কথায় কথায় মানুষ পেটানো এডিসি হারুন কোথায়? থানায় ছাত্রলীগ নেতাদের মারধরের তদন্ত কোথায় আটকে গেল?

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা টাইমস
| আপডেট : ২৫ এপ্রিল ২০২৪, ০৯:৫০ | প্রকাশিত : ২৫ এপ্রিল ২০২৪, ০৯:১০

কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের দুই নেতাকে শাহবাগ থানায় তুলে এনে নির্দয় শারীরিক নির্যাতন ও দাঁত উপড়ে (পাঁচটি) ফেলার ঘটনা তদন্তে কমিটি করেছিল ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। তিন সদস্যের এই কমিটিকে দু'দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছিল। কিন্তু আলোচিত এই ঘটনায় সাড়ে সাত মাসেও শেষ হয়নি তদন্ত। এতে প্রশ্ন উঠেছে আদৌও কি আলোর মুখ দেখবে তদন্ত প্রতিবেদন? শাস্তি পাবেন ডিএমপির সাবেক এডিসি (অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার) হারুন-অর রশীদসহ ঘটনার সঙ্গে জড়িত পুলিশ সদস্যরা?

থানা হেফাজতে নিয়ে ছাত্রলীগের দুই নেতাকে পিটিয়ে সাময়িক বরখাস্ত হওয়ার পর থেকে রংপুর রেঞ্জে সংযুক্ত রয়েছেন এডিসি হারুন। আর যে নারী পুলিশ কর্মকর্তার কারণে ঘটনার সূত্রপাত সেই এডিসি সানজিদা আফরিন নিপাও স্বপদে বহাল আছেন। বর্তমানে তিনি ডিএমপিতে পূর্বের পদেই (ক্রাইম বিভাগে) কর্মরত। ঘটনার পর তার বিরুদ্ধেও কোনো ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। অভিযোগ ছিল, সানজিদার সঙ্গে এডিসি হারুনের পরকীয়া প্রেমের সম্পর্ক। ঘটনার দিন বারডেম হাসপাতালে ডাক্তার দেখাতে যান এডিসি সানজীদা। আর সেখানে উপস্থিত ছিলেন এডিসি হারুনও। ঘটনাস্থলে এসে সানজীদার সঙ্গে হারুনকে দেখে অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটান তার স্বামী। এতেই ক্ষুব্ধ হন হারুন। সানজীদার স্বামী ও ছাত্রলীগ নেতাদের শায়েস্তা করতে পুলিশি ক্ষমতার অপব্যবহার করেন তৎকালীন রমনা জোনের এডিসি হারুন। ওই নারী কর্মকর্তার স্বামী আজিজুল হক রাষ্ট্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের একজন কর্মকর্তা।

এদিকে বুধবার ডিএমপির গঠন করা তদন্ত কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে ঢাকা টাইমস। তারা জানিয়েছেন, তদন্ত এখনো শেষ হয়নি; ওভাবেই আছে। আপাতত তদন্ত শেষ করতে বড় কর্মকর্তাদের তেমন কোনো নির্দেশনা নেই। কবে নাগাদ তদন্ত শেষ হবে সেবিষয়েও তারা কোনো তথ্য দিতে পারেননি।

ডিএমপির পর এই ঘটনায় তদন্ত কমিটি করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। কমিটি অনেকের সাক্ষ্যপ্রমাণ নিয়েছে। তবে সেই প্রতিবেদনও এখনো জমা হয়নি।

সূত্র জানায়, পুলিশ কর্মকর্তা হারুন অর রশীদ, সানজিদা আফরিন, তার স্বামী আজিজুল হক, আহত দুই ছাত্রলীগ নেতা এবং বারডেম হাসপাতালের কর্মচারীসহ ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবার বক্তব্য রেকর্ড করেছেন তদন্ত সংশ্লিষ্টরা। এছাড়া ঘটনার ফুটেজও সংগ্রহ করেছেন তারা।

