জুলাই অভ্যুত্থানের দুই বছরেও শ্রমিকের প্রত্যাশা পূরণ হয়নি: সাইফুল হক

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শ্রমজীবী মানুষ সবচেয়ে বেশি ত্যাগ স্বীকার করলেও দুই বছর পরও তাদের ন্যায্য অধিকার ও মর্যাদা নিশ্চিত হয়নি বলে মন্তব্য করেছেন বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক। তিনি বলেন, গণঅভ্যুত্থানের পর শিক্ষার্থীদের মতো শ্রমিকরা ক্ষমতার ভাগ চাননি; তারা কেবল বাঁচার মতো মজুরি ও মর্যাদাপূর্ণ জীবন চেয়েছেন।
বুধবার সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী মিলনায়তনে ‘২০২৪-এর গণঅভ্যুত্থান: শ্রমিকের প্রত্যাশা ও প্রাপ্তি’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সভার আয়োজন করে বিপ্লবী শ্রমিক সংহতি।
সাইফুল হক বলেন, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য নতুন বেতন কাঠামো নির্ধারণ করা হলেও শ্রমিকদের জন্য জীবনযাত্রার ব্যয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ মজুরি নিশ্চিত করা হয়নি। অবিলম্বে জাতীয় ন্যূনতম মজুরি বোর্ড গঠন করে শ্রমিকদের জন্য বাঁচার মতো মজুরি নির্ধারণের দাবি জানান তিনি।
তিনি বলেন, শ্রমিকের ন্যূনতম মানবিক জীবন নিশ্চিত না হলে উৎপাদনশীলতা বাড়বে না। শ্রমিককে বাঁচার মতো মজুরি দেওয়া ব্যয় নয়, বরং উৎপাদনে বিনিয়োগ। শ্রমিকদের আন্দোলনকে কোনো ষড়যন্ত্র হিসেবে দেখার সুযোগ নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
নতুন বিএনপি সরকারকে শ্রমিকবান্ধব সরকার হিসেবে নিজেদের প্রমাণ করার আহ্বান জানিয়ে সাইফুল হক বলেন, শ্রমিকদের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠা করতে হলে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের বিকল্প নেই।
আলোচনা সভায় সংসদ সদস্য ও বিএনপি নেতা শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস বলেন, দেশে প্রায় ৭ কোটি ৩৫ লাখ শ্রমিক ও শ্রমজীবী মানুষ রয়েছেন। তাদের অধিকার প্রতিষ্ঠা না হলে গণঅভ্যুত্থানের লক্ষ্য পূরণ হবে না। তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) বিভিন্ন সনদে বাংলাদেশ স্বাক্ষর করায় শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি ও অধিকার নিশ্চিত করার বিষয়ে সরকার ও মালিকপক্ষের দায়িত্ব রয়েছে। সংসদ সদস্য হিসেবে শ্রমিকদের স্বার্থে ভূমিকা রাখারও আশ্বাস দেন তিনি।
বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির নেত্রী বহ্নিশিখা জামালী বলেন, গণঅভ্যুত্থানের পর শ্রমিকরা হয়তো ভোটাধিকার ফিরে পেয়েছেন, কিন্তু শোষণ ও বৈষম্য কমেনি। বরং গত দুই বছরে শত শত কারখানা বন্ধ হয়েছে এবং কয়েক লাখ শ্রমিক বেকার হয়েছেন, যাদের বড় অংশ নারী।
সভায় শ্রমিক নেতা মাহমুদ হোসেন শ্রমিকদের অধিকারসংক্রান্ত ১৫ দফা দাবি তুলে ধরে বলেন, এসব দাবি বাস্তবায়ন না হলে শ্রমিকদের জীবন আরও অনিশ্চিত হয়ে পড়বে।
বিপ্লবী শ্রমিক সংহতির সভাপতি মীর মোফাজ্জল হোসেন মোশতাকের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক ফিরোজ আলীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন বিএনপির সহ-শ্রমবিষয়ক সহসম্পাদক ফিরোজ আল মামুন মোল্লা, নৌযান শ্রমিক ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক আনিসুর রহমান মাস্টার, সরকারি প্রিন্টিং শ্রমিক-কর্মচারী ইউনিয়নের সভাপতি লোকমান হোসেন, বিপ্লবী শ্রমিক সংহতির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলামসজুলাই গণঅভ্যুত্থানে শ্রমজীবী মানুষ সবচেয়ে বেশি ত্যাগ স্বীকার করলেও দুই বছর পরও তাদের ন্যায্য অধিকার ও মর্যাদা নিশ্চিত হয়নি বলে মন্তব্য করেছেন বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক। তিনি বলেন, গণঅভ্যুত্থানের পর শিক্ষার্থীদের মতো শ্রমিকরা ক্ষমতার ভাগ চাননি; তারা কেবল বাঁচার মতো মজুরি ও মর্যাদাপূর্ণ জীবন চেয়েছেন।
