প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ফল ঘোষণা, বৃত্তি পেল ৭৯ হাজার ২৪৬ শিক্ষার্থী

দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর প্রকাশ করা হয়েছে ২০২৫ সালের প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ফলাফল। এ বছর সারাদেশে মোট ৭৯ হাজার ২৪৬ জন শিক্ষার্থী বৃত্তি অর্জন করেছে। এর মধ্যে ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি পেয়েছে ৩২ হাজার ৯৬৫ জন শিক্ষার্থী।
রোববার (১২ জুলাই) দুপুর ১২টায় রাজধানীর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ফলাফল ঘোষণা করা হয়। শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন আনুষ্ঠানিকভাবে ফল প্রকাশ করেন।
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, শিক্ষার্থীরা নির্ধারিত ওয়েবসাইট এবং নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ফলাফল জানতে পারবে। এছাড়া অনলাইন ও মোবাইল এসএমএসের মাধ্যমেও ফল সংগ্রহ করা যাবে।
সংবাদ সম্মেলনে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহীনা ফেরদৌসীসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর জানায়, এ বছরের বৃত্তি পরীক্ষায় মোট ৮২ হাজার ৫০০টি বৃত্তি দেওয়ার পরিকল্পনা ছিল। এর মধ্যে ট্যালেন্টপুলে ৩৩ হাজার এবং সাধারণ গ্রেডে ৪৯ হাজার ৫০০টি বৃত্তি নির্ধারণ করা হয়। ট্যালেন্টপুল বৃত্তির ৮০ শতাংশ সরকারি বিদ্যালয়ের এবং ২০ শতাংশ বেসরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছে।
এবারের পরীক্ষায় দেশের ৭৮ হাজার ৮১০টি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা অংশ নেয়। এর মধ্যে সরকারি বিদ্যালয় ছিল ৬৫ হাজার ৬০৫টি এবং বেসরকারি বিদ্যালয় ১৩ হাজার ২০৫টি। মোট নিবন্ধিত পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ৬ লাখ ৪১ জন। পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ৪ লাখ ৮৩ হাজার ৭৫৯ জন শিক্ষার্থী, যা মোট নিবন্ধিত পরীক্ষার্থীর ৮০ দশমিক ৫৩ শতাংশ।
বৃত্তিপ্রাপ্তদের মধ্যে ট্যালেন্টপুলে সরকারি বিদ্যালয়ের ২৬ হাজার ৩৭৫ জন এবং বেসরকারি বিদ্যালয়ের ৬ হাজার ৫৯০ জন শিক্ষার্থী রয়েছে। অন্যদিকে সাধারণ বৃত্তি পেয়েছে ৪৬ হাজার ২৮১ জন শিক্ষার্থী। তাদের মধ্যে সরকারি বিদ্যালয়ের ৩৬ হাজার ৪২০ জন এবং বেসরকারি বিদ্যালয়ের ৯ হাজার ৮৬১ জন।
লিঙ্গভিত্তিক হিসেবে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের মধ্যে ৩৫ হাজার ৯৮২ জন ছাত্র এবং ৪৩ হাজার ৩৫৪ জন ছাত্রী। অর্থাৎ মোট বৃত্তিপ্রাপ্তদের মধ্যে ছাত্রের হার ৪৫ দশমিক ২৯ শতাংশ এবং ছাত্রীর হার ৫৪ দশমিক ৭১ শতাংশ।
উল্লেখ্য, পার্বত্য তিন জেলা ছাড়া দেশের অন্যান্য এলাকায় ১৫ থেকে ১৮ এপ্রিল ২০২৬ পর্যন্ত প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানে বিশেষ সময়সূচিতে ১৭ থেকে ২০ এপ্রিল পরীক্ষা নেওয়া হয়। এবার পরীক্ষায় অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছিল প্রায় সাড়ে ৫ লাখ এবং বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় বা কিন্ডারগার্টেনের ছিল প্রায় ৯০ হাজার।
(ঢাকাটাইমস/১২ জুলাই/আরজেড)
ঢাকা টাইমস অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন













































