বিএনপির রাজনীতি মানুষের জন্য: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বিএনপির রাজনীতি দেশের মানুষের কল্যাণে নিবেদিত। কৃষকদের সহায়তায় সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে এবং নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী কৃষকদের বীজ ও কীটনাশক ক্রয়ের জন্য কৃষক কার্ডের মাধ্যমে এককালীন আড়াই হাজার টাকা সহায়তা দেওয়া হবে।
আজ শনিবার (১৩ জুন) সকালে কক্সবাজারে পাতালী খাল পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন শেষে আয়োজিত এক পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ মানুষ গ্রামাঞ্চলে বসবাসকারী খেটে খাওয়া জনগোষ্ঠী। তাদের জীবনমান উন্নয়নে সরকার কাজ করছে। তিনি বলেন, দেশের নারীদের শিক্ষার প্রসারে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া বিনামূল্যে শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করেছিলেন। বর্তমান সরকার সেই ধারাবাহিকতায় নারীদের স্নাতক ও ডিগ্রি পর্যন্ত বিনামূল্যে শিক্ষার ব্যবস্থা করেছে। পাশাপাশি মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য উপবৃত্তির ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।
এর আগে সকাল ১০টায় প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইট কক্সবাজার বিমানবন্দরে অবতরণ করে। এ সময় তার সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমানও সফরসঙ্গী ছিলেন।
পাতালী খাল পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধনের পর মাসুমঘাট সংরক্ষিত বনে বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে দেশব্যাপী ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিরও উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী।
সফরসূচির অংশ হিসেবে তিনি জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহত কক্সবাজারের শহীদ ওয়াসীমের কবর জিয়ারত করবেন এবং তার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। এছাড়া পেকুয়া পৌরসভা ও নতুন মাতামুহুরী উপজেলার বিভিন্ন অবকাঠামো উন্নয়ন কার্যক্রমের উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে।
রাজনৈতিকভাবে সফরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আয়োজন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে চকরিয়া পৌর বাস টার্মিনাল মাঠে আয়োজিত জনসভা। বিকেলে অনুষ্ঠিতব্য এ সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেওয়ার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। এ উপলক্ষে স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে।
দিনের শেষভাগে কক্সবাজার সমুদ্রসৈকত ও মেরিন ড্রাইভ এলাকা পরিদর্শনের পাশাপাশি একটি সুধী সমাবেশে অংশ নিয়ে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিদের উদ্দেশে বক্তব্য রাখবেন তিনি। নির্ধারিত কর্মসূচি শেষে রাতেই বিমানযোগে ঢাকায় ফেরার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর।
প্রধানমন্ত্রীর সফরকে ঘিরে কক্সবাজারজুড়ে নিরাপত্তা ও প্রশাসনিক তৎপরতা জোরদার করা হয়েছে। সফরের বিভিন্ন কর্মসূচি সফলভাবে সম্পন্ন করতে স্থানীয় প্রশাসন ও দলীয় নেতাকর্মীরা প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছেন। পাশাপাশি একাধিক মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী আগেই কক্সবাজারে পৌঁছে সফর-সংক্রান্ত কার্যক্রম সমন্বয় করছেন।
(ঢাকাটাইমস/১৩ জুন/আরজেড)
ঢাকা টাইমস অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন











































