৮৭০ কোটি টাকা পাচারের অভিযোগে রপ্তানিকারকের বিরুদ্ধে ১৫ মামলা

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকাটাইমস
| আপডেট : ০৭ নভেম্বর ২০১৯, ২২:০৯ | প্রকাশিত : ০৭ নভেম্বর ২০১৯, ২০:২২

মিথ্যা ঘোষণা দিয়ে পণ্য আমদানির আড়ালে ৮৭০ কোটি ৮৬ লাখ টাকা পাচারের অভিযোগে এক রপ্তানিকারকের দুটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ১৫টি মামলা করেছে শুল্ক গোয়েন্দা অধিদপ্তর।

আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর পল্টন মডেল থানায় মামলাগুলো করেন শুল্ক গোয়েন্দা অধিদপ্তরের সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা বিটন চাকমা, শামসুন নাহার ও আছমা বেগম।

শুল্ক গোয়েন্দা অধিদপ্তর জানায়, আবদুল মোতালেব নামের এক ব্যক্তির মালিকানাধীন হেনান এগ্রো এলসি ও এগ্রো বিডি অ্যান্ড জেপি পোল্ট্রি ফিডের ক্যাপিটাল মেশিনারি ঘোষণায় ১২টি কন্টেইনার চট্টগ্রাম বন্দর থেকে খালাস করার চেষ্টা করেন। কিন্তু আমদানি নিষিদ্ধ ও আমদানি নিয়ন্ত্রিত পণ্য খালাসের অভিযোগে এসব কন্টেইনার আটক করা হয়। পরে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংস্থার উপস্থিতিতে তল্লাসি করে কন্টেনারগুলোতে বিপুল পরিমাণ সিগারেট, এলইডি টেলিভিশন, ফটোকপিয়ার মেশিন ও মদ পাওয়া যায়।

এ ঘটনায় ২০১৭ সালের ২৭ নভেম্বর পল্টন মডেল থানায় একটি মানিলন্ডারিংয়ের মামলা করা হয়। মামলা নম্বর-৫০, ধারা মানিলান্ডারিং প্রতিরোধ আইন ২০১২ (সংশোধনী ২০১৫) এর ৪ এবং ৮ ধারা ।

মামলাটি তদন্ত করে দেখা যায়, ওই আমদানিকারক ছয়টি কন্টেইনারের মালামাল আটকের আগেই হেনান আনহুই এগ্রো এলসি ৩২টি এবং এগ্রো বিডি অ্যান্ড জেপি ৪৬টি মোট ৭৮টি কন্টেইনার পণ্য মেশিনারিজ ঘোষণায় ১৫টি এলসির বিপরীতে খালাস নিয়েছে।

মামলার এজাহারে বলা হয়, যেহেতু আমদানিকারক হেনান আনহুই এগ্রো এলসি ও এগ্রো বিডি অ্যান্ড জেপি নামের দুটি অস্তিত্বহীন এবং পল্টন মডেল থানায় দায়ের করা মামলা আগের মামলার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট আটককৃত পণ্যের অনুরূপ প্রক্রিয়ায় একই রপ্তানিকারক একই কান্ট্রি অব অরিজিন, একই সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট, একই ব্যাংকের মাধ্যমে আমদানি করা,  সেহেতু এটা সন্দেহতীতভাবে প্রমাণ করে যে,  ১৫টি বিল অব এন্ট্রি এবং ১৫টি এলসির মাধ্যমে অর্থপাচার অবমূল্যায়ন ও শুল্ক ফাঁকির মাধ্যমে লাভবান হওয়ার উদ্দেশ্যে আমদানি করা সিগারেট, এলইডি টেলিভিশন, ফটোকপিয়ার মেশিন ও মদ আমদানি করা হয়েছে। এর মাধ্যমে মেসার্স হেনান আনহুই এগ্রো এলসির ছয়টি বিল অব এন্ট্রির ৪৩৯ কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার ৪৯৯ টাকা ও মেসার্স এগ্রো বিডি অ্যান্ড জেপির নয়টি বিলের মাধ্যমে ৪৩১ কোটি ৭৫ লাখ ৪৯ হাজার ৮৮৩ টাকা পাচার করা হয়েছে।

১৫ মামলার সত্যতা নিশ্চিত করে পল্টন মডেল থানার ডিউটি অফিসার উপপরিদর্শক সেলিনা খাতুন ঢাকা টাইমসকে বলেন, আজ বৃহস্পতিবার দুপুরের দিকে শুল্ক গোয়েন্দা অধিদপ্তরের সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা বিটন চাকমা, শামসুন নাহার ও আছমা বেগম বাদি হয়ে ১৫টি মামলা করেন।

(ঢাকাটাইমস/০৭ নভেম্বর/এএ/মোআ)

সংবাদটি শেয়ার করুন

অর্থনীতি বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

শিরোনাম :