বুধবার সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী মিলনায়তনে ‘২০২৪-এর গণঅভ্যুত্থান: শ্রমিকের প্রত্যাশা ও প্রাপ্তি’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সভার আয়োজন করে বিপ্লবী শ্রমিক সংহতি।
সাইফুল হক বলেন, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য নতুন বেতন কাঠামো নির্ধারণ করা হলেও শ্রমিকদের জন্য জীবনযাত্রার ব্যয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ মজুরি নিশ্চিত করা হয়নি। অবিলম্বে জাতীয় ন্যূনতম মজুরি বোর্ড গঠন করে শ্রমিকদের জন্য বাঁচার মতো মজুরি নির্ধারণের দাবি জানান তিনি।
তিনি বলেন, শ্রমিকের ন্যূনতম মানবিক জীবন নিশ্চিত না হলে উৎপাদনশীলতা বাড়বে না। শ্রমিককে বাঁচার মতো মজুরি দেওয়া ব্যয় নয়, বরং উৎপাদনে বিনিয়োগ। শ্রমিকদের আন্দোলনকে কোনো ষড়যন্ত্র হিসেবে দেখার সুযোগ নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
নতুন বিএনপি সরকারকে শ্রমিকবান্ধব সরকার হিসেবে নিজেদের প্রমাণ করার আহ্বান জানিয়ে সাইফুল হক বলেন, শ্রমিকদের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠা করতে হলে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের বিকল্প নেই।
আলোচনা সভায় সংসদ সদস্য ও বিএনপি নেতা শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস বলেন, দেশে প্রায় ৭ কোটি ৩৫ লাখ শ্রমিক ও শ্রমজীবী মানুষ রয়েছেন। তাদের অধিকার প্রতিষ্ঠা না হলে গণঅভ্যুত্থানের লক্ষ্য পূরণ হবে না। তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) বিভিন্ন সনদে বাংলাদেশ স্বাক্ষর করায় শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি ও অধিকার নিশ্চিত করার বিষয়ে সরকার ও মালিকপক্ষের দায়িত্ব রয়েছে। সংসদ সদস্য হিসেবে শ্রমিকদের স্বার্থে ভূমিকা রাখারও আশ্বাস দেন তিনি।
বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির নেত্রী বহ্নিশিখা জামালী বলেন, গণঅভ্যুত্থানের পর শ্রমিকরা হয়তো ভোটাধিকার ফিরে পেয়েছেন, কিন্তু শোষণ ও বৈষম্য কমেনি। বরং গত দুই বছরে শত শত কারখানা বন্ধ হয়েছে এবং কয়েক লাখ শ্রমিক বেকার হয়েছেন, যাদের বড় অংশ নারী।
সভায় শ্রমিক নেতা মাহমুদ হোসেন শ্রমিকদের অধিকারসংক্রান্ত ১৫ দফা দাবি তুলে ধরে বলেন, এসব দাবি বাস্তবায়ন না হলে শ্রমিকদের জীবন আরও অনিশ্চিত হয়ে পড়বে।
বিপ্লবী শ্রমিক সংহতির সভাপতি মীর মোফাজ্জল হোসেন মোশতাকের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক ফিরোজ আলীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন বিএনপির সহ-শ্রমবিষয়ক সহসম্পাদক ফিরোজ আল মামুন মোল্লা, নৌযান শ্রমিক ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক আনিসুর রহমান মাস্টার, সরকারি প্রিন্টিং শ্রমিক-কর্মচারী ইউনিয়নের সভাপতি লোকমান হোসেন, বিপ্লবী শ্রমিক সংহতির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলামসজুলাই গণঅভ্যুত্থানে শ্রমজীবী মানুষ সবচেয়ে বেশি ত্যাগ স্বীকার করলেও দুই বছর পরও তাদের ন্যায্য অধিকার ও মর্যাদা নিশ্চিত হয়নি বলে মন্তব্য করেছেন বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক। তিনি বলেন, গণঅভ্যুত্থানের পর শিক্ষার্থীদের মতো শ্রমিকরা ক্ষমতার ভাগ চাননি; তারা কেবল বাঁচার মতো মজুরি ও মর্যাদাপূর্ণ জীবন চেয়েছেন।