এর আগে ৯ সেপ্টেম্বর রাতে থানা অভ্যন্তরে অস্ত্রের বাঁট, পুলিশের পায়ের বুট ও লাঠি দিয়ে ছাত্রলীগের দুই নেতাকে নির্মমভাবে নির্যাতন করা হয়। ভুক্তভোগীরা হলেন- কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও ফজলুল হক হলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন নাঈম এবং ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির বিজ্ঞানবিষয়ক সম্পাদক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদুল্লাহ হলের সাধারণ সম্পাদক শরীফ আহমেদ মুনিম। এদের মধ্যে আনোয়ার হোসেন নাঈম এখনো পরিপূর্ণ সুস্থ হতে পারেননি। তিনি কৃত্রিমভাবে দাঁত স্থাপন করেছেন। তবে পুলিশের পায়ের বুটের আঘাতে তার নাক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। সেটা অপারেশন করতে হবে।

ভুক্তভোগী ছাত্রলীগ নেতা শরীফ আহমেদ ঢাকা টাইমসকে বলেন, ‘ঘটনার অনেকদিন হয়ে গেছে, তদন্ত এখন কী অবস্থায় আছে সেটা জানি না। আমি শারীরিকভাবে সুস্থ হলেও নাঈম এখনো সুস্থ হননি। কিছুদিন পর তার নাকের অপারেশন লাগবে।’

শরীফ বলেন, তখন দুই দিনে তদন্ত শেষ হবে বলা হয়েছিল, এখন তো সাড়ে সাত মাস হয়ে গেল। তবে দেরি হলেও আমাদের নির্যাতনকারী পুলিশ কর্মকর্তার শাস্তি হোক।

ছাত্রলীগের একটি সূত্র জানিয়েছে, সম্প্রতি শারীরিক অসুস্থতার দোহাই দিয়ে রংপুর থেকে দিয়ে ঢাকায় আসেন সাময়িক বরখাস্ত হারুন। তিনি অনেককে বলেছেন কিছুদিন পর ঢাকায় ঢুকবেন; মারধনের ঘটনায় তার কিছুই হবে না। বিভিন্ন জায়গায় লবিং চালিয়ে যাচ্ছেন।

পুলিশ কর্মকর্তা হারুনের অবস্থান সম্পর্কে রংপুর রেঞ্জের দু'জন ঊধ্বর্তন কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করে ঢাকা টাইমস। তারা জানান, বর্তমানে হারুন রংপুরেই আছেন। অফিসে তার বসার কোনো টেবিল নেই, তবে রেঞ্জ অফিসে আসেন। ক'দিন অসুস্থতার ছুটিতে ছিলেন। ছুটি নিয়ে কী করেছেন সেটা তিনিই বলতে পারবেন।

হারুন-সানজীদা কাণ্ডে ডিএমপির তদন্ত কমিটি ১০ সেপ্টেম্বর থেকে কাজ শুরু করে। প্রথমে দু'দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দেওয়ার নির্দেশনা থাকলেও কয়েকদফা তা বাড়ানো হয়। এই ঘটনার সাড়ে সাতমাস চলে গেলেও অজ্ঞাত কারণে তদন্ত আটকে গেছে। পুলিশের পক্ষ থেকে সানজীদার স্বামীর বিরুদ্ধে দোষ খুঁজে বের করার চেষ্টা চলছে। ডিএমপির তদন্ত কমিটির সভাপতি উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি, অপারেশনস) মো. আবু ইউসুফ বুধবার দুপুরে ঢাকা টাইমসকে বলেন, ‘তদন্ত প্রতিবেদন এখনো জমা দিইনি। বিষয়টি ঊধ্বর্তনরা অবহিত আছেন।’ এর বেশি কোনো তথ্য দেননি এই কর্মকর্তা।

এদিকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের গঠন করা তদন্ত কমিটির সভাপতি যুগ্মসচিব (পুলিশ-১ অধিশাখা) মো. আবুল ফজল মীর। তদন্তের বিষয়ে তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র জনসংযোগ কর্মকর্তা শরীফ মাহমুদ ঢাকা টাইমসকে বলেন, ‘যতটুকু জানি রিপোর্ট এখনো জমা হয়নি। কাজ প্রায় শেষ দিকে, দ্রুতই জমা হবে।’

