ছুটির দিনে দুই মহাসড়কে বাস দুর্ঘটনায় নিহত ১৬, আহত অর্ধশতাধিক

ছুটির দিনের সকালে দেশের দুই মহাসড়কে পৃথক দুটি বাস দুর্ঘটনায় অন্তত ১৬ জন নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে বগুড়া সদর উপজেলায় একটি বাস শ্রমিকদের ওপর উঠে গেলে সাতজন নিহত হন। অন্যদিকে সিলেটের ওসমানীনগরে দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে প্রাণ হারান আরও নয়জন। দুটি দুর্ঘটনায় অন্তত অর্ধশতাধিক মানুষ আহত হয়েছেন।
বগুড়ায় শ্রমিকদের ওপর বাস উঠে নিহত ৭
শুক্রবার ভোর সাড়ে ৫টার দিকে বগুড়া-নওগাঁ আঞ্চলিক মহাসড়কের সদর উপজেলার এরুলিয়া উচ্চবিদ্যালয়ের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
পুলিশ জানায়, ঢাকা থেকে নওগাঁগামী শাহ ফতেহ আলী পরিবহনের একটি শীতাতপনিয়ন্ত্রিত বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে কাজের অপেক্ষায় থাকা দিনমজুর ও কৃষিশ্রমিকদের ওপর উঠে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই তিনজন নিহত হন।
আহতদের উদ্ধার করে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও চারজনের মৃত্যু হয়। আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
বগুড়া সদর থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) শফিকুল ইসলাম বলেন, নিহত ও আহত ব্যক্তিরা ভোরে কাজের সন্ধানে এরুলিয়া বাজারের শ্রমিকের হাটে এসেছিলেন। নিহতদের মধ্যে বগুড়া সদর উপজেলার বেলাল এবং গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার আমিরুল ও নূর আলমের পরিচয় জানা গেছে। অন্যদের পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে।
সিলেটে মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৯
একই দিন সকাল সাড়ে ৭টার দিকে সিলেট-ঢাকা মহাসড়কের ওসমানীনগর উপজেলার দয়ামীর এলাকায় বেঙ্গল পরিবহন ও ইউনিক পরিবহনের দুটি বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়।
ওসমানীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম মোস্তফা জানান, দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলেই আটজন নিহত হন। পরে হাসপাতালে নেওয়ার পর আরও একজনের মৃত্যু হয়। নিহতদের মধ্যে একজন শিশু রয়েছে। সবাই ইউনিক পরিবহনের যাত্রী।
দুর্ঘটনায় আহত অন্তত ২৫ থেকে ৩০ জনকে বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য, সংঘর্ষের পর ইউনিক পরিবহনের বাসটি সড়কের পাশের খাদে পড়ে যায়। দুর্ঘটনার জন্য তাঁরা বেঙ্গল পরিবহনের বাসটিকে দায়ী করছেন।
পুলিশ জানিয়েছে, নিহতদের পরিচয় শনাক্ত এবং দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে কাজ চলছে।
ঢাকা টাইমস অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন












































