সুস্বাস্থ্যের নামে অকাল মৃত্যুর উৎসব!

ড. তারনিমা ওয়ারদা আন্দালিব এবং দাউদ ইব্রাহিম হাসান
  প্রকাশিত : ০২ জুলাই ২০২৬, ১৮:৩৬| আপডেট : ০২ জুলাই ২০২৬, ১৯:০৩
অ- অ+
ছবি এআই জেনারেটেড।

২০২৬ সালের এক তপ্ত দুপুর। ঢাকার একটি নামী হাসপাতালের নেফ্রোলজি বিভাগের ডায়ালাইসিস ইউনিটের বাইরে অঝোরে কাঁদছিলেন ষাটোর্ধ্ব আমজাদ আলী। তাঁর দুচোখ বেয়ে ঝরে পড়া নোনা জল কেবল অশ্রু ছিল না, তা ছিল এক অসহায় বাবার বুকভাঙা হাহাকার। তাঁর একমাত্র সুস্থ-সবল, বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া ছেলে রাসেল আজ মৃত্যুর মুখোমুখি। জিমের ট্রেইনারের চটকদার পরামর্শে, বডি বিল্ডিং ও সিক্স প্যাক বানানোর মোহে তাকে কিনে দেওয়া হয়েছিল দামি সাপ্লিমেন্ট, যা আসলে পেশি বৃদ্ধির জাদুকরী (ক্ষতিকর) বড়ি আর স্টেরয়েড।

আমজাদ আলী জানতেন না, দীর্ঘ তিন মাস ধরে তাঁর সন্তানের শরীরে পুষ্টির নামে ঢুকছিল এক ভয়ানক বিষাক্ত কেমিক্যাল। একদিন রাসেলের এক ডাক্তার বন্ধু তার রক্তের ক্রিয়েটিনিন ও লিভার প্যানেল টেস্ট করে যে সত্য আবিষ্কার করলেন, তা যেকোনো মানুষের মেরুদণ্ড কাঁপিয়ে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট। রাসেলের দুটি কিডনিই অন্তত ৮০ শতাংশ বিকল হয়ে গেছে এবং লিভার সিরোসিসের চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে।

আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডের সিল মারা যে চকচকে কৌটাটি রাসেলকে দেওয়া হয়েছিল, তার আড়ালে লুকিয়ে ছিল সস্তা হেভি মেটাল আর নিষিদ্ধ হরমোনের এক মরণঘাতী মিশ্রণ।

এটি কেবল আমজাদ আলীর একার কান্না নয়। এটি আমাদের দেশের তথাকথিত 'ফিটনেস কালচার'-এর আড়ালে গড়ে ওঠা এক অতি মুনাফালোভী, চোরাকারবারি সিন্ডিকেটের নগ্ন বাস্তবতার জীবন্ত উদাহরণ।

যখনই কোনো সচেতন তরুণ একটু ভালো শারীরিক গঠন আর সুস্বাস্থ্যের আশায় জিমে পা রাখেন, তখনই শুরু হয় নকল প্রোটিন পাউডার আর অবৈধ স্টেরয়েডের কারসাজিতে পৈশাচিক উৎসব। এই ভয়ানক বাণিজ্যিক নেটওয়ার্ক আমাদের সাধারণ মানুষের শেষ সম্বলটুকু কেড়ে নিচ্ছে।

পরিসংখ্যানে সংকটের গভীরতা

দেশের বিভিন্ন স্বাস্থ্য অধিকার ফোরাম ও সামষ্টিক খতিয়ানের সাম্প্রতিক জরিপ বিশ্লেষণ করলে এই সংকটের ভয়াবহতা স্পষ্ট হয়ে ওঠে। নিচে এর একটি চিত্র তুলে ধরা হলো:

