বিএসইসি কর্মকর্তা আনোয়ারুল ইসলামের বিরুদ্ধে যত অভিযোগ

অর্থ মন্ত্রণালয়ের নির্দেশ দেওয়ার পরও বাংলাদেশ সিকুউরিটি এক্সচেঞ্জ কমিশনের এক্সকিউটিভ ডাইরেক্টর মোহাম্মদ আনোয়ারুল ইসলাম বিভিন্ন ব্রোকার হাউজ এর ট্রেড চালু করছে না।
বিগত ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের আমল থেকে বর্তমান সরকার বি এন পি আমলেও বাংলাদেশ সিকুউরিটি এক্সচেঞ্জ কমিশনের এবং ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের মাফিয়া মোহাম্মদ আনোয়ারুল ইসলাম (এক্সিকিউটিভ ডাইরেক্টর ,মারকেট গোয়েন্দা ও তদন্ত এবং মারকেট ইন্টারমিডিয়ারি বিভাগের প্রধান)
এই বিষয়ে খতিয়ে যা জানতে পারলাম বিগত ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকারের প্রভাবশালী জনাব সালমান এফ রহমানের সহচর বাংলাদেশ সিকুউরিটি এক্সচেঞ্জ কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান শিবলী রুবাইয়াত এবং কমিশনার তারিকুজ্জামানের ঘনিষ্ট সহচর মোহাম্মদ আনোয়ারুল ইসলাম ,(এক্সিকিউটিভ ডাইরেক্টর ,মারকেট গোয়েন্দা ও তদন্ত এবং মারকেট ইন্টারমিডিয়ারি বিভাগের প্রধান।)জনাব আনোয়ারুল ইসলাম বিগত ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকারের আমল সহ ইন্টারিয়াম সরকারের আমলে বিশেষ সুবিধাভোগি ,বর্তমানেও বি এন পি সরকারের আমলেও সেই সুবিধা ভোগ করছে কোন এক অদৃশ্য ছায়ার তলে থেকে ,ধারনা করা যায় সাবেক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমানের কাছে মারজিন লোনের টাকা আদায়ের চেষ্টা করার জন্ন্যই তার একান্ত খাস লোক বাংলাদেশ সিকুউরিটি এক্সচেঞ্জ কমিশনের সাবেক কমিশনার তারিকুজ্জামানের ইশারায় তার বিশ্বস্ত ঘনিষ্ট সহচর মোহাম্মদ আনোয়ারুল ইসলাম ,(এক্সিকিউটিভ ডাইরেক্টর ,মারকেট গোয়েন্দা ও তদন্ত এবং মারকেট ইন্টারমিডিয়ারি বিভাগের প্রধান) এর মাধ্যমে বিষয়টি কে জটিল করানো হচ্ছে , বেশ কয়েকটি ব্রোকার হাউজে সালমান এফ রহমানের বিনিয়োগ/ঋণ হিসাব রয়েছে। উক্ত হিসাবে মার্জিন ঋণ সমন্বয় করার জন্য তাকে তাগাদা প্রদান করা হলে, তিনি ক্ষুব্ধ হয়ে তার প্রভাব খাটিয়ে অত্র প্রতিষ্ঠানে তৎকালীন (২০২৩ইং-২০২৬ইং) স্টক এক্সচেঞ্জ ও মাননীয় কমিশন কর্তৃক কোম্পানিকে দীর্ঘদিন যাবত অনেক হয়রানি্মূলক তদন্ত করিয়েছেন, যার ফলে অনেক ব্রোকার কোম্পানি ব্যবসায়িকভাবে অনেক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। উক্ত তদন্তের প্রেক্ষিতে কমিশন কর্তৃক অনেক কোম্পানীর বিরুদ্ধে অযাচিত হয়রানিমূলক/শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে বাংলাদেশ সিকুউরিটি এক্সচেঞ্জ কমিশনের এবং ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের মাফিয়া মোহাম্মদ আনোয়ারুল ইসলাম (এক্সিকিউটিভ ডাইরেক্টর ,মারকেট গোয়েন্দা ও তদন্ত এবং মারকেট ইন্টারমিডিয়ারি বিভাগের প্রধান ), তার প্রভাব খাটিয়ে ব্পুজিবাজারের স্বাভাবিক বিনিয়োগ বিঘ্নিত করছে যাতে করে ব্রোকার হাউজ গুলো ব্যবসা না করতে পারে।