পুলিশের নির্যাতনে আহত ছাত্রলীগ নেতাদের হাসপাতালে দেখতে যান তৎকালীন ডিএমপি কমিশনার খন্দকার গোলাম ফারুক। এ সময় তিনি সাংবাদিকদের জানান, শাহবাগ থানার ঘটনায় ছাত্রলীগের একাধিক নেতা আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটির কাজ শেষ হওয়ার আগেই দুজন অফিসারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এডিসি হারুনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। শাহবাগ থানার পরিদর্শক (অপারেশনস) মোস্তফাকেও থানা থেকে সরানো হয়েছে। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন পাওয়ার পর আমরা তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয়সহ অন্যান্য ব্যবস্থা নেব। আমরা আপাতদৃষ্টিতে দেখছি, একজন ছাত্রকে থানার ভেতরে মারধর করা বেআইনি। তাৎক্ষণিকভাবে আমরা ওইটুকু অ্যাকশন নিয়েছি। এর মধ্যে যদি তদন্তে আরও অন্য কোনো বিষয় আসে সেসব বিষয় দেখা হবে।’

কতটা ভয়ঙ্কর ছিল থানায় সেদিনের নির্যাতন:

ঘটনার পর হারুন ও থানা পুলিশের নির্যাতনের বর্ণনা দেন আহত ছাত্রলীগ নেতা আনোয়ার হোসেন নাঈম। তিনি বলেন, হারুন ও তার পুলিশ বাহিনী আমার ওপর চড়াও হন। আমাকে ওসির কক্ষে নিয়ে মাটিতে ফেলে ১০-১৫ মিনিট ধরে মারধর করেন। একপর্যায়ে হারুনের হাতে থাকা অস্ত্রের বাঁট দিয়ে আমার মুখ থেঁতলে দেন, এতে আমার দাঁত ভেঙে যায়। পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ও ছাত্রলীগের নেতারা এসে আমাদের উদ্ধার করেন।

সিসিটিভি ফুটেজ গায়েব:

বারডেম হাসপাতালে ঘটনার সূত্রপাত হয়; এরপর এডিসি হারুন শাহবাগ থানায় যান। সেখানে গিয়ে থানা পুলিশকে দিয়ে ছাত্রলীগ নেতাদের তুলে আনেন। থানায় আটকে ব্যাপক নির্যাতন করা হয় তাদের। যা থানায় থাকা সিসিটিভিতে ধারণ হয়। তবে ঘটনা অন্যদিকে মোড় নিলে এডিসি হারুনের নির্দেশে সেই ফুটেজ আইটি বিশেষজ্ঞ এনে ডিলিট করানো হয়। সবধরনের প্রমাণ মুছতে বিভিন্ন ধরনের চেষ্টা চালান সমালোচিত ওই পুলিশ কর্মকর্তা।

পেটানো ছিল হারুনের নেশা, ফাঁসেন ছাত্রলীগ মেরে!

বিসিএস পুলিশ ক্যাডারের ৩১তম ব্যাচের কর্মকর্তা এই হারুন অর রশীদ। কর্মস্থলে যোগ দিয়ে সব সময় থেকেছেন আলোচনায়। সহকর্মী, সাংবাদিক, শিক্ষককে মারধর করলেও থেকেছেন বহাল তবিয়তে। তার ঊধ্বর্তনরা কোনো ধরনের পদক্ষেপ না নেওয়ায় দিন দিন হয়ে ওঠেন বেপরোয়া। পুলিশি ক্ষমতার অপব্যবহার করে দিনের পর দিন করেছেন ভয়ঙ্কর সব অপরাধ।

সানজীদাকাণ্ডের আগে হারুন রাজপথে আন্দোলনকারীদের বেধড়ক পিটিয়েয়েছেন। সংবাদ সংগ্রহ করায় পিটিয়েছেন সংবাদকর্মীকে। ২০২২ সালের ৭ আগস্ট জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর প্রতিবাদে শাহবাগ এলাকায় ‘শান্তিপূর্ণপ্রতিবাদ কর্মসূচিতে লাঠিপেটা করে পুলিশ। এতে অন্তত ১২ জন আহত হন। সেদিনের ঘটনার নেতৃত্ব দেন এডিসি হারুন। তার নির্দেশেই ওই দিন কর্মসূচিতে ‘বিনা উস্কানিতে বিক্ষোভকারীদের লাঠিপেটা করা হয়।

