আজ প্রথম কক্সবাজার সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথমবারের মতো আজ শনিবার একদিনের সফরে কক্সবাজার যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সফরে তিনি বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন, বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি, জনসভা এবং সুধী সমাবেশে অংশ নেবেন। সফরসূচি অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সকাল ১০টায় কক্সবাজার বিমানবন্দরে পৌঁছাবেন।
সকালে বিমানযোগে কক্সবাজার পৌঁছে প্রধানমন্ত্রী সড়কপথে চকরিয়ার পিএমখালী এলাকায় যাবেন। সেখানে পাতলী খাল পুনঃখনন কার্যক্রম এবং মালুমঘাট সংরক্ষিত বনে দেশব্যাপী ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন তিনি।
সফরের অংশ হিসেবে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহত শহীদ ওয়াসীমের কবর জিয়ারত করবেন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় তিনি শহীদ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে খোঁজখবর নেবেন। এছাড়া পেকুয়া পৌরসভা ও নতুন মাতামুহুরী উপজেলার বিভিন্ন অবকাঠামোগত উন্নয়ন প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ও উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে।
সফরের রাজনৈতিক দিক থেকে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আয়োজন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে চকরিয়া পৌর বাস টার্মিনাল মাঠের জনসভা। বিকেলে অনুষ্ঠিতব্য এ সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখবেন প্রধানমন্ত্রী। এ কর্মসূচিকে ঘিরে স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে।
দিনের শেষভাগে প্রধানমন্ত্রী কক্সবাজার সমুদ্রসৈকত ও মেরিন ড্রাইভ এলাকা পরিদর্শন করবেন। পরে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিদের নিয়ে আয়োজিত এক সুধী সমাবেশে বক্তব্য দেবেন তিনি। নির্ধারিত কর্মসূচি শেষে রাতেই বিমানযোগে ঢাকায় ফেরার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর।
প্রধানমন্ত্রীর সফরের সার্বিক প্রস্তুতি তদারকিতে ইতোমধ্যে কক্সবাজারে পৌঁছেছেন সরকারের ছয়জন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী। তাদের মধ্যে রয়েছেন সালাহউদ্দিন আহমদ, শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, মো. শরীফুল আলম এবং শেখ ফরিদুল ইসলাম।
কক্সবাজারে পৌঁছে তারা বিমানবন্দর উন্নয়ন প্রকল্প সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন এবং প্রধানমন্ত্রীর সফরসূচিতে অন্তর্ভুক্ত বিভিন্ন প্রকল্প এলাকা, বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির স্থান, জনসভা ও সুধী সমাবেশস্থল পরিদর্শন করেন।
এদিকে, কক্সবাজার জেলা বিএনপির সভাপতি শাহজাহান চৌধুরী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সফরের প্রতিটি কর্মসূচি সফল করতে সর্বাত্মক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। জনগণের ব্যাপক অংশগ্রহণে এ সফর স্মরণীয় হয়ে থাকবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
সফরকে ঘিরে কক্সবাজারবাসীর প্রত্যাশাও বেড়েছে। স্থানীয়রা কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়ক ছয় লেনে উন্নীতকরণ, পর্যটন নগরীকে আধুনিক ও পরিকল্পিত শহরে রূপান্তর, পান, লবণ ও মৎস্য শিল্পের আধুনিকায়নসহ গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন প্রকল্পের ঘোষণা প্রত্যাশা করছেন। পাশাপাশি ব্লু ইকোনমি বিকাশে একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা এবং কক্সবাজার পৌরসভাকে সিটি করপোরেশনে উন্নীত করার দাবিও স্থানীয়দের মধ্যে জোরালোভাবে আলোচিত হচ্ছে।
(ঢাকাটাইমস/১৩ জুন/আরজেড)
ঢাকা টাইমস অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন












