বাংলাদেশ সিকুউরিটি এক্সচেঞ্জ কমিশনের এবং ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের মাফিয়া মোহাম্মদ আনোয়ারুল ইসলাম ,এক্সিকিউটিভ ডাইরেক্টর ,মারকেট গোয়েন্দা ও তদন্ত এবং মারকেট ইন্টারমিডিয়ারি বিভাগের প্রধান। উনি বর্তমানে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের ধারাবাহিক দর পতনের জন্য অন্যতম কারিগর , উনার প্রভু সালমান এফ রহমান এবং সাবেক বাংলাদেশ সিকুউরিটি এক্সচেঞ্জ কমিশনের কমিশনার তারিকুজ্জামানের হুকুমেই বাজার দর পতনের ঘটনা ঘটাচ্ছেন তার সরকারি ক্ষমতা ব্যবহার করে , কোন অভিযোগ ছাড়াই ব্রোকার হাউজ গুলোকে বেআইনি চিঠি পাঠাচ্ছে , সরাসরি ফোনে থ্রেড করছে , কেনো হাউজ গুলোতে এতো বেশি শেয়ার কেনা হচ্ছে ,মারকেট উপরের দিকে উঠতে গেলেই উনি নাক গলাচ্ছেন ,মারকেট পড়ে গেলে উনি প্রভুদের মন জয় করছেন। ব্রোকার হাউজ গুলোকে জরিমানার ভয় দেখাচ্ছে ,একের পর এক উদ্ভট আইন বানিয়ে বিনয়োগকারিদের বিভ্রান্ত করে তুলেছেন এই কমকর্তার যে সকল ব্রোকার হাউজের প্রতিনিধিরা তার সাথে দেখা করে সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করছে তাদের কাছে নগদ অর্থ দাবী করছে ,সে বলে বেড়াচ্ছে অর্থ মন্ত্রী ,পুজিবাজার উপদেষ্টা ,চেয়ারম্যান ,কমিশনার এবং সরকারের আরও অনেকই টাকা দিয়ে ম্যানেজ করা লাগে এ যেন দিনে দুপুরে চাদাবাজি কিংবা ডাকাতি করছে বাংলাদেশ সিকুউরিটি এক্সচেঞ্জ কমিশনের এবং ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের মাফিয়া মোহাম্মদ আনোয়ারুল ইসলাম (এক্সিকিউটিভ ডাইরেক্টর ,মারকেট গোয়েন্দা ও তদন্ত এবং মারকেট ইন্টারমিডিয়ারি বিভাগের প্রধান) যদি এর ভিতর কেউ যদি উনাকে অর্থ সুবিধা দেয় তাদেরকে উনি বিশেষ বিবেচনায় ছেড়ে দিচ্ছে।ইতমধ্যে ব্রোকার হাউজ গুলোর রেগুলেটরি প্রতিষ্ঠান থেকে সব ধরনের ক্লিয়ারেন্স যথাযথ ফি/কমপ্লায়েন্স প্রদান সাপেক্ষে ডিএসই ও সিএসই এর স্টক-ব্রোকার, স্টক-ডিলার এবং সিডিবিএল এর ডিপি রেনুয়ালের জন্য যাবতীয় কাগজপত্র বাংলাদেশ সিকুউরিটি এক্সচেঞ্জে এবং সিডিবিএল এর মেয়াদ শেষ হওয়ার পুবেই জমা দেওয়া থাকলেও , যে সকল কোম্পানীর CCA (Consolidate Customer Account) surplus এবং Stock Reconciliation clear থাকা সত্তেও উনি উনার ক্ষমতা বলে সময় ক্ষেপন করে কোন ঘোষণা ছাড়াই ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের মাধ্যমে ব্রোকার হাউজগুলোর ট্রেড সাসপেন্ড করে