েছে আশা করছি এক থেকে দেড় একর জায়গা উদ্ধার হবে। খালটা খনন করলে এলাকাবাসীরই উপকার বেশি হবে। কারণ স্বাভাবিক অবস্থা ফিরে এলে দুই পাশের যে লোকালয় গড়ে উঠেছে এদের পানি, বর্জ্য সবকিছু নিষ্কাশন ব্যবস্থা ভালো হবে।’

গুলজার আলী আরও বলেন, ‘আমাদের হাইকোর্টের নির্দেশনায় যেগুলো আমাদের তালিকা করে দেওয়া হয়েছে সেগুলো আমরা উচ্ছেদ করছি। আমাদের টোটাল ১৪টি। তার মধ্যে কালুনগর মৌজায় ১৩টি আর বাকিগুলো কামরাঙ্গীরচর মৌজায়। কালুনগর মৌজা শেষ করে কামরাঙ্গীর চর মৌজায় শুরু করবো।’

(ঢাকাটাইমস/২৫অক্টোবর/আরকে/জেবি)

সংবাদটি শেয়ার করুন

জাতীয় বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

শিরোনাম :