কাঁচা চামড়া রপ্তানির সিদ্ধান্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকাটাইমস
| আপডেট : ১৩ আগস্ট ২০১৯, ১৯:৫৮ | প্রকাশিত : ১৩ আগস্ট ২০১৯, ১৮:৩৯
ফাইল ছবি

চামড়ার উপযুক্ত দাম নিশ্চিত করতে কাঁচা চামড়া রপ্তানির অনুমতি দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এতদিন রপ্তানি নীতি আদেশ অনুযায়ী, বাংলাদেশ থেকে কাঁচা চামড়া রপ্তানি নিষিদ্ধ ছিল।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের নির্ধারিত মূল্যে কাঁচা চামড়া কেনাবেচা নিশ্চিত করতে ব্যবসায়ীদের সহযোগিতা চেয়েছে সরকার।

মঙ্গলবার বিকালে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়েছে।

বিভিন্ন সূত্রে প্রাপ্ত তথ্যের উদ্ধৃতি দিয়ে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নির্ধারিত মূল্যে কোরবানির পশুর চামড়া ক্রয়-বিক্রয় হচ্ছে না। এ বিষয়ে চামড়া শিল্পের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যবসায়ীদের দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানানো হচ্ছে।

কাঁচা চামড়ার গুণাগুণ যাতে নষ্ট না হয়, সেজন্য স্থানীয়ভাবে যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে চামড়া সংরক্ষণের জন্যও বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ব্যবসায়ী ও স্থানীয় প্রশাসনের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছে।

‘রপ্তানির অনুমতিতে কাঁচা চামড়ার দাম বাড়বে’

কাঁচা চামড়া রপ্তানির পথ খুলে দিলে চামড়ার দাম কিছুটা বাড়বে জানিয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. মফিজুল ইসলাম বার্তা সংস্থা ডয়চে ভেলেকে বলেন, ‘আমরা চিন্তাভাবনা করছি কাঁচা চামড়া রপ্তানি করার অনুমতি দেবো৷ এটা হলে আশা করছি দামটা আরেকটু বাড়বে৷ পাশাপাশি দেশীয় শিল্প যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সেদিকেও আমরা লক্ষ্য রাখছি।’

কবে সেই অনুমতি দেওয়া হবে জানতে চাইলে বাণিজ্য সচিব বলেন, ‘উচ্চ পর্যায়ে আলোচনা করেছি, আমরা হয়ত রপ্তানির অনুমোদন দেব, কালকে (বুধবার) অফিস খুললে চামড়াখাতের সঙ্গে জড়িতদের নিয়ে বৈঠক করে কাঁচা চামড়া রপ্তানির অনুমতির ঘোষণা দেওয়া হবে।’

এবার ঢাকায় প্রতি বর্গফুট গরুর কাঁচা চামড়া ৪৫ থেকে ৫০ টাকা, ঢাকার বাইরে ৩৫ থেকে ৪০ টাকা এবং খাসির কাঁচা চামড়া সারাদেশে ১৮ থেকে ২০ এবং বকরির চামড়ার দাম ১৩ থেকে ১৫ টাকা নির্ধারণ করে দেয় সরকার৷ তবে ওই দামে কোথাও চামড়া বিক্রি হয়নি৷

এদিকে ক্ষমতাসীন দলের ‘সিন্ডিকেটের কারসাজিতে' কোরবানির পশুর কাঁচা চামড়ার দাম কমিয়ে ‘পাশের দেশে পাচার' করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছে বিএনপি৷ চামড়ার দাম পড়ে যাওয়ার জন্য ‘সিন্ডিকেটের কারসাজির' অভিযোগ করেছেন মৌসুমি ব্যবসায়ীরা৷

কেন এত কম দামে কাঁচা চামড়া বিক্রি হয়েছে জানতে চাইলে বাণিজ্য সচিব মফিজুল ইসলাম বলেন, ‘যদি ডিমান্ড থাকে তাহলে দাম বাড়বে৷ আমার কাছে মনে হচ্ছে সাপ্লাই আছে, কিন্তু ডিমান্ড নেই৷ ট্যানারি অ্যাসোসিয়েশনের সঙ্গে বসে আমরা দাম নির্ধারণ করি৷ তারা বলছে, গত বছরের চামড়াই তাদের কাছে রয়ে গেছে৷ তারা নির্ধারিত মূল্যে চামড়া কিনছে না বলে তথ্য পাচ্ছি৷ যদিও আমরা তাদের বোঝানোর চেষ্টা করেছি যাতে চামড়া বিক্রির টাকাটা এতিমখানা, মাদ্রাসা বা গরিব মানুষের কাছে যায়৷ কিন্তু বাস্তবতাটা হলো ট্যানারি মালিকরা চামড়া না কেনার ফলে দামটা তারা পাচ্ছে না।’

(ঢাকাটাইমস/১৩আগস্ট/জেবি)

সংবাদটি শেয়ার করুন

অর্থনীতি বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

শিরোনাম :