বরিশাল উত্তর জেলা বিএনপির দফতরের দায়িত্ব পেলেন রফিকুল ইসলাম কাজল

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) বরিশাল উত্তর জেলা শাখার দাপ্তরিক কার্যক্রম আরও সুসংগঠিত ও গতিশীল করতে দলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য রফিকুল ইসলাম কাজলকে জেলার দফতরের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
গত ২৬ আগস্ট বরিশাল উত্তর জেলা বিএনপির পক্ষ থেকে এ বিষয়ে একটি দাপ্তরিক চিঠি জারি করা হয়। জেলা বিএনপির দলীয় প্যাডে দেওয়া ওই চিঠিতে যৌথভাবে স্বাক্ষর করেন আহ্বায়ক দেওয়ান মো. শহিদুল্লাহ ও সদস্যসচিব মিজানুর রহমান খান মুকুল।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, সাংগঠনিক কার্যক্রমের পাশাপাশি জেলার দাপ্তরিক কাজ আরও সমন্বিতভাবে পরিচালনার লক্ষ্যেই রফিকুল ইসলাম কাজলকে এ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তাঁর সাংগঠনিক দক্ষতা, মেধা ও বিচক্ষণতার মাধ্যমে জেলা বিএনপির দাপ্তরিক কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে বলে চিঠিতে প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়েছে।
ছাত্রজীবন থেকেই বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত রফিকুল ইসলাম কাজল। দলীয় সূত্রের দাবি, ১৯৯০ সালের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন থেকে শুরু করে বিভিন্ন গণতান্ত্রিক আন্দোলন ও রাজনৈতিক কর্মসূচিতে তিনি সক্রিয় ছিলেন।
বিশেষ করে আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে গৌরনদী ও বরিশালের রাজপথে নেতা-কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে তিনি সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন বলে দলীয় নেতাকর্মীরা জানিয়েছেন।
দলীয় নেতাকর্মীদের ভাষ্য অনুযায়ী, দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে রফিকুল ইসলাম কাজল নেতা-কর্মীদের সুখে-দুঃখে পাশে থেকেছেন। গৌরনদী উপজেলা ও বরিশাল উত্তর অঞ্চলে তিনি পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির নেতা হিসেবে পরিচিত বলেও দাবি করেন স্থানীয় নেতাকর্মীরা।
করোনাকালেও গৌরনদীর অসহায় ও দুস্থ মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে তিনি সহযোগিতা করেছেন বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।
রফিকুল ইসলাম কাজল বরিশালের গৌরনদী উপজেলার বার্থী ইউনিয়নের বাসিন্দা। জেলা বিএনপির দাপ্তরিক দায়িত্ব পাওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর বার্থী ইউনিয়নসহ গৌরনদী উপজেলার বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্যে উচ্ছ্বাস দেখা দিয়েছে।
বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা তাঁকে অভিনন্দন জানিয়ে নতুন দায়িত্বে সফলতা কামনা করেছেন। তাঁদের প্রত্যাশা, নতুন দায়িত্বে কাজল জেলা বিএনপির দাপ্তরিক কার্যক্রমে সমন্বয় বাড়ানোর পাশাপাশি তৃণমূলের সঙ্গে দলের যোগাযোগ আরও সুদৃঢ় করতে ভূমিকা রাখবেন।
নতুন দায়িত্ব প্রসঙ্গে রফিকুল ইসলাম কাজল বলেন, ‘আমি সারাজীবন জনতার কাতারে থেকে সাধারণ মানুষের ভাগ্য উন্নয়নে কাজ করেছি। রাজনৈতিক জীবনে কোনো দিন দলকে ফাঁকি দিয়ে রাজনীতি করিনি বা প্রাপ্তি-অপ্রাপ্তির হিসাব করিনি। নিজ এলাকায় অবস্থান করে দলীয় নেতা-কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে সবসময় দলের কর্মসূচি বাস্তবায়ন করেছি।’
তিনি বলেন, ‘আওয়ামী দুঃশাসনের সময় নেতা-কর্মীদের ফেলে অন্য কোথাও পালিয়ে যাইনি, বরং মাঠে থেকেছি—যে কারণে আমাকে মিথ্যা মামলা ও নানা হয়রানির শিকার হতে হয়েছে।’
নতুন দায়িত্ব সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘দল যে আস্থার জায়গা থেকে আমার ওপর এই দায়িত্ব অর্পণ করেছে, আমি আমার জীবনের শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে তা নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করব।’
(ঢাকাটাইমস/২৭ আগস্ট/আরজেড)
ঢাকা টাইমস অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন













































