শাহজালাল বিমানবন্দর এলাকায় শব্দ দূষণ করলে কঠোর ব্যবস্থা: ডিএনসিসি প্রশাসক

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এলাকায় শব্দ দূষণ করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান।
শুক্রবার গুলশান-২ গোল চত্বরে বিশ্ব পরিবেশ দিবস-২০২৬ উদযাপন উপলক্ষে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন, পরিবেশ অধিদপ্তর, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) ও বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) সমন্বয়ে শব্দ সচেতনতামূলক সমাবেশ ও র্যালিতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন।
ডিএনসিসি প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান বলেন, ‘শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এলাকাকে নিরব এলাকা ঘোষণা করা হয়েছে। আজ থেকে এই এলাকা নিরব এলাকা হিসেবে থাকবে। এখানে কোন শব্দ দূষণ থাকবে না। কেউ যদি আইন অমান্য করে তাহলে শব্দ দূষণ নিয়ন্ত্রণে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করবে।’
তিনি আরও বলেন, গুলশান, বনানী, নিকেতন ও বারিধারা নিরব এলাকা হিসেবে ঘোষিত এবং এসব এলাকার সোসাইটির সহযোগিতায় নগরবাসীর জন্য ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন শব্দ দূষণ ও বায়ু দূষণ মুক্ত পরিবেশ গড়ে তুলতে পারবে । আমরা যদি আন্তরিকভাবে সচেষ্ট হই এবং যারা পরিবেশ নিয়ে কাজ করেন, তাদের সহযোগিতায় কিছুটা হলেও শব্দ ও বায়ু দূষণ নিয়ন্ত্রণ সম্ভব। আমরা বলছি না একদিনেই এটা শতভাগ করা সম্ভব, তবে নগরবাসীর সহযোগিতায় এটা বাস্তবায়নের মাধ্যমে প্রমাণ করে দেখাবো।
পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. লুৎফর রহমান বলেন, শব্দ দূষণ নিয়ন্ত্রণে পরিবেশ অধিদপ্তর নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। শব্দ দূষণ নিয়ন্ত্রণে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য ঢাকা শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়কের ডিভাইডারে সচেতনতামূলক বার্তা সম্বলিত সাইনবোর্ড টাঙানো, পত্রিকা বিজ্ঞাপন প্রকাশ, বিভিন্ন টিভি চ্যানেলে পিভিসি প্রচার এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ক্যাম্পেইন পরিচালনা করা হচ্ছে।
ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মো. আনিসুর রহমান বলেন, শব্দ দূষণ নিয়ন্ত্রণ বিধিমালা ২০২৫ এ ট্রাফিক পুলিশকে ক্ষমতা প্রদানের পর থেকে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ট্রাফিক বিভাগ ব্যাপকভাবে শব্দ দূষণ নিয়ন্ত্রণের জন্য কাজ করছে এবং এর সুফল নগরবাসী ধীরে ধীরে পাবেন। তিনি শব্দ দূষণরোধে নগরবাসীকে সহযোগিতার আহ্বান জানান।
সমাবেশে গুলশান সোসাইটি, নিকেতন সোসাইটি, বনানী সোসাইটি ও বারিধারা সোসাইটির প্রতিনিধিবৃন্দ, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন ও পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ, গ্রীন সেভার্সের কর্তৃপক্ষ, ডিএমপির সদস্যগণ ও বিআরটি এর কর্মকর্তাবৃন্দসহ নাগরিক সমাজের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
ঢাকা টাইমস অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন












































