শহীদ জিয়ার আদর্শে ঐক্যবদ্ধ হয়ে বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে হবে: মৎস্য প্রতিমন্ত্রী

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেছেন, যারা ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে আন্দোলন করেছে তাদের সবাইকে বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে।
শনিবার মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (মাভাবিপ্রবি) পরিবারের উদ্যোগে বিশ্ববিদ্যালয়ের তৃতীয় একাডেমিক ভবনে মহান স্বাধীনতার ঘোষক, বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তক এবং আধুনিক বাংলাদেশের স্থপতি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষ্যে আয়োজিত ‘জীবন, কর্ম ও আদর্শ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
এ সময় প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশপ্রেমের এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিলেন। তিনি শুধু স্বাধীনতার ঘোষণা দেননি, নিজে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছেন এবং যুদ্ধের নেতৃত্বও দিয়েছেন। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর তিনি আবার নিজের দায়িত্বে ফিরে গিয়েছিলেন-উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, তাঁর মধ্যে ক্ষমতার কোনো লোভ ছিল না। তিনি রাষ্ট্রকে দুর্ভিক্ষের হাত থেকে মুক্ত করে খাদ্য উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতার পথে এগিয়ে নিয়েছিলেন এবং দেশের চাহিদা মিটিয়ে বিদেশেও রপ্তানি করেছেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, শহীদ জিয়ার অবর্তমানে বেগম খালেদা জিয়া দীর্ঘ ১৭ বছর নির্যাতন-নিপীড়ন সহ্য করে গণতন্ত্রের পক্ষে কাজ করেছেন। বিএনপিকে কেউ ফ্যাসিস্ট বলতে পারেনি এবং ভবিষ্যতেও পারবে না। ‘করব কাজ, গড়ব দেশ-সবার আগে বাংলাদেশ’-এই স্লোগানকে সামনে রেখে শহীদ জিয়ার সুযোগ্য সন্তান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে জনগণের প্রত্যাশা পূরণে সবাইকে কাজ করতে হবে।
অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কামরুল আহসান।
বিশেষ আলোচক ছিলেন মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম শহিদুল ইসলাম।
সভায় সভাপতিত্ব করেন মাভাবিপ্রবির কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) বিভাগের অধ্যাপক ড. মোস্তফা কামাল নাসির।
বিশেষ আলোচকের বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম শহিদুল ইসলাম বলেন, জিয়াউর রহমান ছিলেন একজন সাহসী রাষ্ট্রনায়ক ও দূরদর্শী নেতা। তাঁর কর্মময় জীবন, দেশপ্রেম এবং নেতৃত্বগুণ নতুন প্রজন্মের জন্য অনুকরণীয়।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু, বিএনপি সদর উপজেলার সাবেক সভাপতি ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মো. আজগর আলী।
ঢাকা টাইমস অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন












































