নাকুগাঁও স্থলবন্দর দিয়ে আসবে কয়লা ও পাথর

শেরপুর প্রতিনিধি, ঢাকা টাইমস
| আপডেট : ১৫ নভেম্বর ২০১৮, ১৭:০২ | প্রকাশিত : ১৫ নভেম্বর ২০১৮, ১৭:০১

শেরপুরের নালিতাবাড়ীর নাকুগাঁও স্থলবন্দর দিয়ে ভুটান থেকে আমদানি করা হবে কয়লা ও পাথর।  এ লক্ষ্যে  ভুটানের রপ্তানিকারকদের সঙ্গে কয়েক দফা বৈঠক করেছে বাংলাদেশের ব্যবসায়ীরা। স্থানীয়রা বলছেন, এ উদ্যোগ সফল হলে স্থলবন্দর এলাকায় ফিরে আসবে কর্মচাঞ্চল্য।

নাকুগাঁও কাস্টমস কার্যালয় সূত্র জানায়, স্থলবন্দরটি ২০১৫ সালের ১৮ জুলাই পূর্ণাঙ্গ স্থলবন্দর হিসেবে ঘোষণা করে সরকার। আমদানিকারকরা শুরু থেকেই ভারত থেকে কয়লা ও পাথর আমদানি করেন এ বন্দর দিয়ে। পরে ভারতের মেঘালয় রাজ্যের শিলং জেলার একটি পরিবেশবাদী সংগঠন ন্যাশনাল গ্রিন ট্রাইব্যুনাল (এনজিটি) আদালতে কয়লা ও পাথর উত্তোলন বন্ধে একটি রিট দায়ের করে।

এর ফলে ভারতের পরিবেশবিষয়ক ওই আদালত অস্থায়ীভাবে খনি থেকে কয়লা উত্তোলন ও স্থানান্তর করা বন্ধের নির্দেশ দেয়। এতে ভারত থেকে কয়লা এবং পাথর আমদানি বন্ধ হয়ে যায়। ফলে বেকার হয়ে পড়েন প্রায় তিন হাজার শ্রমিক।

নাকুগাঁও কয়লা ও পাথর আমদানি-রপ্তানিকারক সমিতির সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘ভারতের পরিবেশবাদী সংগঠনের করা আদালতে ওই রিটের কারণে ভারত থেকে কয়লা ও পাথর আমদানি বন্ধ রয়েছে দীর্ঘদিন। তাই বিকল্প পথ হিসেবে আমরা ভুটানের ব্যবসায়ীদের সাথে কয়েক দফা বৈঠক করেছি। খুব শিগগির কয়লা, পাথর ও ফলমূল আমদানি করবো। এছাড়া সকল বৈধ পণ্য আমরা ভারতে রপ্তানি করতে পারবো বলে আশা করছি।’

নাকুগাঁও কাস্টমস অফিসের সহকারী কাস্টমস কর্মকর্তা নাজমুল বলেন, ‘আইনি জটিলতার কারণে ভারত থেকে কয়লা ও পাথর আমদানি বন্ধ রয়েছে। পাথর অল্প পরিসরে আসলেও তা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল। ভুটানের সাথে এ বন্দর দিয়ে পণ্য আমদানি-রপ্তানি শুরু হলে এবং ভারতে অভ্যন্তরীণ সৃষ্ট সমস্যা সমাধান হলে অচিরেই এ বন্দরে কর্মতৎপরতা ফিরে আসবে। সেই সাথে বন্দরের রাজস্ব আয়ও বৃদ্ধি পাবে কয়েকগুণ।

এ বিষয়ে কাস্টমস সহকারী কমিশনার রবীন্দ্র কুমার সিংহ বলেন, নাকুগাঁও আমদানি-রপ্তানিকারক সমিতির সভাপতি জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে (এনবিআর) একটি আবেদন করেছেন। এখন উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত পাওয়া গেলে পরবর্তী কার্যক্রম নেয়া হবে।

তিনি আরো বলেন, যেহেতু দেশে দুটি বন্দর দিয়ে ভুটানের পণ্য আমদানি হচ্ছে, সে হিসাবে এই বন্দর দিয়েও সম্ভাবনা রয়েছে।

ঢাকাটাইমস/১৫নভেম্বর/প্রতিনিধি/ওআর

সংবাদটি শেয়ার করুন

অর্থনীতি বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

শিরোনাম :