রুম্পার মৃত্যুর ঘটনায় ‘ছেলেবন্ধু’ আটক

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকাটাইমস
 | প্রকাশিত : ০৭ ডিসেম্বর ২০১৯, ২২:৫৪

রাজধানীর স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী রুবাইয়াত শারমিন রুম্পার মৃত্যুর ঘটনায় তার এক বন্ধুকে আটক করেছে পুলিশ। আবদুর রহমান সৈকত নামের এই তরুণকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য মিন্টো রোডের গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের কার্যালয়ে নেওয়া হয়েছে।

ঢাকা মহানগর পুলিশের উপকমিশনার মাসুদুর রহমান সংবাদমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

স্টাম্পফোর্ডের সাবেক ছাত্র সৈকত নিহত রুম্পার ছেলেবন্ধু বলে জানা গেছে।

রুম্পাকে ভবন থেকে ফেলে, নাকি ধর্ষণের পর হত্যা করে মরদেহ ফেলে রাখা হয়েছিল, সেই রহস্য এখনো উদ্ধার হয়নি। তার পরিবার ও সহপাঠীদের দাবি, তাকে হত্যা করা হয়েছে। হত্যাকারীদের চিহ্নিত করার দাবিতে স্টাম্পফোর্ড বিশ্বদ্যিালয়ের শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা দুই দিন ধরে আন্দোলন করছেন।

গত বুধবার রাত পৌনে ১১টার দিকে সিদ্ধেশ্বরীর ৬৪/৪ নম্বর বাসার নিচে স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী রুবাইয়াত শারমিন রুম্পার মরদেহ পাওয়া যায়। তাকে অজ্ঞাত হিসেবে উদ্ধার করে পুলিশ। পরদিন বৃহস্পতিবার রমনা থানায় ছবি দেখে রুম্পার মরদেহ শনাক্ত করে তার পরিবারের লোকজন।

বৃহস্পতিবার সকালে পুলিশ বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে রমনা থানায় হত্যা মামলা করেন।

প্রিয় সহপাঠীর এমন মৃত্যু মেনে নিতে পারছেন না তার রুম্পার সহপাঠীরা। শুক্রবার শনিবার রাজধানীর বেইলি রোডে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস এলাকায় মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেন তারা। দোষীদের শাস্তির আওতায় এনে বিচারের দাবি জানান তারা।

২৫৫ শান্তিবাগে পরিবারসহ থাকতেন রুম্পা। এক ভাই এক বোনের মধ্যে সবার ছিলেন তিনি। তার বাবা রোকনউদ্দিন হবিগঞ্জের একটি পুলিশ ফাঁড়ির পুলিশ পরিদর্শক।

জানা যায়, ঘটনার দিন রুম্পা দুটি টিউশনি করে সন্ধ্যায় বাসায় ফেরেন। পরে কাজ আছে বলে বাসা থেকে বেরিয়ে যান। কিন্তু রাতে আর বাসায় ফেরেনি। স্বজনেরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজ করেও তার সন্ধান পাননি। পরে খবর পেয়ে রমনা থানায় গিয়ে লাশের ছবি দেখে রুম্পাকে শনাক্ত করেন তারা।

 (ঢাকাটাইমস/৭নভেম্বর/মোআ)

সংবাদটি শেয়ার করুন

রাজধানী বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

শিরোনাম :