ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে তবু বহাল প্যাথলজি ইনচার্জ, কী বলছেন সিভিল সার্জন! 

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি, ঢাকাটাইমস
  প্রকাশিত : ২২ জুন ২০২৬, ১৬:৪৯| আপডেট : ২২ জুন ২০২৬, ১৬:৫৪
অ- অ+

ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট সদর হাসপাতালের প্যাথলজি বিভাগে মেডিকেল টেকনোলজিস্ট থাকা সত্ত্বেও পরিচ্ছন্নতাকর্মী দিয়ে বিভিন্ন রোগ নির্ণয়মূলক পরীক্ষা করানো, রোগীদেও ভোগান্তিসহ বিভিন্ন অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ল্যাব ইনচার্জকে শোকজ করা হয়েছিল। পরে একজন মেডিক্যাল টেকনোলজিস্টকে বদলি করা হলেও স্বপদে বহাল রয়েছেন প্রধান অভিযুক্ত ল্যাব ইনচার্জ রেজাউল করিম। এ ঘটনায় জেলার সিভিল সার্জন জনবল সংকটের দোহাই দিচ্ছেন।

অনুসন্ধানে জানা যায়, গত ১১ জুন হাসপাতালের প্যাথলজি বিভাগের ইনচার্জ রেজাউল করিম এবং মেডিক্যাল টেকনোলজিস্ট শোয়েবকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দেওয়া হয়। তাদের অভিযোগ, ল্যাবে মেডিকেল টেকনোলজিস্ট থাকা সত্ত্বেও পরিচ্ছন্নতাকর্মী দিয়ে বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা করানো। এছাড়া কর্মসময়ে নিয়মিত অনুপস্থিত থাকার অভিযোগও ছিল ল্যাব ইনচার্জ রেজাউল করিমের বিরুদ্ধে।

অভিযোগ রয়েছে, দীর্ঘদিন ধওে তারা প্যাথলজি বিভাগে পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের দিয়ে রোগীর নমুনা সংগ্রহ ও পরীক্ষার মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজ পরিচালনা করে আসছিলেন। এতে রোগ নির্ণয়ের সঠিকতা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয় রোগী ও তাদের স্বজনদের মধ্যে।

শোকজের বিষয়টি গোপনীয় থাকলেও দেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমে এই হাসপাতালের প্যাথলজির বিভিন্ন অনিয়ম নিয়ে সংবাদ প্রকাশিত হলে প্রশাসনে তোলপাড়ের সৃষ্টি হয়। মেডিক্যাল টেকনোলজিস্ট শোয়েবকে নবীনগরে বদলি করা হয়। কিন্তু প্রধান হোতা প্যাথলজি বিভাগের ইনচার্জ রেজাউল করিম স্বপদে বহাল রয়েছেন।

হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, রেজাউল করিম ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট সদর হাসপাতালের এক প্রভাবশালী চিকিৎসকের নিকটাত্মীয়। সেই প্রভাব ব্যবহার করে নানা অন্যায্য সযোগ-সুবিধা নেন তিনি। ল্যাবের অভিজ্ঞতা ও চাকরিকাল কম হওয়া সত্ত্বেও ল্যাব ইনচার্জের দায়িত্ব পান তিনি।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন রোগী ও স্বজন জানান, অনেক সময় ল্যাবে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের পাওয়া যায় না। এতে নমুনা জমা দেওয়া, রিপোর্ট সংগ্রহ এবং প্রয়োজনীয় তথ্য জানতে গিয়ে তাদের ভোগান্তিতে পড়তে হয়।

রেজাউল করিমকে শোকজের বিষয়ে হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. রতন কুমার ঢালী বলেন, ল্যাব ইনচার্জ রেজাউল করিমকে তার দায়িত্বে অবহেলার কারণে শোকজ করা হয়।

তার বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ার বিষয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সিভিল সার্জন ডা. মো. নোমান মিয়া বলেন, হাসপাতালে জনবল সংকট রয়েছে। সব বদলি কিংবা শাস্তি দিলে কাজ করানোর মানুষ পাওয়া যাবে না।

(ঢাকাটাইমস/২২জুন/মোআ)

google news ঢাকা টাইমস অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন
শীর্ষ খবর সর্বশেষ জনপ্রিয়
সব খবর
চলতি বছরে বি‌টি‌ভির আয় ব্যয় হিসাব দিলেন তথ্যমন্ত্রী
নিষিদ্ধ আ.লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে এনসিপির বিক্ষোভের নির্দেশ
মালয়েশিয়া থেকে বিনিয়োগ নিশ্চিত করাই সরকারের মূল উদ্দেশ্য: মাহদী আমিন
হাম উপসর্গে আরও তিন শিশুর মৃত্যু
বিশেষ প্রতিবেদন তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা