`মেইড ইন বাংলাদেশ' গাড়ির জয়যাত্রা কবে?

ড. তারনিমা ওয়ারদা আন্দালিব ও দাউদ ইব্রাহিম হাসান
  প্রকাশিত : ০৬ জানুয়ারি ২০২৬, ১৮:৪৩| আপডেট : ০৬ জানুয়ারি ২০২৬, ১৮:৪৯
অ- অ+

এক বিকেলে বুড়িগঙ্গার তীরের কোনো এক জীর্ণ ওয়ার্কশপে যখন একজন তরুণ মেকানিক হাতুড়ি দিয়ে লোহা পিটিয়ে কোনো এক পুরনো গাড়ির ইঞ্জিন সচল করার চেষ্টা করে, তখন তার ঘামে ভেজা কপালে যে ভাঁজগুলো পড়ে, সেগুলো কেবল যান্ত্রিক পরিশ্রমের নয়, ওগুলো আসলে এক আকাশ সমান আক্ষেপের প্রতিচ্ছবি।

আমরা যখন ২০১৫ সালে নিম্ন-মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হওয়ার স্বপ্ন দেখছিলাম, তখন থেকে আজ ২০২৫ সালের এই শেষভাগ পর্যন্ত আমাদের রাজপথগুলো ভরে গিয়েছে বিদেশের পরিত্যক্ত বা নতুবা চকচকে বিলাসবহুল গাড়িতে। অথচ এই দীর্ঘ সময়ে আমাদের নিজেদের কি একখানা চাকা তৈরির সামর্থ্য গড়ে ওঠা উচিত ছিল না? বাংলাদেশ আজ উন্নয়নশীল দেশের গৌরবে মাথা উঁচু করে দাঁড়ালেও অটোমোবাইল শিল্পের নিরিখে আমরা এখনো সেই পরমুখাপেক্ষী জাতিই রয়ে গেছি। আমরা সার্ভিস ইন্ডাস্ট্রির দিকে ঝুঁকেছি ঠিকই, কিন্তু ম্যানুফ্যাকচারিং বা পণ্য উৎপাদন শিল্পের সেই মূল চালিকাশক্তিকে- যা একটি জাতিকে সত্যিকারের ‘উন্নত’ মর্যাদায় আসীন করে- অবহেলা করেছি।

২০১৫ সালের এক পরিসংখ্যানে দেখা গিয়েছিল, বাংলাদেশে তখন বার্ষিক গাড়ির চাহিদা ছিল মাত্র ১০ থেকে ১২ হাজার ইউনিট। কিন্তু অর্থনীতির গতি পরিবর্তনের সাথে সাথে ২০২৫ সালে এসে সেই চাহিদা দাঁড়িয়েছে প্রায় ৩০ হাজার ইউনিটে। বিআরটিএর সর্বশেষ নিবন্ধন সংক্রান্ত ডাটা বলছে, গত দশ বছরে গাড়ির চাহিদা বেড়েছে প্রায় ১৫০ শতাংশ। এই বিশাল প্রবৃদ্ধি আমাদের এই সংকেত দেয় যে, বাংলাদেশের মানুষের ক্রয়ক্ষমতা এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি এবং একটি বৃহৎ বাজার আমদানিকারকদের পকেটে চলে যাচ্ছে।

প্রতি বছর গড়ে ২০ থেকে ২৫ হাজার রিকন্ডিশন্ড গাড়ি আমরা জাপান বা ইউরোপ থেকে নিয়ে আসছি। কাস্টমসের নিবিড় পরিসংখ্যান এবং বারভিডার বার্ষিক সভার তথ্য অনুযায়ী, এই আমদানির নেশায় আমাদের রিজার্ভ থেকে প্রতি বছর প্রায় ১৮ হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচার হয়ে যাচ্ছে। এই বিপুল পরিমাণ মুদ্রার বহির্গমন আমাদের জাতীয় রিজার্ভের ওপর প্রচণ্ড চাপ সৃষ্টি করছে এবং দেশীয় মুদ্রার মানকে অস্থিতিশীল করে তুলছে। এটি কেবল টাকা নয়, এটি আমাদের শ্রমের ঘাম আর মেধার রক্তক্ষরণ যা বিদেশের অর্থনীতিকে শক্তিশালী করছে।

আমরা বিলাসিতার জন্য যে শুল্ক দিচ্ছি, তার হার ক্ষেত্রবিশেষে ৮৫০ শতাংশ পর্যন্ত। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের শুল্ক কাঠামোর এই ডাটাটি আমাদের একটি বড় সত্যের দিকে ইঙ্গিত দেয়—আমাদের নীতি নির্ধারকেরা গাড়িকে এখনো কেবল একটি বিলাসদ্রব্য হিসেবেই দেখেন, সাধারণের বাহন হিসেবে নয়। এর ফলে একটি ভালো মানের গাড়ি কেনা মধ্যবিত্তের জন্য আকাশকুসুম কল্পনা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

কেন আমরা আজও নিজের হাতে একটি গাড়ি গড়ে তুলতে পারছি না—এই প্রশ্নের গভীরে নামলে চোখে পড়ে এক গভীর, বেদনাদায়ক অবকাঠামোগত শূন্যতা। একটি গাড়ি কেবল চারটি চাকা আর একটি স্টিয়ারিংয়ের যান্ত্রিক সমাহার নয়; এটি প্রায় ত্রিশ হাজার ক্ষুদ্র-বৃহৎ যন্ত্রাংশের নিখুঁত সংগীত, যেখানে প্রতিটি অংশের সঙ্গে জড়িয়ে থাকে বিজ্ঞান, শ্রম আর স্বপ্নের সমন্বয়। অথচ বাংলাদেশ অটোমোবাইল অ্যাসেম্বলার্স অ্যান্ড ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশনের এক গবেষণা নির্মম সত্যটি সামনে আনে—এই বিপুল যন্ত্রাংশের মাত্র তিন শতাংশই জন্ম নেয় আমাদের মাটিতে। এই পরিসংখ্যান আমাদের ব্যাকওয়ার্ড লিঙ্কেজ শিল্পের দীর্ঘ শৈশব, আঁতুড়ঘরে পড়ে থাকা এক শিল্পজাতকের নিঃশব্দ কান্না।

ফলে প্রতিটি নাট-বল্টু, প্রতিটি প্রযুক্তির জন্য আমাদের হাত বাড়াতে হয় বিদেশের দিকে—নিজস্ব সক্ষমতার বদলে নির্ভরতার শিকলে বাঁধা পড়ে থাকে জাতীয় সম্ভাবনা। আর সেই শিকলের ভার সবচেয়ে বেশি চেপে বসে আমাদের মেধার ওপর। প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের শ্রেষ্ঠ মেধাবীরা যখন স্বপ্নের গাড়ির নকশা আঁকে, চোখে ভাসে ভবিষ্যতের বাংলাদেশ, তখন ল্যাবরেটরির দরজায় দাঁড়িয়ে তাদের স্বপ্ন থমকে যায়—কারণ ভেতরে নেই প্রয়োজনীয় যন্ত্র, নেই পরীক্ষার সাহসী পরিসর। এ যেন মেধার হাতে স্বপ্ন আছে, কিন্তু স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য নেই হাতিয়ার।

এই বৈপরীত্যই আমাদের সবচেয়ে বড় ট্র্যাজেডি—যেখানে সম্ভাবনা আছে, কিন্তু প্রস্তুতি নেই; যেখানে স্বপ্ন আছে, কিন্তু অবকাঠামো নেই। বুয়েটের এক সমীক্ষায় দেখা গেছে, ৯২ শতাংশ অটোমোবাইল ইঞ্জিনিয়ার পাস করার পর দেশে উপযুক্ত কাজের ক্ষেত্র খুঁজে পান না। এই ডাটাটি আমাদের মেধাবীদের দেশান্তরী হওয়ার মূল কারণ ফুটিয়ে তোলে এবং আমাদের কারিগরি শিক্ষার দৈন্যদশা প্রকাশ করে।

গাড়ি আমদানি করা সহজ—কয়েকটি স্বাক্ষর, কিছু শুল্ক, আর বন্দরের পথ পেরোলেই চাকা ঘোরে। কিন্তু গাড়ি ‘উৎপাদন’ করা মানে এক দীর্ঘ, রক্ত-মাটি-ঘামের সংগ্রাম; এটি কেবল শিল্প নয়, এটি একটি জাতির সক্ষমতার পরীক্ষা। পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউট (পিআরআই)-এর এক গবেষণা নির্মোহ অথচ বিস্ময়কর সত্য উচ্চারণ করে—বাংলাদেশ যদি নিজ হাতে গাড়ি নির্মাণের সাহসী পথে হাঁটে, তবে একটি সাধারণ সেডান গাড়ির খুচরা মূল্য বাজারভেদে প্রায় ৪০ শতাংশ পর্যন্ত কমে আসতে পারে। তখন গাড়ি আর বিত্তশালীদের ড্রয়িংরুমে ঝুলে থাকা বিলাসের প্রতীক হবে না; এটি হয়ে উঠবে পরিশ্রমী মানুষের নাগালের বাস্তবতা, সন্তানকে স্কুলে নেওয়ার নির্ভরতা, অসুস্থ মাকে হাসপাতালে পৌঁছে দেওয়ার নিশ্চয়তা।

দেশীয় উৎপাদন মানে শুধু দাম কমা নয়—এর মানে স্বপ্নের গণতন্ত্র, যেখানে চলার অধিকার ধনীদের একচেটিয়া সম্পত্তি নয়, বরং সাধারণ মানুষের ন্যায্য প্রাপ্য। এই লড়াই তাই কেবল শিল্প গড়ার লড়াই নয়; এ লড়াই স্বপ্নকে শ্রেণির দেয়াল ভেঙে মানুষের কাছে ফিরিয়ে আনার।

একই সূত্র আরও বলছে যে, এই শিল্পে পূর্ণাঙ্গ বিনিয়োগ করলে সরাসরি এবং পরোক্ষভাবে প্রায় ৫ লাখ নতুন কর্মসংস্থান তৈরি হবে। এই বিশাল কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা আমাদের বেকারত্ব হ্রাসে এক বৈপ্লবিক ভূমিকা রাখতে পারে এবং দেশের তরুণ সমাজকে কারিগরি দক্ষতায় বলীয়ান করতে পারে। প্রযুক্তির এই চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের যুগে আমাদের উচিত সরাসরি ইলেকট্রিক ভেহিকল বা ইভি উৎপাদনে মনোনিবেশ করা। ২০৩০ সালের মধ্যে দেশে ৩০ শতাংশ বৈদ্যুতিক গাড়ি নিশ্চিত করার যে সরকারি লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে, সেটি বাস্তবায়িত হলে কার্বন নিঃসরণ বছরে ২০ লাখ টন কমানো সম্ভব হবে। এই পরিবেশগত ডাটাটি আমাদের আগামী দিনের সবুজ পৃথিবীর স্বপ্ন দেখায় এবং বিশ্ব জলবায়ু তহবিলের সুবিধা পাওয়ার পথ সুগম করে।

২০২০ থেকে ২০৫০ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশের এই করুণ যাত্রাপথটি বিশ্লেষণ করলে এক শিউরে ওঠা ভবিষ্যতের প্রতিচ্ছবি ফুটে ওঠে। ২০২০ সালের অতিমারিতে যখন বিশ্ব থমকে ছিল, তখন বাংলাদেশে গাড়ি আমদানির হার ৩৪ শতাংশ হ্রাস পেয়েছিল। এই সাময়িক পতন আমাদের ইঙ্গিত দিয়েছিল যে আমদানিনির্ভর অর্থনীতি কত দ্রুত মুখ থুবড়ে পড়তে পারে। ২০২৩ সালে ডলার সংকটের কারণে এলসি খুলতে না পারায় রিকন্ডিশন্ড গাড়ির মজুদ ৫০ শতাংশ কমে গিয়েছিল। আমদানিকারকদের এই হাহাকার আমাদের এই শিক্ষা দেয় যে, নিজের উৎপাদন ব্যবস্থা না থাকলে বৈশ্বিক সংকটে আমাদের পরিবহন ব্যবস্থা অচল হয়ে পড়বে।

২০২৫ সালে এসে আমরা দেখছি- স্থানীয়ভাবে সংযোজিত হুন্দাই বা মিৎসুবিশি গাড়ির বাজার দখল মাত্র ৫ শতাংশ। এই ধীরগতি আমাদের নির্দেশ করে যে আমরা এখনো পূর্ণাঙ্গ ম্যানুফ্যাকচারিং থেকে অনেক দূরে এবং আমাদের নীতিমালায় বড় ধরনের সংস্কার প্রয়োজন।

ভবিষ্যতের দিকে তাকালে ২০৩০ সালের যে প্রক্ষেপণ আমাদের সামনে রয়েছে, তা বলছে বার্ষিক চাহিদা দাঁড়াবে ৫০ হাজার ইউনিটে। আইএমএফের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি সংক্রান্ত ডাটা থেকে বোঝা যায়, তখন বাংলাদেশের মানুষের মাথাপিছু আয় ৪ হাজার ডলার ছাড়িয়ে যাবে। এই উচ্চ আয় আমাদের এই সংকেত দেয় যে তখন গাড়ি আর বিলাসিতা নয়, বরং দৈনন্দিন প্রয়োজনে পরিণত হবে এবং বিশাল এক বাজার তৈরি হবে।

২০৪০ সালের উন্নত বাংলাদেশের যে রূপকল্প, সেখানে আমরা দেখতে পাই অটোমোবাইল সেক্টর জিডিপিতে ৫ শতাংশ অবদান রাখছে। বিশ্বব্যাংকের প্রক্ষেপণ অনুযায়ী, তখন বাংলাদেশে গাড়ি উৎপাদন শিল্পের আকার হবে প্রায় ১০ বিলিয়ন ডলারের। এই বিশাল অংকের সম্ভাবনা আমাদের অর্থনীতিকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে এবং আমাদের দক্ষিণ এশিয়ায় গাড়ি রপ্তানির অন্যতম হাব হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করবে।

অবশেষে ২০৫০ সালের সেই চূড়ান্ত স্বপ্নে দেখা যায়, বাংলাদেশের রাস্তায় ১০০ শতাংশ দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি স্মার্ট গাড়ি চলছে। ডেল্টা প্ল্যান ২১০০ এবং ২০৫০-এর রূপকল্প অনুযায়ী, তখন বাংলাদেশ হবে একটি নেট-জিরো কার্বন নিঃসরণকারী দেশ। এই লক্ষ্যমাত্রা আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয় যে, প্রযুক্তির অগ্রযাত্রায় প্রকৃতিকে রক্ষা করাই হবে আমাদের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ ও বিজয়।

এই দীর্ঘ পথচলার প্রতিটি ডাটা পয়েন্ট আমাদের এটা মনে করিয়ে দেয় যে, আমরা যদি আজ সাহসী পদক্ষেপ না নেই, তবে ২০৫০ সালের সেই উন্নত বাংলাদেশেও আমরা জাপানের সেকেন্ড হ্যান্ড গাড়ির ওপরই নির্ভর করে থাকব।

আমাদের মিরসরাই বা পায়রা অর্থনৈতিক অঞ্চলে বিশেষ ‘অটোমোবাইল জোন’ তৈরি করতে হবে। যৌথ উদ্যোগে জাপানি বা কোরিয়ান কোম্পানিগুলোর কাছ থেকে প্রযুক্তি ছিনিয়ে নিতে হবে। আমাদের ইঞ্জিনিয়ারিং বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে কেবল থিওরি নয়, বরং গাড়ি তৈরির প্র্যাকটিক্যাল ল্যাবে পরিণত করতে হবে। বাধাগুলো মূলত মানসিক; আমরা ভাবি আমরা পারব না। অথচ আমাদের গার্মেন্টস শিল্পও তো একদিন শূন্য থেকে শুরু করে আজ বিশ্ব শাসন করছে। তবে গাড়ি শিল্প কেন নয়? এই ধারণার পরিবর্তনই হবে আমাদের বড় বিজয়।

আমরা যদি আজ আমদানির মায়া ত্যাগ করে উৎপাদনের নেশায় মত্ত হই, তবেই আমাদের রিজার্ভ হবে শক্তিশালী, আর আমাদের টাকা থাকবে আমাদেরই সন্তানদের পকেটে। একদিন আমাদের রাস্তার সিগন্যালে যখন সারি সারি গাড়ি দাঁড়াবে, আর প্রতিটি গাড়ির পেছনে লেখা থাকবে ‘মেইড ইন বাংলাদেশ’, সেদিনই সেই বুড়িগঙ্গার তীরের মেকানিক ছেলেটির চোখের জল সার্থক হবে। আমরা কেবল যাত্রী হয়ে থাকতে চাই না, আমরা হতে চাই এই রথের সারথি। উন্নত বিশ্বের কাতারে নাম লেখানো মানে কেবল দামি পণ্য ব্যবহার করা নয়, বরং দামি পণ্য তৈরি করে বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দেওয়া। বাংলাদেশ একদিন গাড়ি তৈরি করবেই, কারণ আমাদের মেধা আছে, আমাদের জেদ আছে।

অন্যের তৈরি লোহার খাঁচায় চড়ে আর কতকাল গতির অহঙ্কার করব! আজ আমদানির শিকল ভাঙার সময় এসেছে। বিদেশের রাস্তা থেকে নয়, বরং নিজের মেধার কারখানা থেকে বের করতে হবে রথ, যা বিশ্বকে বলবে- বাঙালি কেবল কিনতে জানে না, সৃষ্টি করতেও জানে। নিজের রথ নিজেরই গড়তে হবে। স্বদেশের মাটির চাকা ছাড়া আগামী দিনে মুক্তির অন্য কোনো পথ নেই!

লেখকদ্বয়:

ড. তারনিমা ওয়ারদা আন্দালিব: ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ে সহকারী অধ্যাপক এবং যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড ইমপ্যাক্ট গ্রুপে গ্লোবাল কনসালট্যান্ট ডিরেক্টর।

দাউদ ইব্রাহিম হাসান: ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ে রিসার্চ অ্যাসিস্ট্যান্ট এবং আইডিএলসি ফাইন্যান্স পিএলসি-এর মার্কেটিং বিভাগের সদস্য।

(ঢাকাটাইমস/৬জানুয়ারি/মোআ)

google news ঢাকা টাইমস অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন
শীর্ষ খবর সর্বশেষ জনপ্রিয়
সব খবর
পূবাইলে স্ত্রী হত্যা মামলার আসামি ১মাস পর কুষ্টিয়া থেকে গ্রেপ্তার
বাউল সম্রাট লালন শাহের ১৩৬তম তিরোধান দিবস আজ
কক্সবাজারে রিসোর্টে ভয়াবহ আগুন, ১০ পর্যটকের মরদেহ উদ্ধার
শিশু হাসপাতালের কক্ষে চিকিৎসককে ধূমপান করতে দেখে অসন্তুষ্ট প্রধানমন্ত্রী, বরখাস্তের নির্দেশ