কলকাতায় হোটেলে আগুন: দেবাশীষ ও ছেলের শেষকৃত্য সম্পন্ন, স্ত্রী-শ্বশুরকে দাফন

স্ত্রী আফসানা শিম্মিন ও আড়াই বছরের ছেলে শর্ণশিষকে নিয়ে চিকিৎসার জন্য ভারতে গিয়েছিলেন সাংবাদিক দেবাশীষ দত্ত। তাদের সঙ্গে ছিলেন আফসানার বাবা আকরাম হোসেন। বেঙ্গালুরুতে ১৩ দিন থাকার পর তারা কলকাতায় যান। সেখানে একটি হোটেলে আগুনের ঘটনায় একই সঙ্গে প্রাণ হারান দেবাশীষ, তার স্ত্রী, ছেলে ও শ্বশুর।
চার দিন পর শনিবার রাতে কুষ্টিয়ায় ফিরেছে তাদের মরদেহ। দুটি অ্যাম্বুলেন্সে করে একই সময়ে শহরে প্রবেশ করলেও শেষযাত্রায় আলাদা হয়ে যান তারা। দেবাশীষ ও তার আড়াই বছরের ছেলে শর্ণশিষের শেষকৃত্য হয় মহাশ্মশানে। আর স্ত্রী আফসানা শিম্মিন ও শ্বশুর আকরাম হোসেনকে দাফন করা হয় পৌর গোরস্থানে।
শনিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে মরদেহবাহী অ্যাম্বুলেন্সটি হুইসেল বাজিয়ে কুষ্টিয়ার আড়ুয়াপাড়ায় দেবাশীষের বাড়ির গলিতে প্রবেশ করে। আগে থেকেই সেখানে অপেক্ষায় ছিলেন তার বাবা-মা, স্বজন, প্রতিবেশী ও দীর্ঘদিনের সহকর্মীরা।
বাড়িতে প্রায় আধা ঘণ্টা আনুষ্ঠানিকতা শেষে দেবাশীষ ও তার ছেলের মরদেহ নেওয়া হয় পাশের আড়ুয়াপাড়া আব্দুল করিম মেমোরিয়াল হল প্রাঙ্গণে। সেখানে তাদের শেষবারের মতো দেখতে ভিড় করেন এলাকাবাসী। পরে ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী দেবাশীষ ও তার ছেলে শর্ণশিষের মরদেহ নিয়ে স্বজন ও সহকর্মীরা কুষ্টিয়া মহাশ্মশানের দিকে রওনা হন। বাড়ি থেকে শ্মশানের দূরত্ব প্রায় এক কিলোমিটার। সেখানেই তাদের শেষকৃত্য সম্পন্ন করা হয়।
অন্যদিকে, দেবাশীষ ও শর্ণশিষের শেষকৃত্যের প্রস্তুতির সময় আফসানা শিম্মিন ও আকরাম হোসেনের দাফনের প্রস্তুতি চলছিল থানাপাড়ার বাসায়। জানাজার পর তাদের মরদেহ নেওয়া হয় পৌর গোরস্থানে।
স্বজনেরা জানান, রাতের মধ্যেই সব আনুষ্ঠানিকতা শেষ করে দেবাশীষ ও শর্ণশিষকে মহাশ্মশানে সমাহিত করা হয়। আর আফসানা ও আকরাম হোসেনকে দাফন করা হয় পৌর গোরস্থানে।
কুষ্টিয়া সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি আব্দুর রাজ্জাক বাচ্চু বলেন, দেবাশীষের পরিবারের জন্য আর্থিক সহযোগিতার উদ্যোগ নেওয়া হবে। তাদের পরিবারের মাথা গোঁজার ঠাঁই নেই। সেটিরও ব্যবস্থা করার চেষ্টা করা হবে।
(ঢাকা টাইমস/২৩আগস্ট/এসএ)
ঢাকা টাইমস অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন











































