‘সঠিক সময় সঠিক তথ্য দিতে পারে না বিবিএস’

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো বা বিবিএসের কর্মকাণ্ডে নাখোশ খোদ পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। তিনি বলেছেন, এই সংস্থাটির প্রতিবেদন সব সময় সঠিক হয় না।
সকালে পরিকল্পনা কমিশনে বাংলাদেশের অর্থনীতি নিয়ে মিট দ্য প্রেসে এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন মন্ত্রী।
সরকারের অর্থনৈতিক পরিকল্পনা প্রণয়নে পরিসংখ্যার ব্যুরোর দেয়া তথ্যের ওপর নির্ভর করতে হয় সরকারকে। কিন্তু এই সংস্থাটির তথ্য নিয়ে নানা সময় অর্থনীতিবিদরা অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। একই বিষয়ে পরিসংখ্যান ব্যুরো এবং বিদেশি সংস্থার প্রতিবেদনের তথ্যে গরমিল এক নিয়মিত চিত্র।
পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, ‘বিবিএস সঠিক সময় সঠিক তথ্য দিতে পারে না’। এই অবস্থা থেকে সংস্থাটিকে বের করে আনতে সরকারের পরিকল্পনা রয়েছে বলেও জানান তিনি।
মন্ত্রী বলেন ‘তাদের (বিবিএস) জনবলে ঘাটতি রয়েছে। সেগুলো আমরা পূরণ করবো। এছাড়া বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজকে (বিআইডিএস) বিশ্ববিদ্যালয়ের আদলে একটি প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা আছে।’
এই বিশ্ববিদ্যালয়ে আধুনিক কিছু বিষয় সংযোজন করে ছাত্র ভর্তি করা হবে বলেও জানান মুস্তফা কামাল। এটিকে আধুনিকীকরণ করতে প্রয়োজনে আইন সংশোধন করা হবে বলেও জানান মন্ত্রী।
সরকারকে নানা তথ্য দিতে ১৯৭৪ সালের আগে পরিসংখ্যান ব্যুরো, কৃষি পরিসংখ্যান ব্যুরো, কৃষি শুমারি কমিশন এবং আদমশুমারি কমিশন নামে চারটি আলাদা সংস্থা কাজ করতো। কিন্তু সমন্বয়ের অভাব বা নানা ভুলভ্রান্তির কারণে ১৯৭৪ সালের আগস্টে চারটি পরিসংখ্যান সংস্থার অবলুপ্তি ঘটিয়ে ‘বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো’ প্রতিষ্ঠা করা হয়।
১৯৭৫ সালের জুলাইয়ে প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণের জন্য পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিসংখ্যান বিভাগ গঠন করা হয়। পরে এই বিভাগকে 'পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগ' এ রূপান্তর করা হয়। এর সদরদপ্তর ঢাকায়।
২০১৩ সাল পর্যন্ত ব্যুরোর ২৩টি আঞ্চলিক পরিসংখ্যান অফিস, ৪৮৯টি উপজেলা বা থানা অফিস ছিল। বর্তমানে আটটি বিভাগীয় কার্যালয় রয়েছে। ৬৪টি জেলা পরিসংখ্যান অফিস এবং ৪৮৯টি উপজেলা অফিস রয়েছে। ২০১৩ সালে আঞ্চলিক কার্যালয়গুলো বিলুপ্ত করা হয়।
ঢাকাটাইমস/১৫জানুয়ারি/টিএ/ডব্লিউবি
ঢাকা টাইমস অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন










































