‘আজ যেন কোনো সংঘাতের খবর না দেয়’, ট্রাইব্যুনালে ওবায়দুল কাদের-আরাফাতের ফোনালাপ

জুলাই আন্দোলনের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত সরকারের সাবেক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের ও সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাতের একটি ফোনালাপ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে উপস্থাপন করেছে প্রসিকিউশন।
ফোনালাপে টেলিভিশন চ্যানেলগুলোকে সরকারের নির্দেশনা না মানলে ব্যবস্থা নেওয়ার হুমকি এবং আন্দোলনের সময় সংঘাতের খবর প্রচার না করার বিষয়ে কথা বলতে শোনা যায়।
সোমবার এই মামলায় চতুর্থ দিনের মতো যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করছে প্রসিকিউশন। বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এ এ যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করা হচ্ছে।
শুনানিতে উপস্থাপন করা ফোনালাপের একপর্যায়ে ওবায়দুল কাদেরকে বলতে শোনা যায়, ‘এই যে যারা কথা শোনে না, টিভি চ্যানেলের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা...।’
জবাবে মোহাম্মদ আলী আরাফাত বলেন, ‘ওই যে অফ করে দিছি গতকাল দুই একটা। আজকেও বলে রাখছি যেগুলো শুনবে না, অফ করে দিতে সাথে সাথে।’
এরপর ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আজকে যেন কোনো সংঘাতের খবর না দেয়।’
জবাবে আরাফাত বলেন, ‘আজকে ওদের বলছি যে, আজকে যদি কোনো সংঘর্ষের মারামারির ভিডিও ফুটেজ বা ছবি দেখায়, ওদের এনিমি অফ দ্য স্টেট হিসেবে ডিক্লেয়ার করা হবে এবং সারা জীবনের জন্য বন্ধ করে দেব।’
মামলায় প্রসিকিউশনের যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের সময় এই ফোনালাপ তুলে ধরা হয়।
এই মামলায় ওবায়দুল কাদের ও মোহাম্মদ আলী আরাফাত ছাড়াও আসামি হিসেবে রয়েছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, যুবলীগের সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ, সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল এবং নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান।
ঢাকা টাইমস অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন













