বুধবার সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী মিলনায়তনে ‘২০২৪-এর গণঅভ্যুত্থান: শ্রমিকের প্রত্যাশা ও প্রাপ্তি’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সভার আয়োজন করে বিপ্লবী শ্রমিক সংহতি।
সাইফুল হক বলেন, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য নতুন বেতন কাঠামো নির্ধারণ করা হলেও শ্রমিকদের জন্য জীবনযাত্রার ব্যয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ মজুরি নিশ্চিত করা হয়নি। অবিলম্বে জাতীয় ন্যূনতম মজুরি বোর্ড গঠন করে শ্রমিকদের জন্য বাঁচার মতো মজুরি নির্ধারণের দাবি জানান তিনি।
তিনি বলেন, শ্রমিকের ন্যূনতম মানবিক জীবন নিশ্চিত না হলে উৎপাদনশীলতা বাড়বে না। শ্রমিককে বাঁচার মতো মজুরি দেওয়া ব্যয় নয়, বরং উৎপাদনে বিনিয়োগ। শ্রমিকদের আন্দোলনকে কোনো ষড়যন্ত্র হিসেবে দেখার সুযোগ নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
নতুন বিএনপি সরকারকে শ্রমিকবান্ধব সরকার হিসেবে নিজেদের প্রমাণ করার আহ্বান জানিয়ে সাইফুল হক বলেন, শ্রমিকদের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠা করতে হলে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের বিকল্প নেই।
আলোচনা সভায় সংসদ সদস্য ও বিএনপি নেতা শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস বলেন, দেশে প্রায় ৭ কোটি ৩৫ লাখ শ্রমিক ও শ্রমজীবী মানুষ রয়েছেন। তাদের অধিকার প্রতিষ্ঠা না হলে গণঅভ্যুত্থানের লক্ষ্য পূরণ হবে না। তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) বিভিন্ন সনদে বাংলাদেশ স্বাক্ষর করায় শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি ও অধিকার নিশ্চিত করার বিষয়ে সরকার ও মালিকপক্ষের দায়িত্ব রয়েছে। সংসদ সদস্য হিসেবে শ্রমিকদের স্বার্থে ভূমিকা রাখারও আশ্বাস দেন তিনি।
বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির নেত্রী বহ্নিশিখা জামালী বলেন, গণঅভ্যুত্থানের পর শ্রমিকরা হয়তো ভোটাধিকার ফিরে পেয়েছেন, কিন্তু শোষণ ও বৈষম্য কমেনি। বরং গত দুই বছরে শত শত কারখানা বন্ধ হয়েছে এবং কয়েক লাখ শ্রমিক বেকার হয়েছেন, যাদের বড় অংশ নারী।
সভায় শ্রমিক নেতা মাহমুদ হোসেন শ্রমিকদের অধিকারসংক্রান্ত ১৫ দফা দাবি তুলে ধরে বলেন, এসব দাবি বাস্তবায়ন না হলে শ্রমিকদের জীবন আরও অনিশ্চিত হয়ে পড়বে।
বিপ্লবী শ্রমিক সংহতির সভাপতি মীর মোফাজ্জল হোসেন মোশতাকের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক ফিরোজ আলীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন বিএনপির সহ-শ্রমবিষয়ক সহসম্পাদক ফিরোজ আল মামুন মোল্লা, নৌযান শ্রমিক ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক আনিসুর রহমান মাস্টার, সরকারি প্রিন্টিং শ্রমিক-কর্মচারী ইউনিয়নের সভাপতি লোকমান হোসেন, বিপ্লবী শ্রমিক সংহতির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলামসহ শ্রমিক নেতারা।
ঢাকা টাইমস অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন













































