শাবিতে শ্বেতপত্র বিতরণের অভিযোগে আটক ৩

শাবি প্রতিনিধি, ঢাকাটাইমস
 | প্রকাশিত : ২৩ জানুয়ারি ২০২০, ২২:৪৫

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক কর্মকর্তাদের নিকট বেনামে শ্বেতপত্র বিলির সময় তিনজনকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলরসহ বিভিন্ন শিক্ষক কর্মকর্তাদের নামে মিথ্যা তথ্য উপস্থাপন করে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার অভিযোগে তাদের আটক করা হয়।

আটকরা হলেন- শামীম আহমদ, বিভাষ চক্রবর্তী ও প্রান্ত দাস। আটকরা নিজেদের কুরিয়ার সার্ভিসের ‘ডেলিভারি ম্যান’ হিসেবে পরিচয় দিলেও তাদের কাছে উপযুক্ত প্রমাণাদি না থাকার অভিযোগে আটক করা হয় বলে জানান বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম।

গত ১৯ জানুয়ারি থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক কর্মকর্তাদের নিকট বেনামে একটি শ্বেতপত্র আসে। বিষয়টি জানিয়ে জালালাবাদ থানা, সিলেট এ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনের পক্ষ থেকে একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়। পরদিন (গত বুধবার) দুপুর ১২টা ৪০মিনিটে শামীম আহমদকে শিক্ষা ভবন-ই থেকে ১৫টি খামবন্দি শ্বেতপত্র বিলি করার সময় আটক করা হয়। শ্বেতপত্রে শাবিপ্রবির বর্তমান উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদের বিভিন্ন ‘অপকর্মের’ বিবরণ লেখা আছে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে ‘ডেলিভারি ম্যান’ হিসেবে কোনো প্রমাণ দেখাতে না পারায় সন্দেহ তৈরি হয়। পরে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করলে সে ডেলিভারি সার্ভিসের অফিস সহকারী বিভাষ চক্রবর্তী ও বুকিং সহকারী প্রান্ত দাসের নাম প্রকাশ করে এবং তাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে ডেকে নিয়ে আসে। কিন্তু তাদেরও কথাবার্তা সন্দেহ হওয়ায় এবং কুরিয়ার সার্ভিসের কোনো পরিচয়পত্র দেখাতে না পারায় থানায় হস্তান্তর করা হয়।

জালালাবাদ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওকিল উদ্দিন বলেন, ‘আটকদের ৫৪ ধারায় অভিযোগ দেখিয়ে মামলা করা হয়েছে এবং আদালতে পাঠানো হয়।’

উল্লেখ্য, গত বছরের ২১ সেপ্টেম্বর শাবি ভিসি অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদের বিরুদ্ধে প্রথম শ্বেতপত্র প্রকাশিত হয়। এটিকে শ্বেতপত্রের ‘দ্বিতীয় কিস্তি’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

(ঢাকাটাইমস/২৩জানুয়ারি/কেএম/এলএ)

সংবাদটি শেয়ার করুন

শিক্ষা বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

শিরোনাম :