‘সাব-এডিটরকে কোনোভাবেই দলকানা হওয়া যাবে না’

একজন রিপোর্টারকে যেমন ন্যায়সঙ্গত, সাহসিকতা ও নিরপেক্ষতার সঙ্গে নির্বাচনের নিউজ কাভার করতে হবে। তেমনই নির্বাচনী প্রতিবেদন এডিট করার ক্ষেত্রেও সাব-এডিটরকে কোনোভাবেই দলকানা হওয়া যাবে না বলে মন্তব্য করেছেন দৈনিক আমার দেশ পত্রিকার ডেপুটি এডিটর সুলতান মাহমুদ ও সিনিয়র সাংবাদিক জিয়াউর রহমান।
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ (পিআইবি) আয়োজিত ‘নির্বাচনকালীন সাংবাদিকতা বিষয়ক প্রশিক্ষণে’ এ মন্তব্য করেন তারা। পিআইবি মিলনায়তনে বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) ও শুক্রবার দুদিনব্যাপী প্রশিক্ষণে অংশ নেন ঢাকা সাব এডিটরস কাউন্সিলের ৫০ সদস্য।
প্রশিক্ষণের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি ওবায়দুর রহমান শাহিন।
এছাড়াও বক্তব্য দেন সমন্বয়ক সিনিয়র প্রশিক্ষক গোলাম মুর্শেদ, প্রশিক্ষক সিনিয়র সাংবাদিক জিয়াউর রহমান, আমার দেশের উপ-সম্পাদক সুলতান মাহমুদ, ঢাকা সাব এডিটর কাউন্সিলের সভাপতি মুক্তাদির অনিক, সাধারণ সম্পাদক জওহর ইকবাল খান, কোষাধ্যক্ষ নাজিম উদ দৌলা সাদী এবং প্রশিক্ষণ ও গবেষণা সম্পাদক তারেক হোসেন বাপ্পি প্রমুখ।গণভোট, জুলাই জাতীয় সনদ ও গণভোট ২০২৬, নির্বাচন ও সংবিধান, নির্বাচনী বাজেট, ইত্যাদি বিষয়গুলো তুলে ধরেন সুলতান মাহমুদ। তিনি বলেন, ‘জনমত তৈরি করাও সাংবাদিকের কাজ। ‘হ্যা’ বা ‘না’ ভোটের ক্ষেত্রে সাংবাদিকরা কাউকে বাধ্য করতে পারবে না। সাংবাদিক হিসেবে কারও পক্ষ নিতে পারবে না। দলকানা হলে চলবে না।’
প্রশিক্ষণের দ্বিতীয় দিনে নির্বাচন কমিশন, ভোটার তালিকা হালনাগাদ, নির্বাচন সম্পর্কিত নীতিমালা, নির্বাচনে মিডিয়ার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ইত্যাদি বিষয়গুলো আলোচনায় তুলে ধরেন জিয়াউর রহমান।
তিনি জানান, রাজনৈতিক দলগুলো নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য রেজিস্ট্রেশন থাকতে হবে। সেই সঙ্গে ২১ জেলায় কমিটি থাকতে হবে। ইসি কমিটিতে ৩৩ শতাংশ নারী প্রতিনিধিত্ব থাকতে হবে।
তিনি আরও জানান, এবারের নির্বাচনে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) সংশোধন অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর গেজেট জারি করেছে সরকার। এবারের জাতীয় নির্বাচনে যুক্ত হয়েছে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ নতুন বিধান। সংশোধিত অধ্যাদেশে ‘না ভোট’ পুনরায় চালু হওয়া থেকে শুরু করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) অপব্যবহারকে নির্বাচনী অপরাধ হিসেবে গণ্য করার মত নানা বিধান অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। আদালত ঘোষিত ফেরারি আসামি প্রার্থী হতে পারবেন না। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সংজ্ঞায় সশস্ত্র বাহিনী ( সেনা, নৌ, বিমান ও কোস্ট গার্ড) যুক্ত হয়েছে। একক প্রার্থীর আসনে ‘না ভোট’ ফিরছে। সমান ভোট পেলে লটারির বদলে হবে পুনঃভোট। জোটগত নির্বাচনে নিজ দলের প্রতীকে ভোট বাধ্যতামূলক।
দ্বিতীয় দিনের প্রশিক্ষণ শেষে প্রশিক্ষণার্থীদের সবার হাতে সনদপত্র তুলে দেন প্রশিক্ষকদ্বয় ও ঢাকা সাব এডিটর কাউন্সিলের নেতারা।
(ঢাকা টাইমস/০৬ফেব্রুয়ারি/এসএ)
ঢাকা টাইমস অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন













































