পাবনায় কিশোরী ধর্ষণ ও হত্যা মামলার আসামিদের বাড়িতে অগ্নিকাণ্ড, দগ্ধ তিনজনের মৃত্যু

পাবনার সদর উপজেলায় এক কিশোরীকে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় অভিযুক্তদের বাড়িতে অগ্নিসংযোগের পর দগ্ধ হয়ে চিকিৎসাধীন তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে একজন সোমবার এবং দুজন মঙ্গলবার ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।
নিহত ব্যক্তিরা হলেন- সদর উপজেলার ভাঁড়ারা ইউনিয়নের পূর্ব রাঘবপুর এলাকার তজির উদ্দিন শেখের ছেলে সুমন শেখ, পাশের নতুনপাড়া এলাকার শকুর হোসেনের ছেলে সাইফুল ইসলাম সাব্বির এবং একই এলাকার মৃত ইউসুফের ছেলে সাপু।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ৩ জুন বিকালে ভাঁড়ারা এলাকায় পদ্মা নদী থেকে এক কিশোরীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরদিন মরদেহ দাফনের পর উত্তেজিত জনতা অভিযুক্তদের বাড়িঘরে আগুন ধরিয়ে দেয়। এ সময় একটি গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরিত হলে আশপাশে থাকা কয়েকজন দগ্ধ হন।
দগ্ধ ব্যক্তিদের উদ্ধার করে বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে তাঁদের মধ্যে তিনজনের মৃত্যু হয়। অগ্নিকাণ্ডের সময় অভিযুক্ত পরিবারের সদস্যরা বাড়িতে ছিলেন না বলে জানিয়েছে স্থানীয় সূত্র। নিহত ও দগ্ধ ব্যক্তিরা সবাই প্রতিবেশী, আশপাশের বাসিন্দা এবং ঘটনাস্থলে উপস্থিত উৎসুক জনতা ছিলেন।
পাবনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তরিকুল ইসলাম মঙ্গলবার দুপুরে বলেন, ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। তাঁদের মধ্যে একজন সোমবার এবং দুজন মঙ্গলবার মারা যান। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
এর আগে সদর উপজেলার ভাঁড়ারা ইউনিয়নের পিরপুর এলাকায় পদ্মা নদী থেকে ওই কিশোরীর বস্তাবন্দী মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে এ ঘটনায় নিহত কিশোরীর কথিত প্রেমিক নাইমসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
পুলিশের দাবি, জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা ধর্ষণ ও হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন।
ঢাকা টাইমস অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন













































