চাঁদাবাজির মামলায় ৮ বছরের কারাদণ্ড ইউপিডিএফ নেতা মাইকেল চাকমার

ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্টের (ইউপিডিএফ–প্রসীত গ্রুপ) নেতা মাইকেল চাকমার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির মামলায় আট বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় সুমন চাকমা নামের আরও একজনকেও একই মেয়াদের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
বুধবার রাঙামাটি অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ তাওহিদুল হক এ রায় দেন। তবে বিষয়টি জানাজানি হয় বৃহস্পতিবার।
এদিন বিষয়টি নিশ্চিত করেন রাঙামাটি অতিরিক্ত জেলা জজ আদালতের বেঞ্চ সহকারী প্রসাদেব চাকমা।
প্রসাদেব চাকমা জানান, ২০০৭ সালে রাঙামাটি লংগদু থানায় চাঁদাবাজির এক মামলায় এ রায় দেয় আদালত। রায় ঘোষণার সময় মাইকেল চাকমা ও সুমন চাকমা আদালতে অনুপস্থিত ছিলেন। তাদের অনুপস্থিতিতে এ রায় দেওয়া হয়।
মাইকেল চাকমা ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট-ইউপিডিএফের কেন্দ্রীয় সংগঠক।
২০১৯ সালের ৯ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জের কাঁচপুর এলাকা থেকে সাংগঠনিক কাজ শেষে ঢাকায় ফেরার পথে মাইকেল চাকমাকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয় বলে তার পরিবার ও দল অভিযোগ করে। এরপর থেকে তার কোনো হদিস মেলেনি।
মাইকেল চাকমাকে উদ্ধারের দাবিতে ইউপিডিএফ ও তার সহযোগী সংগঠন, প্রগতিশীল ও মানবাধিকার সংগঠন, শিক্ষক-নাগরিক সমাজসহ পরিবারের লোকজন নানা কর্মসূচি পালন করেছেন।
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালসহ মানবাধিকার নিয়ে কাজ করা ব্যক্তিরাও উদ্বেগ প্রকাশ করে মাইকেল চাকমার সন্ধান দেওয়ার জন্য সরকারের কাছে দাবি জানিয়ে আসছিলেন।
এর মধ্যে ২০২৪ সালের ৫ অগাস্ট আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকার পতনের পর তার সন্ধান মেলে।
এখন এসে আবার চাঁদাবাজির মামলায় কারাদণ্ড হল তার।
আদালতের রায়ের প্রতিক্রিয়ায় ইউপিডিএফের প্রচার ও প্রকাশনা বিভাগের প্রধান নিরন চাকমা ফেইসবুক পোস্টে লেখেন, “মাইকেল চাকমা ৫ বছরের বেশি গুমের শিকার হয়ে নির্যাতন সহ্য করেছেন। এই সময়ে এসে তাকে নতুন করে কারাদণ্ড দেওয়ার কী মানে আছে। মাইকেল চাকমাকে রাষ্ট্রের এত ভয় পাওয়ার কী আছে?”
(ঢাকাটাইমস/১০অক্টোবর/এলকে)
ঢাকা টাইমস অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন













































