ডাটা প্রাইভেসি আইন প্রণয়ন ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বাড়ানোর পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের

'দেশে ডাটা প্রাইভেসি এবং ডাটা সিকিউরিটি আইন নেই৷ ডাটা গর্ভনেন্স খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ডাটা পলিসিতে কে ডাটা ব্যবহার করবে, কীভাবে ব্যবহার করবে এবং কতটুকু ডাটা ব্যবহার করবে তা সুনিশ্চিত সরকারকেই করতে হয়৷ ফলে দেশে ডাটা প্রাইভেসি এবং প্রটেকশন আইন করা জরুরি।’
ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন, বাংলাদেশের (আইইবি) কম্পিউটারকৌশল বিভাগের উদ্যোগে রবিবার (৩০ জুলাই) রাজধানী রমনায় আইইবির কাউন্সিল হলে 'ডাটা প্রাইভেসি এবং প্রটেকশন-ব্যক্তিগত, প্রাতিষ্ঠানিক ও সামাজিক নিরাপত্তা' শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠানে বক্তারা এসব কথা বলেন৷
সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন কম্পিউটারকৌশল বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. প্রকৌশলী মুহাম্মদ মাহফুজুল ইসলাম। সঞ্চালক ছিলেন সম্পাদক প্রকৌশলী তানভীর মাহমুদুল হাসান। বিশেষ অতিথি ছিলেন আইইবির ভাইস প্রেসিডেন্ট প্রকৌশলী মো. শাহাদাৎ হোসেন শীবলু, প্রকৌশলী মো. নুরুজ্জামান, প্রকৌশলী খন্দকার মনজুর মোর্শেদ এবং প্রকৌশলী খায়রুল বাশার। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকের প্রধান প্রযুক্তি কর্মকর্তা (সিটিও) ও সাইবার ক্রাইম অ্যাওয়ারনেস ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা প্রকৌশলী মো. মুশফিকুর রহমান। আইইবির সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী এস.এম. মঞ্জুরুল হক মঞ্জুর স্বাগত বক্তব্য রাখেন। ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন প্রকৌশলী সঞ্জয় কুমার নাথ।
মুশফিকুর রহমান বলেন, দেশের স্বার্থেই ডাটা প্রাইভেসি ও প্রটেকশন আইন জরুরি। কোন প্রতিষ্ঠান কীভাবে মানুষের ব্যক্তিগত তথ্য ব্যবহার করবে, কতোটুকু করবে এবং সেটির যথাযথ প্রক্রিয়া বজায় রাখা- এসব বিষয় আইনে সুস্পষ্ট নির্দেশনা থাকবে। আর শুধু আইন দিয়েই প্রাইভেসি নিয়ন্ত্রণ করা যাবে না। এজন্য দেশের প্রযুক্তিবিদদের যথাযথ দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে নিরাপদ সফটওয়্যার তৈরি করতে হবে। একইসঙ্গে তথ্যপ্রযুক্তির অবকাঠামো স্থাপনের সময় যথাযথ নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়েও গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
স্বাগত বক্তব্যে এস.এম. মঞ্জুরুল হক মঞ্জু বলেন, ব্যক্তিগত ডাটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ এবং জাতীয় সম্পদ৷ এই সম্পদ সুরক্ষায় সবাইকেই সচেতন ও সজাগ থাকতে হবে৷ স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে ডাটাকে সুরক্ষিত রাখতে কম্পিউটার প্রকৌশলীরা আরও বেশি দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখবে বলে বিশ্বাস করি৷
বক্তারা বলেন, ডাটা প্রাইভেসি আইন উন্নত দেশগুলোতে প্রচলিত ও প্রয়োগ করা হচ্ছে। ডাটা প্রাইভেসি এবং সিকিউরিটি আইন থাকলে ডাটা ম্যানেজমেন্টে কার কি ভূমিকা, কার কি দায়িত্ব তা সুস্পষ্ট উল্লেখিত থাকতো৷ ব্যক্তি সামাজিকভাবে তথ্য শেয়ারে সচেতন হতে হবে৷ সব তথ্য সামাজিকভাবে শেয়ার করা ঠিক না। ডাটা প্রাইভেসিতে প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধ উত্তম।
সেমিনারে আরও উপস্থিত ছিলেন, আইইবির সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী রনক আহসান, প্রকৌশলী আবুল কালাম হাজারী, প্রকৌশলী অমিত কুমার চক্রবর্তীসহ আইইবির কম্পিউটারকৌশল বিভাগের প্রকৌশলীবৃন্দ।
(ঢাকাটাইমস/৩০জুলাই/কেএম)
ঢাকা টাইমস অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন











