একই বছরের ১৮ এপ্রিল রাতে নিজের সহকর্মীকেও চড় মেরে সমালোচিত হয়েছিলেন এডিসি হারুন। নিউমার্কেট এলাকায় ব্যবসায়ীদের সঙ্গে ঢাকা কলেজের ছাত্রদের সংঘর্ষের ঘটনায় শিক্ষার্থীদের লক্ষ্য করে পুলিশ সদস্যদের রাবার বুলেট ছোড়ার নির্দেশ দিচ্ছিলেন তিনি। এ সময় ‘গুলি শেষ হয়ে গেছে’ বলায় এক পুলিশ কনস্টেবলকে চড় মারেন হারুন। এ নিয়ে পুলিশ কর্মকর্তার এ ধরনের আচরণের নিন্দা জানান সাধারণ মানুষ। এমনকি তিনি নিজেই লাঠি দিয়ে বিক্ষোভকারীদের পেটাচ্ছেন এমন ভিডিও ফেসবুকে এর আগে ভাইরাল হয়েছিল।

যে কোনো যৌক্তিক দাবিতে আন্দোলনকারীদের বেপরোয়া পেটানোর অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা তার বিরুদ্ধে ক্ষোভ জানান। ওই সময় পুলিশের মারধরের শিকার হওয়া ছাত্র সংগঠনের নেতাকর্মী দ্রুত এডিসি হারুনকে প্রত্যাহারের দাবি জানান, যা কর্ণপাত করেনি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ। ওই বছরের ৪ মার্চ গণঅধিকার পরিষদের সদস্য সচিব নুরুল হক নুরের নেতৃত্বে দ্রব্যমূল্য বাড়ানোর প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিলে ঢাকা ক্লাবের সামনে এডিসি হারুনের নেতৃত্বে অতর্কিতে হামলা চালায় একদল পুলিশ সদস্য। এর আগে ওই বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এডিসি হারুনের নেতৃত্বে পুলিশ ছাত্রদলের ‘শান্তিপূর্ণ সমাবেশে লাঠিচার্জ করে।

২০২১ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি লেখক মুশতাক আহমেদের মৃত্যুতে বিচার চেয়ে শাহবাগে প্রগতিশীল ছাত্রজোট ও অন্য বাম সংগঠন আয়োজিত মশাল মিছিলে লাঠিপেটা করে পুলিশ। এরও নেতৃত্বে ছিলেন এডিসি হারুন। ২০২২ সালের ৯ সেপ্টেম্বর শাহবাগ মোড়ে সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ৩৫ করার দাবিতে রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন চাকরিপ্রত্যাশীরা। সেখানে চাকরিপ্রত্যাশী কয়েকজনের ওপর লাঠিপেটা করেন এডিসি হারুন। পরে এক যুবককে ধরে নিয়ে যাওয়ার সময় ছবি তুলতে গেলে কয়েকজন সাংবাদিকের সঙ্গে এডিসি হারুন দুর্ব্যবহার করেন।

তাছাড়া গতবছরের মার্চে সুপ্রিম কোর্ট বার ভবনে পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময় সাংবাদিকরা পুলিশের পিটুনির শিকার হন। যার নেতৃত্বে ছিলেন এই হারুন।

(ঢাকাটাইমস/২৫এপ্রিল/এসএস/ইএস)

সংবাদটি শেয়ার করুন

বিশেষ প্রতিবেদন বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন এর সর্বশেষ

মাগুরায় বাড়ি-জমি উত্তম কুমারের: কোথাও খোঁজ নেই তার, দুদকের অনুসন্ধান সম্পন্ন

কোথায় পালিয়েছে ইউপি চেয়ারম্যান ও মেম্বার, জানে না পুলিশ, স্থায়ী বরখাস্ত হলেই ডুমাইনে ভোট

ভয়াবহ ট্রাজেডির পর কতটা সতর্ক হলো বেইলি রোডের রেস্তোরাঁগুলো

টিপকাণ্ডে চাকরি হারানো নাজমুল কোথায়? কী করছেন?

অনলাইনে পশুর হাট জমল নাকি কমল?

ফাঁকা রাজধানীর নিরাপত্তায় তালিকভুক্ত চোর ধরছে পুলিশ

সংকটে চামড়া খাত, পর্যাপ্ত জোগানেও বন্ধ হচ্ছে না আমদানি

কোরবানির পশু জবাই ও মাংস বানানোর সরঞ্জাম তৈরিতে ব্যস্ত কারিগররা 

পল্টনে অগ্নিঝুঁকিতে ১৫টি ভবন, নেই কোনো ব্যবস্থা

নেতৃত্ব বাছাইয়ে ছাত্রদল সততা, মেধা ও পরিশ্রমের মূল্যায়ন করে: সাধারণ সম্পাদক

এই বিভাগের সব খবর

শিরোনাম :