মুনিয়ার মৃত্যুর রহস্যে নতুন নাটকীয়তা?

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকাটাইমস
 | প্রকাশিত : ২১ জুন ২০২১, ২১:৩৭

মোসারাত জাহান মুনিয়ার মৃত্যুতে বোন নুসরাত জাহানের করা মামলার তদন্তে মিলছে নতুন তথ্য। যার কোনোটা বিস্ময়কর। কোনোটা জন্ম দিচ্ছে নাটকীয়তার। প্রযুক্তির বিভিন্ন মাধ্যমে প্রাপ্ত তথ্যে মিলছে এসব চাঞ্চল্যকর তথ্য।

মামলার তদন্ত সূত্রে জানা গেছে, যে ফ্ল্যাটে মুনিয়ার মরদেহ ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া গেছে সেই বাড়ির নিচের সিসিটিভি ফুটেজও খতিয়ে দেখছে পুলিশ। মুনিয়ার মৃত্যুর আগে পরে বিভিন্ন সময় কারা ওই ফ্ল্যাটে যাতায়াত করেছে, সেটিও দেখা হচ্ছে। যেখানে অপরিচিত কয়েকজনের যাতায়াতের প্রমাণ মিলেছে বলে একাধিক সূত্রে জানা গেছে। ওই ব্যক্তিদের অনেকে নিচে গেটে থাকা অতিথিদের রেজিস্ট্রারে নিজেদের নাম লেখেননি। তাদের কেউ কেউ মুনিয়ার ফ্ল্যাটে গিয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। সন্দেহের তালিকায় রাখা হয়েছে তাদের। এর বাইরে মুনিয়ার ফোন কল পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখা হচ্ছে। বিশেষ করে মুনিয়ার সঙ্গে নুসরাতের ফোনালাপ এবং নুসরাতের সঙ্গে অন্যদের ফোনালাপগুলো খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

জানা গেছে, মুনিয়া মৃত্যুর আগে নুসরাতের সঙ্গে ১৫ বারের বেশি কথা বলেছে। এসব কলের ফাঁকে ফাঁকে নুসরাত অন্যদের সঙ্গে কথা বলেছেন। তিনি কাদের সঙ্গে কী কথা বলেছেন, সেটি মামলার তদন্তের স্বার্থে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা। এগুলো ভালো করে খতিয়ে দেখা হলে আরও নতুন তথ্য বেরিয়ে আসবে বলে মনে করছেন তারা।

গত ২৬ এপ্রিল রাজধানীর গুলশান-২ নম্বরের ১২০ নম্বর সড়কের এক ফ্ল্যাটে মুনিয়ার লাশ সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় পায় পুলিশ। মুনিয়া ঢাকার একটি কলেজে দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী ছিলেন।

পুলিশ জানায়, মুনিয়ার বাড়ি কুমিল্লা শহরে, তার পরিবার সেখানেই থাকে। তিনি এখানে থেকে পড়াশোনা করতেন। ওই ফ্ল্যাটে তিনি একাই থাকতেন। মরদেহ উদ্ধারের পর আত্মহত্যা প্ররোচনার অভিযোগে মামলা করেছেন মুনিয়ার বড় বোন নুসরাত জাহান। ওদিকে ভাই আশিকুর রহমান সবুজ হত্যাকাণ্ডের মামলা করেছেন। আসামি করেছেন হুইপপুত্র নাজমুল করিম চৌধুরীকে (শারুন চৌধুরী)। মুনিয়ার ভাই এবং ভিন্ন ভিন্ন অভিযোগে করা দুটি মামলা ঘটনা নিয়ে নানা প্রশ্নের জন্ম দিচ্ছে। প্রশ্ন উঠছে, কার অভিযোগ সঠিক?

আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সূত্রে জানা গেছে, এই প্রশ্নের সুরাহার করতে অপেক্ষা করতে হবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনের জন্য। প্রতিবেদনে বোঝা যাবে, মুনিয়া আত্মহত্যা করেছেন নাকি তাকে হত্যা করা হয়েছে।

গুলশান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু হাসান ঢাকা টাইমসকে বলেন, ‘এখনো বলার মতো কোনো অবস্থা তৈরি হয়নি। কারণ ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন এখনো আমাদের হাতে আসেনি। তদন্তের স্বার্থে এখনি কিছু বলা যাচ্ছে না।’

(ঢাকাটাইমস/২১জুন/এইচএফ/জেবি)

সংবাদটি শেয়ার করুন

জাতীয় বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

শিরোনাম :