শাওনের পরিবারের দায়িত্ব নেবে বিএনপি: রিজভী

মুন্সিগঞ্জ প্রতিনিধি, ঢাকাটাইমস
| আপডেট : ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১০:৪৮ | প্রকাশিত : ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০৮:৪৪

মুন্সীগঞ্জে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে গুলিতে নিহত যুবদল কর্মী শহিদুল ইসলাম শাওন ভূঁইয়ার দাফন সম্পন্ন হয় হয়েছে।

শুক্রবার রাত ১০টা দিকে সদর উপজেলার মিরকাদিম মুরমা এলাকার জামে মসজিদ জানাজা শেষে স্থানীয় সামাজিক কবরস্থানে মরদেহ সমাহিত করা হয়।

জানাজায় অংশ নেয় স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার কয়েক শতাধিক মানুষ। এসময় জানাজাস্থলে পুলিশ সদস্যদের উপস্থিতি দেখা যায়।

এর আগে রাত সাড়ে ৮টার দিকে মুন্সীগঞ্জ সদরের উপজেলার মিরকাদিম মুরমা এলাকায় বাড়িত পৌঁছায় শাওনের মরদেহ। এসময় স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে ওঠে পরিবেশ।

এদিকে রাতেই শাওনের বাড়িতে আসেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব রহুল কবির রিজভী। তিনি শাওনের পরিবার ও সন্তানের দায়িত্ব বিএনপি বেবে বলেন জানান সাংবাদিকদের।

রিজভী বলেন, শাওনের মতো অন্যায়ভাবে যাদের হত্যা করা হয়েছে প্রতিটি হত্যাকাণ্ডের বিচার হবে। শাওন জীবন দিয়েছে দেশের জন্য, গণতন্ত্রের জন্য। গণতন্ত্রের যে কর্মসূচি, মানুষের পক্ষের যে কর্মসূচি জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি, নিত্যপণের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদ করতে সে বিএনপির কর্মসূচিতে আসে। সেখানে তাকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। সতরাং তার আত্মদান দেশবাসী ভুলবে না, দল তার পরিবারের দায়িত্ব নিবে। নীতি নির্ধারকরা বসে এ বিষয়ে কর্মসূচি গ্রহণ করবে।

তিনি দাবি করেন, শাওন স্থানীয় যুবদলের গুরুত্বপূর্ণ নেতা। তিনি সাংগঠনিক সম্পাদক।

এদিকে পরিবার সূত্রে জানা যায়, ৪ ভাই ১ বোনের মধ্যে শাওন সবার বড়। সৎ মা লিপি বেগমের কাছে বড় হয়েছেন শাওন। গতবছর বিয়ে করেন তিনি। সে ঘরে রয়েছে ৮ মাসের সাহাত নামের এক সন্তান। রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার বিষয়টি পরিবারের লোকজন জানত না।

প্রসঙ্গত, বুধবার দুপুরে মুন্সীগঞ্জে বিএনপির বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে মুক্তারপুরে পুলিশ ও বিএনপি নেতাকর্মীদের দফায় দফা সংঘর্ষে রণক্ষেত্র পরিণত হয়। বিকাল সাড়ে ৩টা থেকে সাড়ে ৪টা পর্যন্ত ঘন্টাব্যাপী এ সংঘর্ষ চলে। এ সময় ৮টি মোটরসাইকেল ভাংচুর ও আগুনে পুড়িয়ে দেন বিএনপি নেতাকর্মীরা। সংঘর্ষে পুলিশের এএসপি, সদর থানা ওসিসহ ১০পুলিশ সদস্য আহত হন। বিএনপির অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী আহত হয়েছে বলে জানান নেতাকর্মীরা।

এদিকে সংঘর্ষের ঘটনায় সংবাদ সংগ্রহকালে আহত হন তিন সাংবাদিক। সংঘর্ষে গুরুত্বর আহত অবস্থায় যুবদলকর্মী শাওন ও জাহাঙ্গীর নামের আরেকজনকে ঢাকায় রেফার্ড করা হয়। তিনি গুলিবিদ্ধ হয়েছিলেন।

বৃহস্পতিবার রাতে দিকে চিকিৎসা অবস্থায় শাওনের মৃত্যু হয়। ওই সংঘর্ষের ঘটনায় পুলিশ ও শ্রমিক লীগের দুই মামলায় ৩৬৫ জনের নাম উল্লেখ্যসহ ১ হাজার ৩৬৫ জন বিএনপি নেতাকর্মীকে আসামি করা হয়েছে।

(ঢাকাটাইমস/২৪সেপ্টেম্বর/এসএম)

সংবাদটি শেয়ার করুন

রাজনীতি বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

শিরোনাম :