স্থানীয় সরকার নির্বাচন আগামী অক্টোবরে শুরু হচ্ছে: তথ্য উপদেষ্টা

আগামী অক্টোবর থেকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু হবে এবং আগামী বছরের অক্টোবরের মধ্যে নির্বাচন শেষ হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।
তথ্য উপদেষ্টা আরো জানান, স্থানীয় সরকার নির্বাচন সামনে রেখে এরইমধ্যে রোড ম্যাপ তৈরি করছে নির্বাচন কমিশন।
তিনি বলেন, ‘আগস্টের দ্বিতীয়ার্ধে তফসিল ঘোষণা করে অক্টোবরের প্রথমার্ধে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন শুরুর পরিকল্পনা করা হচ্ছে। নির্বাচন কমিশন (ইসি) সূত্র জানায়, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে সারাদেশকে হাওর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চল, পার্বত্য ও উপকূলীয় অঞ্চল, নদীপ্রধান ও চরাঞ্চল এবং সমতল ও শহরাঞ্চল- এই চার ভাগে ভাগ করে নির্বাচনের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে হাওর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলে ইউনিয়ন পরিষদের ভোট গ্রহণের মধ্যদিয়ে স্থানীয় সরকার নির্বাচন কার্যক্রম শুরু করবে ইসি।’
ডা. জাহেদুর রহমান বলেন, ‘এটা একটা খুবই আলোচিত ইস্যু ছিল আমাদের সবসময়, সেটা হচ্ছে স্থানীয় সরকার নির্বাচন আদৌ হবে কি না। কেউ কেউ এভাবে বলার চেষ্টা করতেন; যেহেতু ওখানে অনেক ক্ষেত্রেই প্রশাসক নিয়োগ করা হয়েছে। কিন্তু আমরা রিপিটেডলি বলেছি, আমাদের মন্ত্রী সবসময় বলেছেন যে, এটা এই বছরের মধ্যেই শুরু হবে; এবং আপনারা জানেন, নির্বাচন হওয়ার জন্য একটা বিশেষ সময় লাগে। আমরা চেষ্টা করি, বেশি সংখ্যক নির্বাচন শুষ্ক মৌসুমে করার, শীতের মৌসুমে করার।’
প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা বলেন, ‘অক্টোবরের দিক থেকে শুরু হবে এবং এটাও একটা তথ্য, শুরু হওয়ার পরে আট-মানে ১০ থেকে ১২ মাস সময় লাগে। আমরা অনেকেই ভুলটা করি। এখন থেকে ১০ থেকে ১২ মাসের মধ্যে নির্বাচন সম্পন্ন হবে না। নির্বাচন শুরু হওয়ার ১০ থেকে ১২ মাস। মানে এই অক্টোবরে যদি শুরু হয়, পরের বছরের অক্টোবর নাগাদ সব নির্বাচন শেষ হবে ২০২৭-এর অক্টোবর নাগাদ।’
এ সময় অতিরিক্ত বিদ্যুৎবিল নিয়ে তিনি বলেন, গত জুনে অতিরিক্ত বিদ্যুৎবিল আসার ব্যাপারে জনগণের অভিযোগ বিষয়ে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
অনিরাপদ খাদ্য ব্যবস্থাপনা ঠেকাতে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়ে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, দেশে খাদ্য চাষ এবং সংরক্ষণ পর্যায়ে খাদ্যপণ্যে অনেক রাসায়নিক ব্যবহার করা হয়।
যা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। দেশের খাদ্য ব্যবসায়ীদের ডাটা সংগ্রহ করে একটি তথ্যভাণ্ডার করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ব্যবসার সঙ্গে জড়িতদের সচেতন করার পাশাপাশি, অনিরাপদ খাদ্য ব্যবস্থাপনা ঠেকাতে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সাভারে এনসিপির জনসভায় ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় তদন্ত হবে জানিয়ে তিনি বলেন, এর সঙ্গে জড়িতদের আটক করে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ সময় জুলাই গণ-অভ্যুত্থান নিয়ে কটূক্তির বিষয়ে তিনি বলেন, জুলাই নিয়ে কটূক্তি করা, মন্তব্য করা অত্যন্ত মর্মান্তিক। তবে আইনি কাঠামো অনুযায়ী এটি অপরাধের পর্যায়ে পড়ে না। এসব মন্তব্য ক্রিমিনাল অফেন্স হিসেবে গণ্য করা হবে কি না সেই আলোচনা চলতে পারে।
(ঢাকাটাইমস/৭ জুলাই/আরজেড)
ঢাকা টাইমস অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন











































