‘আর্থিক সংকটে চিকিৎসা হতো না’, সেনাবাহিনীর কল্যাণে দৃষ্টি ফিরে পেয়ে আবেগাপ্লুত উপকারভোগীরা

দৃষ্টিহীনদের পাশে আলো হয়ে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর মহালছড়ি জোন। পৃথিবীর আলো নতুন করে দেখতে পাচ্ছে খাগড়াছড়ি জেলার মহালছড়ি উপজেলার ৮৪ জন পাহাড়ি-বাঙালি নর-নারী। এখন দৃষ্টিশক্তি ফিরে পাওয়াদের দোয়া ও প্রশংসায় ভাসছেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সদস্যরা।
উল্লেখ্য, এর আগে দীঘিনালা সেনা জোনের সহযোগিতায় ৬৭ জন সফল অপারেশন শেষে বাড়ী ফিরেছেন। বর্তমানে তারা সুষ্ঠু ভাবে পৃথিবীর আলো উপভোগ করছেন।
৭ মে থেকে ১২ মে পর্যন্ত ২৪ পদাতিক ডিভিশনের তত্ত্বাবধানে খাগড়াছড়ি রিজিয়নের আওতাধীন মহালছড়ি সেনা জোনের উদ্যোগে সুবিধাবঞ্চিত এক হাজার পাহাড়ি-বাঙালি নর-নারীকে চিকিৎসা প্রদানের পাশাপাশি ১২৭ জনের চোখের ছানি অপারেশনের জন্য তালিকাভুক্ত ও শতাধিক ব্যক্তিকে বিনামূল্যে চশমা প্রদান করা হয়। পরবর্তী ধাপে চোখের অপারেশনের আগ্রহী ৮৪ জন পাহাড়ি-বাঙালি নর-নারীকে অপারেশন সহ উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম লায়ন্স চক্ষু হাসপাতালে পাঠানো হয়। এ ক্ষেত্রে মহালছড়ি সেনা জোন রোগীদের আসা-যাওয়া খাওয়াসহ যাবতীয় খরচ বহন করেন। চোখের আলো ফিরে পেয়ে তারা সেনাবাহিনীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন। অনেকে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন।
খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার অনেক এলাকা দুর্গম হওয়ায় সেখানে চিকিৎসকদের জন্য চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দেওয়া কঠিন। সেনাবাহিনীই দুর্গম এলাকায় একমাত্র ভরসা।
মহালছড়ি জোনের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ক্যাপ্টেন বোরহান উদ্দিন বায়েজিদ বলেন, মানবিকতা ও দায়িত্ববোধ থেকে এ উদ্যোগ। চিকিৎসার পর রোগী ও তাদের স্বজনদের হাসিমুখ এটাই আমাদের সার্থকতা।
মহালছড়ি সেনা জোন শুধু চিকিৎসাসেবাই করেননি, বরং ৮৪ জন মানুষের জীবনে ফিরিয়ে দিয়েছেন নতুন আশা ও নতুন সম্ভাবনা। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর এ ধরণের জনহিতকর কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে জানান মহালছড়ি জোন কমান্ডার লে. কর্নেল মো. আল-জাবির আসিফ।
ঢাকা টাইমস অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন













