স্বচ্ছতার অভাব: জিম সাপ্লিমেন্ট ও প্রোটিন পাউডার ব্যবহার করা তরুণদের মধ্যে ৬৫ শতাংশ ভুক্তভোগী মনে করেন যে, পণ্যের উপাদানের সঠিক তথ্য না থাকা এবং ভুয়া বারকোড ভেরিফিকেশনের কারণে তারা তীব্র মানসিক ও শারীরিক প্রতারণার শিকার হচ্ছেন।

অবৈধ পণ্যের আধিপত্য: প্রাতিষ্ঠানিক জবাবদিহিতার অভাবে চোরাই পথে আসা নিম্নমানের প্রোটিন এবং ক্ষতিকর হরমোনাল ইনজেকশনের কৃত্রিম বাজার অবলীলায় ৪০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

নিষিদ্ধ স্টেরয়েডের চক্র: দেশের বিভিন্ন বিভাগীয় শহরে ব্যাঙের ছাতার মতো গজিয়ে ওঠা প্রায় ২৫টি বড় বড় সাপ্লিমেন্ট চেইন ও জিম নেটওয়ার্কের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট তথ্য রয়েছে, যারা আমদানির বৈধ কাগজপত্র ছাড়াই ল্যাবে তৈরি নিষিদ্ধ অ্যানাবলিক স্টেরয়েড বিক্রি করে মুনাফা লুটছে।

ভেজাল ও বিষাক্ত উপাদান: কিডনি ফাউন্ডেশন ও ভোক্তা অধিকার ফোরামের তথ্য অনুযায়ী, আক্রান্তদের দৈনিক খতিয়ানের প্রায় ৭০ শতাংশ জুড়ে রয়েছে অনাবশ্যক ক্রিয়েটিন মনোহাইড্রেট জاليةতা, ফ্রোজেন পাউডারে ভারী সিসা ও আর্সেনিকের কৃত্রিম মিশ্রণ এবং প্যাকেজিং জালিয়াতি।

ক্রীড়া নীতিশাস্ত্রের অবক্ষয় ও বাণিজ্যের ফাঁদ

আমরা যদি মানবিক ও প্রাতিষ্ঠানিক নীতিশাস্ত্রের দৃষ্টিকোণ থেকে এই সংকটকে বিশ্লেষণ করি, তবে দেখতে পাব জিমের সাপ্লিমেন্ট আজ স্রেফ কোনো পুষ্টির পরিপূরক নয়। কিছু অসাধু চোরাকারবারি ও জিম মালিকের কাছে এটি যুবসমাজের জীবন চুষে টাকা কামানোর মেশিন। চিকিৎসা গবেষকদের প্রকাশিত ৫০টিরও বেশি অনুসন্ধানমূলক প্রতিবেদনের প্রতিটি কলাম ছিল একেকটি প্রাতিষ্ঠানিক অরাজকতার দলিল।

লাইসেন্সবিহীন পুষ্টি বিপণন কেন্দ্র, অদক্ষ ট্রেইনার এবং বিএসটিআই-এর কঠোর ল্যাব টেস্টের অভাবের কারণে এই খাতটি আজ ধ্বংসের মুখে। রাজধানীর বিভিন্ন এলাকার অনেক ফিটনেস সেন্টার বডি শেপিংয়ের নাম করে মূলত প্রতি মাসে মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। ফুড সাপ্লিমেন্টের নামে সাধারণ ভোক্তার ওপর দিনের পর দিন যে পৈশাচিক প্রতারণা চালানো হয়, তার নেপথ্যে রয়েছে আন্ডারগ্রাউন্ড ল্যাব ও কিছু অসাধু বিক্রেতার গোপন যোগসাজশ।

মধ্যবিত্তের অর্থনৈতিক দেউলিয়াত্ব

আমাদের দেশের সাধারণ মানুষের একটি বিশাল অংশই প্রোটিন আইসোলেট বা অ্যানাবলিক ইনজেকশনের যান্ত্রিক ও রাসায়নিক দিক সম্পর্কে সম্পূর্ণ অসচেতন। তারা যখন দেখে সুসজ্জিত এসি জিমের ভেতরে পেশিবহুল ট্রেইনাররা অত্যন্ত ব্যস্ততার ভান করছেন, তখনই তারা অন্ধের মতো সেই দালালের কথায় বিশ্বাস করে নিজেদের কষ্টার্জিত টাকা তুলে দেয়।

একটি বাস্তব চিত্র: জিমের ডিসপ্লে তাক থেকে বিদেশি সিল দেখে কোনো তরুণ যখন একটি প্রোটিনের কৌটা হাতে নেয়, তখন কাউন্টার থেকে বলা হয়"এটি সরাসরি ইউএসএ থেকে ইমপোর্ট করা, তাই দাম একটু বেশি।" কিন্তু নেপথ্যের সত্য হলো, চকবাজার বা কেরানীগঞ্জের অন্ধকার কারখানায় আটা, গুঁড়ো দুধ আর ক্ষতিকর ইন্ডাস্ট্রিয়াল রং মিশিয়ে এই কৌটাগুলো তৈরি। বাণিজ্য ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় যদি এখনই প্রতিটি জিম ও সাপ্লিমেন্ট শপের ডিজিটাল ইনভেন্টরিতে সেন্ট্রাল মনিটরিং এবং ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের ডিজিটাল ড্রাগ ভেরিফিকেশন বোর্ড গঠন বাধ্যতামূলক না করে, তবে আগামী দিনে আমাদের যুবসমাজ এক পঙ্গু প্রজন্মে পরিণত হবে।

সামষ্টিক খাতের পুনর্জাগরণ

নতুন সম্ভাবনার আলো: আজ যদি দেশের প্রতিটি জিম শতভাগ স্বচ্ছতা ও নৈতিকতার সাথে ব্যবসা পরিচালনা করত, তবে বাংলাদেশের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সেক্টর সম্পূর্ণ নতুনভাবে বাঁচতে শিখে যেত।

১. অর্থনৈতিক ও চিকিৎসা খাতের স্বস্তি: সাপ্লিমেন্টের এই প্রকাশ্য বিষ বাণিজ্যের কারণে দেশের লাখ লাখ তরুণকে প্রতিবছর যেভাবে ডায়ালাইসিস বেডে যেতে হচ্ছে, তা বন্ধ হলে দেশের ব্যাংকিং ও সাধারণ ফ্যামিলি সেভিংস খাত সুরক্ষিত হতো। আকস্মিক অর্থনৈতিক চাপে পড়ে যাওয়া পরিবারগুলোর সংকট নিরসনে সরাসরি সার্বজনীন চিকিৎসা বীমা ও রাষ্ট্রীয় সহায়তার ব্যাকআপ দিয়ে সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব হতো।

২. পুষ্টিবিজ্ঞান ও ক্রীড়া শিক্ষার আধুনিকায়ন: দক্ষ ও নৈতিক গ্রাজুয়েটদের হাত ধরে জিম ও রিটেল সমন্বয়ে কম মূল্যে আসল পুষ্টি উপাদান প্রদান করা সম্ভব হতো। কালোবাজারি ও ভুয়া সাপ্লিমেন্টের নোংরা খেলা চিরতরে বন্ধ হতো। সেবা, সততা ও পেশাদারির ভিত্তিতে দেশের ওষুধ শিল্প, ডায়াগনস্টিক টেস্টিং ও স্পোর্টস নিউট্রিশন খাত বিশ্বের বুকে একটি আধুনিক ও নিরাপদ রোল মডেল হিসেবে রূপান্তরিত হতে পারত।

করণীয়

ফিটনেস সংস্কৃতির আড়ালে গড়ে ওঠা অনিয়ম রুখতে এবং তরুণদের জীবনকে মরণফাঁদ থেকে বাঁচাতে একটি সুরক্ষিত নিবিড় বাজার মনিটরিং ব্যবস্থা গড়ে তোলা এখন সময়ের দাবি। এই প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার নিশ্চিত করা গেলে ঔষধ প্রশাসন ও ডিজিটাল ফিটনেস সেল-এর মাধ্যমে ল্যাব-ভেরিফাইড অডিটের আওতা এবং শপের বৈধ নিবন্ধন নবায়নের হার সরাসরি ৪৫ শতাংশ বৃদ্ধি পাবে। একই সাথে, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর-এর কঠোর ট্র্যাকিং ও ঝটিকা অভিযানের ফলে ক্ষতিকর স্টেরয়েড বা ভারী মেটালের কারসাজি বন্ধ হবে, যা ফিটনেসের নামে প্রতারণার শিকার হওয়া মানুষের সংখ্যা ৩৫ শতাংশ হ্রাস করবে।

এছাড়া, বিএসটিআই-এর কঠোর নজরদারিতে ভুয়া বারকোড ও মেয়াদোত্তীর্ণ হরমোনের ডেট স্ট্যাম্পিং বাণিজ্য বন্ধ হলে মধ্যবিত্তের পকেট কাটার প্রবণতা ২৫ শতাংশ হ্রাস পাবে। পাশাপাশি, বাংলাদেশ জিম ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন-এর প্রতিটি আউটলেটে সার্বক্ষণিক সার্টিফাইড ক্লিনিকাল নিউট্রিশনিস্ট রাখার বাধ্যবাধকতা ও ক্ষতিপূরণের নিয়ম চালুর হার ৩০ শতাংশ বাড়বে এবং জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান সংস্থা-এর মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর আইনি ও আর্থিক সহায়তা প্রাপ্তি ১৮ শতাংশ বৃদ্ধি পাবে; যা তরুণদের সুস্বাস্থ্যের স্বপ্নকে আর কোনো অন্ধকার মৃত্যুর ফাঁদে পরিণত হতে দেবে না।

ভোক্তাদের অন্তিম আকুতি ও নাগরিক প্রতিরোধ

আমরা যখন এসি জিমের বন্ধ দরজার ওপারে প্রোটিন কিনে ঠকে যাওয়া মানুষের নির্মম মুহূর্তগুলোর দৃশ্য এবং বিল পরিশোধ করতে না পেরে হাসপাতালের বেডে স্বজনদের আহাজারি দেখি, তখন বুকে তীব্র ক্ষোভ জাগে। ভালো স্বাস্থ্যের আশায় এসে জিমের হিমশীতল কক্ষে কোনো ট্রেইনারের মিষ্টি কথার জালে নিজের কষ্টার্জিত টাকা ও জীবন খোয়ানোর শেষ মুহূর্তে অনেক তরুণ কেবল তার বেঁচে থাকার অধিকারের আকুতি জানিয়ে গেছে। সরলতার সুযোগ নিয়ে যেন এই ডিজিটাল ডাকাতি বন্ধ করা হয়।

এই বারকোডের বিষ বাণিজ্য চিরতরে উপড়ে ফেলা কেবল কোনো নির্দিষ্ট মোবাইল কোর্ট বা টাস্কফোর্সের একক দায়িত্ব নয়। এটি এ দেশের প্রতিটি নাগরিকের পবিত্র কর্তব্য:

ব্যক্তিগত সচেতনতা: শরীর গঠনের মুহূর্তে কোনো চকচকে শর্টকাট অফারের খপ্পরে পড়া যাবে না। ল্যাব টেস্ট ডেসক্রিপশন ও কিউআর কোড স্ক্যান না করে টাকা দেওয়া বন্ধ করতে হবে। কোনো জিম ইনস্ট্রাক্টর অননুমোদিত ইনজেকশন বা হরমোন ট্যাবলেটের প্রলোভন দেখালে সরাসরি ভোক্তা অধিকারের হটলাইন ১৬১২১ বা জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে অভিযোগ করতে হবে।

আইনি কঠোরতা: কোনো ধরনের রাজনৈতিক চাপ বা জিম ওনার্স সিন্ডিকেটের ভয় ছাড়াই "নিরাপদ খাদ্য আইন" ও "ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯" এর কঠোর প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে।