পরে চিঠি পাঠায় ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের মাধ্যমে ,ভুক্তভোগী কোম্পানি গুলোর রেনুয়াল যাতে যথসময়ে না সম্পন্ন হয় তার জন্য তার প্রভাব খাটিয়ে প্রায় ১ লক্ষ বিনিয়োগকারীদের সবনাশ করছেন। কোম্পানী গুলোর সাথে জড়িত ১ লক্ষ বিনিয়োগকারীর স্বার্থ সুরক্ষায় সংশ্লিষ্ট বিষয়টি বিবেচনা না করে তার প্রভুদের হুকুম তালিম করছে বহাল তবিয়তে ।
উল্লেখ্য বিষয় হলো জনাব মোহাম্মদ আনোয়ারুল ইসলাম এক্সিকিউটিভ ডাইরেক্টর একান্ত ব্যাক্তিগত কারন এবং বিগত ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকারের জনাব সালমান এফ রহমান এবং সাবেক বাংলাদেশ সিকুউরিটি এক্সচেঞ্জ এর চেয়ারম্যান শিবলী রুবাইয়াত এবং কমিশনার তারিকুজ্জামানের স্বাথ উদ্ধার করার জন্য প্রায় ১ লক্ষ ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের ক্ষতিগ্রস্থ করার জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে ,যাতে করে মারকেট আরও ক্ষতিগ্রস্থ হয় এবং বর্তমান সরকার যেন বিপদ গ্রস্ত হয় সেই ব্যবস্থা করছেন ,এই কমকর্তা বাংলাদেশ সিকুউরিটিজ এক্সচেঞ্জ কমিশন এবং ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ কে হাতিয়ার বানিয়ে লক্ষ লক্ষ বিনিয়োগকারীদের পথের ফকির বানাবার চেষ্টা করছে যা সম্পুর্ন উদ্দেশ্য প্রনিত বলে প্রতিয়মান।
বাংলাদেশ সিকুউরিটি এক্সচেঞ্জ কমিশনের এবং ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের মাফিয়া মোহাম্মদ আনোয়ারুল ইসলাম (এক্সিকিউটিভ ডাইরেক্টর ,মারকেট গোয়েন্দা ও তদন্ত এবং মারকেট ইন্টারমিডিয়ারি বিভাগের প্রধান) বিগত ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকারের আমলে টুংগিপাড়ায় শেখ মুজিবের কবরে এবং ধানমন্ডি ৩২ নং শ্রদ্ধা নিবেদন করার জন্য গিয়েছিলো , বিগত ততকালিন সরকারের বাংলাদেশ সিকুউরিটি এক্সচেঞ্জ কমিশনের সাবেক কমিশনার তারিকুজ্জামান সাথে সরকারি কমকর্তা হিসেবে শ্রদ্ধা নিবেদন করতে যাওয়াটা আইন বহির্ভূত এবং এতেই প্রমানিত হয় যে সে একজন ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলের সুবিধাভোগী। তার এই শ্রদ্ধা নিবেদনের বিষয়টি বিভিন্ন পত্রিকাতে ( রেফারেন্স সান বিডি পত্রিকা ) প্রকাশিত হয়েছে যা সংযুক্তি হিসেবে পত্রিকার কপি রেফারেন্স দেয়া হলো। এই প্রভুভক্ত ফ্যাসিস্ট কে যদি বাংলাদেশ সিকুউরিটি এক্সচেঞ্জ থেকে না সরানো হয় তবে বাংলাদেশের শেয়ার বাজার ঘুরে দাড়ানো তো দুরের কথা উল্টো বিনিয়োগকারীদের ফকির বানিয়ে পথে বসিয়ে সরকারকে উৎখাত করিয়ে ছাড়বে এই কমকর্তা।
(ঢাকাটাইমস/২৭ সেপ্টেম্বর/আরজেড)
ঢাকা টাইমস অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন










