মার্সেই, আলেকজান্দ্রিয়া এবং ইস্তানবুলে আঘাত হানতে পারে সুনামি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, ঢাকাটাইমস
 | প্রকাশিত : ২৫ জুন ২০২২, ১৬:৩৬
২০১১ সালে জাপানের সুনামি

শীঘ্রই মার্সেই, আলেকজান্দ্রিয়া এবং ইস্তাম্বুলসহ ভূমধ্যসাগরের আশেপাশের বড় শহরগুলিতে আঘাত হানতে পারে সুনামি। জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি বিষয়ক সংস্থা ইউনেস্কো জানিয়েছে, এই অঞ্চলগুলিতে আগামী তিন দশকের সবচেয়ে উঁচু ঢেউ আছরে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। খবর দ্য গার্ডিয়ানের।

সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে ভূমধ্যসাগরীয় উপকূলীয় সম্প্রদায়গুলিতে সুনামির ঝুঁকি বাড়তে পারে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। যদিও প্রশান্ত মহাসাগর এবং ভারত মহাসাগরের সম্প্রদায়গুলি (যেখানে বেশিরভাগ সুনামি ঘটে) প্রায়শই বিপদ সম্পর্কে সচেতন ছিল। তবে ভূমধ্যসাগরসহ আশেপাশের অন্যান্য উপকূলীয় অঞ্চলের লোকজন এটিকে তেমন একটা আমলে নেয়না বলে জানিয়েছে ইউনেস্কো।

এ অঞ্চলে ১২টি সুনামি পূর্বাভাস কেন্দ্র তৈরি করার কথা রয়েছে। কিন্তু এগুলো এখনো নির্মাণ করা হয়নি।

ইউনেস্কো বলছে, ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলের পাঁচটি ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চল আগামী বছরের মধ্যে ২১টি দেশের ৪০টি ‘সুনামি সম্ভাব্য’ শহরের তালিকায় যোগদান করবে। এই তালিকায় মার্সেই, আলেকজান্দ্রিয়া এবং ইস্তাম্বুলের পাশাপাশি স্পেনের আটলান্টিক উপকূলীয় শহর কান এবং চিপিওনাকে অন্তর্ভুক্ত কর হয়েছে।

‘সুনামি-প্রস্তুত’ কর্মসূচিটি ইউনেস্কোর বৃহত্তর প্রচেষ্টার অংশ যা আগামী সপ্তাহে লিসবনে জাতিসংঘের মহাসাগর সম্মেলনের আগে চালু করা হয়েছে। এর উদ্দেশ্য, ২০৩০ সালের মধ্যে সুনামির ঝুঁকিতে থাকা সম্প্রদায়গুলি যেন পূর্ব প্রস্তুতি সম্পর্কে নিশ্চিত হতে পারে।

ইউনেস্কোর প্রধান সুনামি বিশেষজ্ঞ বার্নার্ডো আলিয়াগা বলেছেন, ২০০৪ এবং ২০১১ সালের সুনামি ছিল জেগে ওঠার আহ্বান। আমরা ২০০৪ সাল থেকে অনেক দূর এগিয়েছি। আমরা আজ নিরাপদ। তবে প্রস্তুতিতে ঘাটতি রয়েছে এবং আমাদের সেখানে উন্নতি করতে হবে। আমাদের নিশ্চিত করতে হবে যে সতর্কতাগুলি যেন সকলের বোধগম্য হয় এবং দুর্যোগের সময় তারা যেন নিজেদের রক্ষা করতে পারে।

২০০৪ এ ঘটে যাওয়া ভারত মহাসাগরের সুনামি ছিল ইতহাসের সবচেয়ে মারাত্মক। এতে ১৪টি দেশে আনুমানিক ২ লাখ ৩০ হাজার মানুষ মারা গিয়েছিল। জাপানে ২০১১ সালের সুনামি (১৩০ ফুট উচ্চতার) এবং ৯.১ মাত্রার ভূমিকম্পে ১৮ হাজার মানুষ মারা গিয়েছিল।

(ঢাকাটাইমস/২৫জুন/এসএটি)

সংবাদটি শেয়ার করুন

আন্তর্জাতিক বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদন খেলাধুলা
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

শিরোনাম :