যুক্তরাষ্ট্রে তীব্র দাবদাহে ২৫ জন নিহত, জরুরি সতর্কতা জারি

অনলাইন ডেস্ক, ঢাকা টাইমস
  প্রকাশিত : ০৬ জুলাই ২০২৬, ১৪:৪৬
অ- অ+

যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে চলমান তীব্র দাবদাহে অন্তত ২৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সঙ্গে দেশের পূর্ব উপকূল, দক্ষিণ-পূর্ব ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের প্রায় ৪ কোটি মানুষ এখনো চরম গরমের সতর্কতার আওতায় রয়েছেন। খবর এনবিসি’র।

প্রতিবেদনে বলা হয়, গরমজনিত কারণে সবচেয়ে বেশি মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে নিউ জার্সি অঙ্গরাজ্যে, যেখানে ২২ জনের মৃত্যুর আশঙ্কা করা হচ্ছে। এছাড়া ইলিনয় অঙ্গরাজ্যে একজন এবং মিসিসিপি অঙ্গরাজ্যে আরও দুজনের মৃত্যুর তথ্য পাওয়া গেছে।

এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় আবহাওয়া দপ্তর এক বিশেষ সতর্কবার্তায় জানিয়েছে, সোমবার পর্যন্ত পূর্ব উপকূলের বিভিন্ন এলাকায় তীব্র বজ্রঝড়, দমকা হাওয়া, শিলাবৃষ্টি এবং আকস্মিক বন্যার ঝুঁকি রয়েছে। ডেলাওয়ার থেকে কানেকটিকাট পর্যন্ত বিস্তৃত অঞ্চলের পাশাপাশি নিউইয়র্ক সিটিসহ প্রায় ৩ কোটি ৪০ লাখ মানুষ বন্যা সতর্কতার মধ্যে রয়েছেন। আবহাওয়াবিদরা জানিয়েছেন, এসব এলাকায় ৩ ইঞ্চি বা প্রায় ৭ দশমিক ৬ সেন্টিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টিপাত হতে পারে।

প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে পূর্বাঞ্চলের কয়েকটি অঙ্গরাজ্যে বিদ্যুৎ বিপর্যয়ও দেখা দিয়েছে। ফলে লাখো মানুষ বিদ্যুৎবিহীন অবস্থায় দুর্ভোগে পড়েছেন।

আবহাওয়া দপ্তরের তথ্যমতে, আর্দ্রতা ও তাপমাত্রার সমন্বয়ে তৈরি হওয়া ‘অনুভূত তাপমাত্রা’ ফিলাডেলফিয়া, ওয়াশিংটন ডিসি, বাল্টিমোর এবং ফ্লোরিডার জ্যাকসনভিলের মতো শহরগুলোতে ৩৭ দশমিক ৭ থেকে ৪০ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে।

পূর্ব উপকূলের বেশিরভাগ এলাকায় সপ্তাহের মাঝামাঝি সময়ে তাপমাত্রা কিছুটা কমতে পারে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। তবে দেশের অন্যান্য অঞ্চলে তীব্র গরম অব্যাহত থাকার আশঙ্কা রয়েছে। বিশেষ করে ক্যালিফোর্নিয়া ও অ্যারিজোনা অঙ্গরাজ্যের ফিনিক্স ও টুসন শহরে মঙ্গলবার থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪৫ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে।

অন্যদিকে, নিউইয়র্ক সিটি স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, তীব্র গরমজনিত অসুস্থতায় আক্রান্ত হয়ে এ পর্যন্ত ৩৭৮ জনের বেশি মানুষ শহরের বিভিন্ন হাসপাতালের জরুরি বিভাগে চিকিৎসা নিয়েছেন।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বায়ুমণ্ডলে দীর্ঘস্থায়ী উচ্চচাপ বলয় বা ‘হিট ডোম’ তৈরি হলে গরম বাতাস একটি নির্দিষ্ট অঞ্চলে আটকে পড়ে, ফলে তাপমাত্রা অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পায়। পাশাপাশি জলবায়ু পরিবর্তন, জীবাশ্ম জ্বালানির অতিরিক্ত ব্যবহার, বন উজাড় এবং বৈশ্বিক উষ্ণায়নের প্রভাবে বিশ্বজুড়ে তাপপ্রবাহের মাত্রা ও স্থায়িত্ব ক্রমেই বাড়ছে।

(ঢাকাটাইমস/৬ জুলাই/আরজেড)

google news ঢাকা টাইমস অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন
শীর্ষ খবর সর্বশেষ জনপ্রিয়
সব খবর
২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু
‘ফ্যামিলি ও কৃষক কার্ডধারীদের নিয়ে শক্তিশালী গ্রামীণ অর্থনেতিক কাঠামো গড়ে তোলা হবে’
খাগড়াছড়িতে ইউপিডিএফ-জেএসএসের গোলাগুলিতে নিহত ৩
লন্ডনে গ্লোবাল আশেকে রাসুল (সা.) কনফারেন্স অনুষ্ঠিত
বিশেষ প্রতিবেদন তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা