তিন মাসের মধ্যে ৫০ হাজার শিক্ষক নিয়োগের উদ্যোগ নেয়া হবে: শিক্ষামন্ত্রী

শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, আগামী তিন মাসের মধ্যে দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর জন্য ৫০ হাজার শিক্ষক নিয়োগের উদ্যোগ নেয়া হবে।
সোমবার নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী এবং ডিনস ও ভাইস চ্যান্সেলর অ্যাওয়ার্ড প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, প্রধান শিক্ষকদের মামলা চলমান থাকায় দেশে ৬৫ হাজারের মধ্যে ৩২ হাজার প্রধান শিক্ষক পদোন্নতি পায় না। আমি সংসদে বলার পর সেটি আদালতের নজরে এসেছে। আশা করি, আগামী ২ জুলাই এটি সমাধান হবে। ফলে আমরা আগামী তিন মাসের ভেতরে আরও ৫০ হাজার প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ দিতে পারব।
এবারের এইচএসসি পরীক্ষায় বড় পরিবর্তন আনা হয়েছে বলে জানিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, এবার দেশের নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে অভিন্ন প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডসহ মোট ১১টি বোর্ডে যেসব বিষয়ের পাঠ্যক্রম ও বিষয়বস্তু অভিন্ন, সেসব বিষয়েও একই প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা নেয়া হবে।
বিগত দুই সরকারের সমালোচনা করে তিনি বলেন, আমাদের মাদরাসা শিক্ষকরা মে-জুন মাসের বেতন পাচ্ছে না। ২০১৭ সালে একটি ইলেকট্রিক ফান্ড ট্রান্সফার প্রজেক্ট (ইটিএফ) হাতে নেয়া হয়েছিল। ১০ কোটি টাকার প্রজেক্ট এসে দাঁড়িয়েছে ৮০ কোটি টাকায়। কিন্তু প্রজেক্ট শেষ হয় না। গত ইন্টেরিয়ম গভমেন্ট ১৭ হাজার মাদরাসা শিক্ষক নিয়োগ দিয়েছে। কিন্তু অটোমেটিক ফান্ডট্রান্সফারে প্রোগ্রাম না থাকায় কি পরিমাণ টাকা মাদরাসার শিক্ষকদের বেতনের জন্য বরাদ্দ করতে হবে তারা বুঝেননি। প্রতি মাসে ৫০০ কোটি টাকার ওপরে মাদরাসা শিক্ষকদের প্রয়োজন হয়। এই শিক্ষক নিয়োগ দিয়ে গিয়ে তাদের বেতনের ব্যবস্থা করেনি। আমাদের কাছে ১০০ কোটি টাকা ছিল ওই ১০০ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়ে দিয়েছি। জুলাই মাসে এসে সবার বেতন পরিশোধ করব। একবার ভেবে দেখুন একজন মাদরাসা শিক্ষক প্রতি মাসে বেতন পায়। এক মাস বেতন না পেলে তার কি পরিমাণ ভোগান্তি যায়। বিগত সরকারগুলো না করল ইটিএফ, না করল অ্যালোগেইট মানি, যে এই বাজেটে এত দরকার। এভাবে সরকার চালিয়েছে।
মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শিক্ষার জন্য ব্যাপক কাজ করছেন। কারিগরি শিক্ষাকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। বাংলাদেশের জনসংখ্যাকে মানবসম্পদে রূপান্তর করতে হবে। এই জনসংখ্যা কারিগরি শিক্ষায় শিক্ষিত করতে পারলে আমাদের আয় বহুগুণ বেড়ে যেত। ৬ষ্ঠ শ্রেণি থেকে কারিগরি শিক্ষাকে কিভাবে গুরুত্ব দেওয়া যায়। সেই বিষয়টি ভেবে দেখা হচ্ছে। মাদরাসা শিক্ষাকে আধুনিকায়ন করা হচ্ছে। আমরা অত্যন্ত ভাগ্যবান তারেক রহমানের মতো একজন প্রধানমন্ত্রী পেয়েছি।
ঢাকা টাইমস অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন












