নৈতিক মূল্যবোধ ও বৈষম্যহীন বাজার ব্যবস্থার স্বপ্ন

২০২৬ সালের এই বাস্তবতায় দাঁড়িয়ে আমাদের প্রজ্ঞা বলছে- লোকদেখানো বড় বড় কর্পোরেট সংস্কৃতির বুলি আর নীতি ভাঙার অন্ধ মোহের চেয়ে নিজের দায়িত্বশীল আচরণের মাধ্যমে একটি সাধারণ মানুষের অধিকার ও জীবন রক্ষা করা স্রষ্টার কাছে সবচেয়ে বড় ইবাদত। আমরা এমন এক বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখি যেখানে প্রান্তিক সাধারণ মানুষের জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে অর্থনৈতিক মুক্তি ও সামাজিক সুবিচার প্রতিষ্ঠা করবে। কালো টাকা, লাইসেন্স দালালি ও নকল সাপ্লিমেন্টের অবৈধ বাণিজ্য চিরতরে বন্ধ হবে।

একটি নির্মম সত্য

বাইরের কোনো কঠোর আইন বা কড়া পুলিশ যেমন সমাজ বদলাতে পারে না, তেমনি কোনো যান্ত্রিক সিস্টেম আপনার শরীরকে সুন্দর করতে পারবে না, যদি না আপনি নিজে শর্টকাটে বডি বানানোর জন্য দালালের নকল সাপ্লিমেন্ট কেনার কুঅভ্যাসটি বর্জন করেন।

অন্তিম দৃশ্যপট

২০২৬ সালের মে মাসে চট্টগ্রামের এক মধ্যবিত্ত পরিবারে যখন লাইফ সাপোর্টের ভূতুড়ে বিল ও ডায়ালাইসিসের খরচ পরিশোধ করতে না পেরে নিজেদের একমাত্র মাথা গোঁজার ঠাঁই ভিটেমাটি বিক্রির দলিল টেবিলে এসে পৌঁছাল, তখন পুরো পরিবারটি জ্যান্ত লাশ হয়ে গিয়েছিল। রাসেলের বৃদ্ধ মা ভাঙা গলায় কেবল একটি কথাই বলছিলেন-"আমার ছেলোও গেল, ঘরও গেল। যারা ভুয়া প্রোটিন পাউডার দিয়া আমার পকেট কাটল আর ছেলের কিডনি দুইটা শেষ করল, তাদের বিচার কে করব?"

আমজাদ আলী ও সেই মায়ের এই শেষ ক্ষোভের দৃশ্যটি আমাদের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেয় যে, অমানবিক বাণিজ্যের বিরুদ্ধে আমাদের সচেতনতাকে অপরাজেয় হাতিয়ার হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।

লেখকদ্বয়:

ড. তারনিমা ওয়ারদা আন্দালিব, সহকারী অধ্যাপক, ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়; গ্লোবাল কনসালট্যান্ট ডিরেক্টর, অক্সফোর্ড ইমপ্যাক্ট গ্রুপ, যুক্তরাজ্য।

দাউদ ইব্রাহিম হাসান, রিসার্চ অ্যাসিস্ট্যান্ট, ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়; মাস্টার্স (অর্থনীতি), জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়; প্রজেক্ট এনালিস্ট, ইউএনডিপি বাংলাদেশ।

(ঢাকাটাইমস/২জুলাই/মোআ)

google news ঢাকা টাইমস অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন
শীর্ষ খবর সর্বশেষ জনপ্রিয়
সব খবর
কেপ ভার্দের বিপক্ষে আর্জেন্টিনার সম্ভাব্য একাদশ
বাঙ্গরা উপজেলা গঠনে কৃতজ্ঞতা ও শোকরানা মাহফিল অনুষ্ঠিত
রাজধানীতে বড় স্ক্রিনে খেলা দেখার স্থানগুলোতে নজরদারি করবে ডিবি
খামেনিকে শেষ শ্রদ্ধা জানিয়েছেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন
বিশেষ প্রতিবেদন তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা