ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে না থাকলে ব্ল্যাক ফাঙ্গাসের ঝুঁকি

ঢাকাটাইমস ডেস্ক
| আপডেট : ১৩ জুন ২০২১, ১১:৩০ | প্রকাশিত : ১৩ জুন ২০২১, ১১:১৭

করোনার মহামারির সঙ্গে নতুন যুক্ত হয়েছে ব্ল্যাক ফাঙ্গাস আতঙ্ক। তবে এ নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। কারণ সুস্থ মানুষের এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা নেই। কিন্তু কোনো কারণে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে গেলেই কেবল এই সংক্রমণের ঝুঁকি বেড়ে যেতে পারে।

শুধু করোনা থাকলেই কি ব্ল্যাক ফাঙ্গাসের সংক্রমণ হবে? মিউকারমাইকোসিস অন্যান্য জটিল অসুখ থেকেও হতে পারে। তবে রক্তে শর্করার পরিমাণ বেড়ে গেলে মিউকারমাইকোসিসের ঝুঁকি কয়েকগুণ বেড়ে যায়।

বিভিন্ন গবেষণা থেকে জানা গেছে, ব্ল্যাক ফাঙ্গাস সংক্রমণের পেছনে প্রায় ২৫ শতাংশ ক্ষেত্রে দায়ী অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস। করোনার জন্য যে স্টেরয়েড জাতীয় ওষুধ খেতে হয় তাতে শর্করার পরিমাণ বেড়ে যায়, তখনই ব্ল্যাক ফাঙ্গাসের ঝুঁকি বাড়ে। চলুন জেনে নেই এছাড়া যেসব কারণে ব্ল্যাক ফাঙ্গাসের সংক্রমণ হতে পারে।

কাদের ঝুঁকি বেশি

১. করোনা আক্রান্ত রোগী।

২. করোনা থেকে সেরে ওঠা ব্যক্তি।

৩. স্টেরয়েড ব্যবহারকারী।

৪. ক্যানসার আক্রান্ত রোগী।

৫. কৃত্রিম অঙ্গ প্রতিস্থাপনকারী ব্যক্তি।

৬. জটিল রোগে আক্রান্ত দুর্বল রোগী।

৭. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম এমন ব্যক্তি।

ব্ল্যাক ফাঙ্গাস প্রতিকারের উপায় ব্ল্যাক ফাঙ্গাস বা কালো ছত্রাক সাধারণ স্যাঁতসেঁতে জায়গা, পচা লতাগুল্মর ওপর জন্মায়, বাতাসে ভেসে বেড়ায় । ব্ল্যাক ফাঙ্গাস মাটি ও নোংরা পানিতে বেশি থাকে।

সুতরাং আমাদের স্যাঁতসেঁতে জায়গা পরিহার করতে হবে। নির্মাণ বা খননকাজ চলছে এমন জায়গায় যাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে। বিশেষ প্রয়োজনে অবশ্যই এন নাইনটি ফাইভ মাস্ক পরে যেতে হবে। বাইরে বের হলে জুতা, পায়জামা, লম্বা হাতার জামা পরতে হবে। বাগানের কাজে বা মাটি স্পর্শ করতে হয় এমন কাজে গ্লাভস পরিধান করতে হবে। একই মাস্ক বারবার ব্যবহার করা যাবে না। পর্যাপ্ত পানি পান করতে হবে। পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা ও সর্বোচ্চ সচেতনতা বজায় রাখতে হবে।

চিকিৎসা

ব্ল্যাক ফাঙ্গাসের চিকিৎসায় সাধারণ শ্বাস-প্রশ্বাসের সঙ্গে নির্গত তরল পরীক্ষা বা সাইনাসের টিস্যুর বায়োপসি ও সিটি স্ক্যান করা হয়। রোগীকে অ্যামফোটেরিসিন-বি দেয়া হয়। অনেক ক্ষেত্রে অস্ত্রোপচার করতে হয়। ব্ল্যাক ফাঙ্গাসের লক্ষণ দেখা গেলে অথবা আক্রান্ত হলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে।

(ঢাকাটাইমস/১৩জুন/কেএমএস/কেআর)

সংবাদটি শেয়ার করুন

স্বাস্থ্য বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

শিরোনাম :