বিমান বাংলাদেশের বিজি-১৩৬ ফ্লাইটে যাত্রীর মৃত্যু, মাসকাটে আটকে আছে

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বিজি-১৩৬ ফ্লাইটে এক যাত্রীর মৃত্যুর পর ওমানের মাসকাট বিমানবন্দরে আটকে আছে উড়োজাহাজটি। মরদেহটি উড়োজাহাজ থেকে নামানোর জন্য এখনো রয়্যাল ওমান পুলিশের অনুমতি পাওয়া যায়নি। ফলে প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষ না হওয়া পর্যন্ত ফ্লাইটটির পরবর্তী যাত্রা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন ফ্লাইটের অন্য যাত্রীরা।
বুধবার (২৬ আগস্ট) বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
সূত্র জানায়, চিকিৎসাজনিত জরুরি পরিস্থিতির কারণে বিজি-১৩৬ ফ্লাইটটি নির্ধারিত গন্তব্যে না গিয়ে মাসকাটে জরুরি অবতরণ করে। ফ্লাইটে থাকা এক যাত্রীর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে পাইলট জরুরি অবতরণের সিদ্ধান্ত নেন। পরে ওই যাত্রীর মৃত্যু হয়।
মাসকাট বিমানবন্দরে উড়োজাহাজটি অবতরণের পর মরদেহটি নামানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়। তবে ওমানের স্থানীয় আইন ও বিধি অনুযায়ী, উড়োজাহাজ থেকে মরদেহ নামাতে রয়্যাল ওমান পুলিশের অনুমতি প্রয়োজন। এখনো সেই অনুমতি না পাওয়ায় মরদেহটি উড়োজাহাজের ভেতরেই রয়েছে।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের পক্ষ থেকে মরদেহ নামানোর অনুমতির জন্য রয়্যাল ওমান পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে। অনুমতি পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় আইনি ও প্রশাসনিক আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করে মরদেহটি উড়োজাহাজ থেকে নামানো হবে। এরপর ফ্লাইটটির পরবর্তী যাত্রার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
বিজি-১৩৬ ফ্লাইটে ব্যবহৃত উড়োজাহাজটির নিবন্ধন নম্বর এস২-এএফপি। চিকিৎসাজনিত জরুরি পরিস্থিতির কারণে নির্ধারিত গন্তব্যের পরিবর্তে এটি মাসকাটে অবতরণ করে।
এদিকে দীর্ঘ সময় উড়োজাহাজটি মাসকাট বিমানবন্দরে আটকে থাকায় ফ্লাইটের অন্য যাত্রীরাও দুর্ভোগে পড়েছেন। মাসকাট থেকে উড়োজাহাজটি কখন পরবর্তী গন্তব্যের উদ্দেশে ছেড়ে যাবে, তা এখনো নিশ্চিত করা যায়নি।
বিমান সূত্র আরও জানায়, পরিস্থিতি মোকাবিলায় ওমানের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। পুলিশের অনুমতি ও প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষ হওয়ার পর দ্রুত ফ্লাইটটি ছাড়ার ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উল্লেখ্য, বিজি-১৩৬ ফ্লাইটটির বুধবার বেলা ১১টায় সৌদি আরবের জেদ্দা থেকে চট্টগ্রাম হয়ে ঢাকায় পৌঁছানোর কথা ছিল।
(ঢাকাটাইমস/২৬ আগস্ট/আরজেড)
ঢাকা টাইমস অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন













































